শিরোনাম

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিখোঁজ ৫০ হাজার

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিখোঁজ ৫০ হাজার
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এক ভবনের সামনে উদ্ধার অভিযান

ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। জীবিতদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জাতিসংঘ অনুমান করেছে, এখনও ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ এবং ৫০০ জনেরও বেশি মারা গেছেন।ফ্লেচার সতর্ক করেন, মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

‘দেসাপারেসিডোস তেরেমোতো ভেনেজুয়েলা’ ওয়েবসাইটেও একই তথ্য দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের জন্য এই ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ জানান, ভূমিকম্পে সরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ৫৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারী দল ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়া জীবিতদের সন্ধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এর পরেই তিনি এই মন্তব্য করেন।

তবে সর্বশেষ দেওয়া তথ্যে তিনি নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩,৩৬০ জন।

বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, প্রথম আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২। এর কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।

রদ্রিগেজ বলেছেন, ভূমিকম্পে অন্তত ৩৮৩টি ভবন, ১৩টি হাসপাতাল, ২৫টি শপিং সেন্টার এবং ১,০০২টি অন্যান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএ জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ঠিক কতটা বাড়তে পারে সে সম্পর্কে তাদের কাছে এখনও কোনো ধারণা নেই।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের জানুয়ারিতে হাইতিতে একই মাত্রার ভূমিকম্পে ২ লাখেরও বেশি মানুষের এবং ২০০৫ সালের অক্টোবরে কাশ্মীরে ৭৩ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

সূত্র: টাইম, আল জাজিরা

/জেএইচ/