যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় স্পেনের জয় উদযাপন

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় স্পেনের জয় উদযাপন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের জয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার বাসিন্দারা। প্রায় তিন বছর ধরে ফিলিস্তিনের এই উপত্যকাটিতে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এর মধ্যেও কিছু সময়ের জন্য গাজাবাসীকে যুদ্ধের চাপ ও দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য মুক্তি দিয়েছে এই ম্যাচ। আর্জেন্টিনা-স্পেনের এই ম্যাচ।
রবিবার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। তাদের প্রতি সমর্থন জানাতে মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের ক্যাফেগুলোতে জড়ো হয় ফিলিস্তিনিরা। তারা স্পেন জাতীয় দলের জয় উপলক্ষে স্বাগত ও আনন্দধ্বনি দেন।
গাজার এক বাসিন্দা নোমান আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা স্পেনকে সমর্থন করতে একত্রিত হয়েছি। কারণ দেশটি বছরের পর বছর ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, এটি ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকা দেশগুলোর প্রতি শান্তি ও সংহতির বার্তাও বহন করে।
অন্যদিকে বিজয় উদযাপনের সময় স্পেনের সমর্থকরাও ফিলিস্তিনকে স্মরণ করতে ভোলেননি। নিউজার্সিতে স্টেডিয়ামের বাইরেই ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে উল্লাস প্রকাশ করেন তারা।
স্পেনের বিভিন্ন শহরেও বিজয়োৎসবের সময় সমর্থকদের ফিলিস্তিনের পতাকা উড়াতে এবং ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এর আগে গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর ছাদখোলা বাসে করে বের হওয়া উৎসব মিছিলে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনা ঘটে। বার্সেলোনার রাস্তায় তখন প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন তাদেরকে অভিনন্দন জানাতে।
এই ঘটনা তখন অনেকদূর গড়িয়েছিল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনার সমালোচনা করেন। ইসরায়েলের বিপক্ষে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ারও দাবি ওঠে। তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, টিআরটি ওয়ার্ল্ড

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের জয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার বাসিন্দারা। প্রায় তিন বছর ধরে ফিলিস্তিনের এই উপত্যকাটিতে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এর মধ্যেও কিছু সময়ের জন্য গাজাবাসীকে যুদ্ধের চাপ ও দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য মুক্তি দিয়েছে এই ম্যাচ। আর্জেন্টিনা-স্পেনের এই ম্যাচ।
রবিবার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। তাদের প্রতি সমর্থন জানাতে মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের ক্যাফেগুলোতে জড়ো হয় ফিলিস্তিনিরা। তারা স্পেন জাতীয় দলের জয় উপলক্ষে স্বাগত ও আনন্দধ্বনি দেন।
গাজার এক বাসিন্দা নোমান আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা স্পেনকে সমর্থন করতে একত্রিত হয়েছি। কারণ দেশটি বছরের পর বছর ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, এটি ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকা দেশগুলোর প্রতি শান্তি ও সংহতির বার্তাও বহন করে।
অন্যদিকে বিজয় উদযাপনের সময় স্পেনের সমর্থকরাও ফিলিস্তিনকে স্মরণ করতে ভোলেননি। নিউজার্সিতে স্টেডিয়ামের বাইরেই ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে উল্লাস প্রকাশ করেন তারা।
স্পেনের বিভিন্ন শহরেও বিজয়োৎসবের সময় সমর্থকদের ফিলিস্তিনের পতাকা উড়াতে এবং ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এর আগে গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর ছাদখোলা বাসে করে বের হওয়া উৎসব মিছিলে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনা ঘটে। বার্সেলোনার রাস্তায় তখন প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন তাদেরকে অভিনন্দন জানাতে।
এই ঘটনা তখন অনেকদূর গড়িয়েছিল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনার সমালোচনা করেন। ইসরায়েলের বিপক্ষে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ারও দাবি ওঠে। তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, টিআরটি ওয়ার্ল্ড

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় স্পেনের জয় উদযাপন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের জয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার বাসিন্দারা। প্রায় তিন বছর ধরে ফিলিস্তিনের এই উপত্যকাটিতে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এর মধ্যেও কিছু সময়ের জন্য গাজাবাসীকে যুদ্ধের চাপ ও দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য মুক্তি দিয়েছে এই ম্যাচ। আর্জেন্টিনা-স্পেনের এই ম্যাচ।
রবিবার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। তাদের প্রতি সমর্থন জানাতে মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের ক্যাফেগুলোতে জড়ো হয় ফিলিস্তিনিরা। তারা স্পেন জাতীয় দলের জয় উপলক্ষে স্বাগত ও আনন্দধ্বনি দেন।
গাজার এক বাসিন্দা নোমান আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা স্পেনকে সমর্থন করতে একত্রিত হয়েছি। কারণ দেশটি বছরের পর বছর ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, এটি ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকা দেশগুলোর প্রতি শান্তি ও সংহতির বার্তাও বহন করে।
অন্যদিকে বিজয় উদযাপনের সময় স্পেনের সমর্থকরাও ফিলিস্তিনকে স্মরণ করতে ভোলেননি। নিউজার্সিতে স্টেডিয়ামের বাইরেই ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে উল্লাস প্রকাশ করেন তারা।
স্পেনের বিভিন্ন শহরেও বিজয়োৎসবের সময় সমর্থকদের ফিলিস্তিনের পতাকা উড়াতে এবং ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এর আগে গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর ছাদখোলা বাসে করে বের হওয়া উৎসব মিছিলে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনা ঘটে। বার্সেলোনার রাস্তায় তখন প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন তাদেরকে অভিনন্দন জানাতে।
এই ঘটনা তখন অনেকদূর গড়িয়েছিল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনার সমালোচনা করেন। ইসরায়েলের বিপক্ষে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ারও দাবি ওঠে। তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, টিআরটি ওয়ার্ল্ড

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের সামনে অসহায় আর্জেন্টিনা





