কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ২৫৪, নিখোঁজ ২৭০০

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ২৫৪, নিখোঁজ ২৭০০
সিজেডএন ডেস্ক

লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫৪ জনে। পাশাপাশি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ। ভয়াবহ এ ক্ষত নিয়েই চলছে জীবিতদের উদ্ধারের লড়াই। সময় যত গড়াচ্ছে, স্বজনদের আকুল অপেক্ষা আর আশঙ্কা ততই বাড়ছে। স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে সাতটায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এ ভূমিকম্পকে চলতি শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী বলে নিশ্চিত করেছে দেশের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা।
সবচেয়ে মর্মান্তিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে। বোগোতা থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরের এ শহরে ৪৫টির বেশি ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। এখানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৯৫ জন। কালির দক্ষিণাঞ্চলে একটি সাততলা আবাসিক ভবন ধসে পাশের একটি নার্সারি স্কুলের ওপর পড়ে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ওই ভবনের নিচে অন্তত ২০ জন এবং নার্সারির ধ্বংসাবশেষে প্রায় ১৭ জন শিশু আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তরের (ওসিএইচএ) তথ্যানুযায়ী, এ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার বড় অংশই আবাসিক ভবন। কালি ও পেরেইরার পাশাপাশি চোকো অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রথম আঘাতের পর সোমবার রাত পর্যন্ত অন্তত ২১টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে উদ্ধারকাজ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বিপর্যয়ের মুখে হাতুড়ি, কোদাল ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে কংক্রিটের স্তূপ সরাতে দিনরাত এক করে কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা। স্থানীয় শত শত স্বেচ্ছাসেবকও তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, আগে থেকেই সংকটে থাকা এ অঞ্চলে বর্তমানে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ আশ্রয় ও শিক্ষা সহায়তার প্রচণ্ড প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: এবিসি নিউজ

লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫৪ জনে। পাশাপাশি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ। ভয়াবহ এ ক্ষত নিয়েই চলছে জীবিতদের উদ্ধারের লড়াই। সময় যত গড়াচ্ছে, স্বজনদের আকুল অপেক্ষা আর আশঙ্কা ততই বাড়ছে। স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে সাতটায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এ ভূমিকম্পকে চলতি শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী বলে নিশ্চিত করেছে দেশের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা।
সবচেয়ে মর্মান্তিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে। বোগোতা থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরের এ শহরে ৪৫টির বেশি ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। এখানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৯৫ জন। কালির দক্ষিণাঞ্চলে একটি সাততলা আবাসিক ভবন ধসে পাশের একটি নার্সারি স্কুলের ওপর পড়ে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ওই ভবনের নিচে অন্তত ২০ জন এবং নার্সারির ধ্বংসাবশেষে প্রায় ১৭ জন শিশু আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তরের (ওসিএইচএ) তথ্যানুযায়ী, এ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার বড় অংশই আবাসিক ভবন। কালি ও পেরেইরার পাশাপাশি চোকো অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রথম আঘাতের পর সোমবার রাত পর্যন্ত অন্তত ২১টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে উদ্ধারকাজ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বিপর্যয়ের মুখে হাতুড়ি, কোদাল ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে কংক্রিটের স্তূপ সরাতে দিনরাত এক করে কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা। স্থানীয় শত শত স্বেচ্ছাসেবকও তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, আগে থেকেই সংকটে থাকা এ অঞ্চলে বর্তমানে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ আশ্রয় ও শিক্ষা সহায়তার প্রচণ্ড প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: এবিসি নিউজ

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ২৫৪, নিখোঁজ ২৭০০
সিজেডএন ডেস্ক

লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫৪ জনে। পাশাপাশি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ। ভয়াবহ এ ক্ষত নিয়েই চলছে জীবিতদের উদ্ধারের লড়াই। সময় যত গড়াচ্ছে, স্বজনদের আকুল অপেক্ষা আর আশঙ্কা ততই বাড়ছে। স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে সাতটায় আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার এ ভূমিকম্পকে চলতি শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী বলে নিশ্চিত করেছে দেশের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা।
সবচেয়ে মর্মান্তিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে। বোগোতা থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরের এ শহরে ৪৫টির বেশি ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। এখানে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৯৫ জন। কালির দক্ষিণাঞ্চলে একটি সাততলা আবাসিক ভবন ধসে পাশের একটি নার্সারি স্কুলের ওপর পড়ে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ওই ভবনের নিচে অন্তত ২০ জন এবং নার্সারির ধ্বংসাবশেষে প্রায় ১৭ জন শিশু আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তরের (ওসিএইচএ) তথ্যানুযায়ী, এ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার বড় অংশই আবাসিক ভবন। কালি ও পেরেইরার পাশাপাশি চোকো অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রথম আঘাতের পর সোমবার রাত পর্যন্ত অন্তত ২১টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে উদ্ধারকাজ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বিপর্যয়ের মুখে হাতুড়ি, কোদাল ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে কংক্রিটের স্তূপ সরাতে দিনরাত এক করে কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা। স্থানীয় শত শত স্বেচ্ছাসেবকও তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, আগে থেকেই সংকটে থাকা এ অঞ্চলে বর্তমানে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ আশ্রয় ও শিক্ষা সহায়তার প্রচণ্ড প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: এবিসি নিউজ

কলম্বিয়ার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৮






