কলম্বিয়ার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৮

কলম্বিয়ার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৮
সিজেডএন ডেস্ক

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ভেঙে পড়া ভবনের নিচে আরও বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির ভূতাত্ত্বিক পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে (জিএমটি ১২:৩৪) আঘাত হানে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমার গ্রামের কাছে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দেশটির কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলে। পেরেইরা শহরের মেয়র জানিয়েছেন, সেখানে অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। চোকোর গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্ডোবা জানান, ভূমিকম্পে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সম্ভাব্য আফটারশক বা পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কলম্বিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, সেখানে প্রায় ২৫টি ভবন ধসে পড়েছে। কফি অঞ্চলের মানিজালেস শহরের একটি গির্জার চূড়া ভেঙে পড়ার দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। স্থানীয় সংবাদপত্র এল তিয়েম্পো প্রকাশিত এক ফুটেজে দেখা যায়, ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের আশায় আকুল হয়ে চিৎকার করছেন স্বজনেরা।
ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কেন্দ্রস্থল থেকে শত শত কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত রাজধানী বোগোতাও প্রচণ্ডভাবে কেঁপে ওঠে। প্রায় দুই মিনিট ধরে চলা এ কম্পনে রাস্তার ট্রাফিক লাইট ও গাছপালা জোরে জোরে দুলতে থাকে। জীবন বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ও অফিস ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। লাইভ সম্প্রচার চলাকালে ক্যারাকল রেডিওর স্টুডিও কেঁপে উঠতেও দেখা যায়। বোগোটার মেয়র কার্লোস ফার্নান্দো গালান জানিয়েছেন, বেশ কিছু ভবনে ফাটল ধরলেও মূল অবকাঠামোর কোনো গুরুতর ক্ষতি হয়নি।
এ দুর্যোগের কারণে পেরেইরা, মানিজালেস, কুইবদো, আর্মেনিয়া, কার্তাগো ও বুয়েনাভেন্তুরাসহ বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বিমানবন্দরে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, প্রতিবেশী ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে ৬ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানির ক্ষত এখনও শুকায়নি। সেই ট্র্যাজেডির দুই মাস পার হতে না হতেই এবার কলম্বিয়ায় নেমে এলো নতুন এ বিপর্যয়।
সূত্র: বিবিসি

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ভেঙে পড়া ভবনের নিচে আরও বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির ভূতাত্ত্বিক পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে (জিএমটি ১২:৩৪) আঘাত হানে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমার গ্রামের কাছে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দেশটির কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলে। পেরেইরা শহরের মেয়র জানিয়েছেন, সেখানে অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। চোকোর গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্ডোবা জানান, ভূমিকম্পে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সম্ভাব্য আফটারশক বা পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কলম্বিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, সেখানে প্রায় ২৫টি ভবন ধসে পড়েছে। কফি অঞ্চলের মানিজালেস শহরের একটি গির্জার চূড়া ভেঙে পড়ার দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। স্থানীয় সংবাদপত্র এল তিয়েম্পো প্রকাশিত এক ফুটেজে দেখা যায়, ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের আশায় আকুল হয়ে চিৎকার করছেন স্বজনেরা।
ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কেন্দ্রস্থল থেকে শত শত কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত রাজধানী বোগোতাও প্রচণ্ডভাবে কেঁপে ওঠে। প্রায় দুই মিনিট ধরে চলা এ কম্পনে রাস্তার ট্রাফিক লাইট ও গাছপালা জোরে জোরে দুলতে থাকে। জীবন বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ও অফিস ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। লাইভ সম্প্রচার চলাকালে ক্যারাকল রেডিওর স্টুডিও কেঁপে উঠতেও দেখা যায়। বোগোটার মেয়র কার্লোস ফার্নান্দো গালান জানিয়েছেন, বেশ কিছু ভবনে ফাটল ধরলেও মূল অবকাঠামোর কোনো গুরুতর ক্ষতি হয়নি।
এ দুর্যোগের কারণে পেরেইরা, মানিজালেস, কুইবদো, আর্মেনিয়া, কার্তাগো ও বুয়েনাভেন্তুরাসহ বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বিমানবন্দরে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, প্রতিবেশী ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে ৬ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানির ক্ষত এখনও শুকায়নি। সেই ট্র্যাজেডির দুই মাস পার হতে না হতেই এবার কলম্বিয়ায় নেমে এলো নতুন এ বিপর্যয়।
সূত্র: বিবিসি

কলম্বিয়ার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৮
সিজেডএন ডেস্ক

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ভেঙে পড়া ভবনের নিচে আরও বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির ভূতাত্ত্বিক পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে (জিএমটি ১২:৩৪) আঘাত হানে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমার গ্রামের কাছে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দেশটির কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলে। পেরেইরা শহরের মেয়র জানিয়েছেন, সেখানে অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। চোকোর গভর্নর নুবিয়া ক্যারোলিনা কর্ডোবা জানান, ভূমিকম্পে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সম্ভাব্য আফটারশক বা পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কলম্বিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, সেখানে প্রায় ২৫টি ভবন ধসে পড়েছে। কফি অঞ্চলের মানিজালেস শহরের একটি গির্জার চূড়া ভেঙে পড়ার দৃশ্য ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। স্থানীয় সংবাদপত্র এল তিয়েম্পো প্রকাশিত এক ফুটেজে দেখা যায়, ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের আশায় আকুল হয়ে চিৎকার করছেন স্বজনেরা।
ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কেন্দ্রস্থল থেকে শত শত কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত রাজধানী বোগোতাও প্রচণ্ডভাবে কেঁপে ওঠে। প্রায় দুই মিনিট ধরে চলা এ কম্পনে রাস্তার ট্রাফিক লাইট ও গাছপালা জোরে জোরে দুলতে থাকে। জীবন বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ও অফিস ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। লাইভ সম্প্রচার চলাকালে ক্যারাকল রেডিওর স্টুডিও কেঁপে উঠতেও দেখা যায়। বোগোটার মেয়র কার্লোস ফার্নান্দো গালান জানিয়েছেন, বেশ কিছু ভবনে ফাটল ধরলেও মূল অবকাঠামোর কোনো গুরুতর ক্ষতি হয়নি।
এ দুর্যোগের কারণে পেরেইরা, মানিজালেস, কুইবদো, আর্মেনিয়া, কার্তাগো ও বুয়েনাভেন্তুরাসহ বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বিমানবন্দরে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, প্রতিবেশী ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে ৬ হাজার ১০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানির ক্ষত এখনও শুকায়নি। সেই ট্র্যাজেডির দুই মাস পার হতে না হতেই এবার কলম্বিয়ায় নেমে এলো নতুন এ বিপর্যয়।
সূত্র: বিবিসি

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, কাঁপলো প্রতিবেশী দেশও






