জেট ফুয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করলো রাশিয়া

জেট ফুয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করলো রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

ইউক্রেনীয় বাহিনীর উপর্যুপরি হামলায় দেশের তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় আগামী নভেম্বর পর্যন্ত জেট ফুয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়া। সোমবার (১ জুন) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থেই সাময়িকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। তবে মস্কোর সঙ্গে যেসব দেশের সক্রিয় আন্তঃসরকারি চুক্তি রয়েছে, তারা এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
রুশ গণমাধ্যম আরবিসি জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে জেট ফুয়েলের ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা এটি প্রথম, যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩০শে নভেম্বর। অবশ্য রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী আন্দ্রেই নিকিতিন সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, দেশে বর্তমানে বিমান জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই এবং স্থানীয় বিমান সংস্থাগুলোর স্বার্থ সুরক্ষার্থেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার সুযোগে রাশিয়া যেন জ্বালানি খাত থেকে অতিরিক্ত মুনাফা লুট করতে না পারে, সেজন্যই ইউক্রেন গত কয়েক মাস ধরে রুশ তেল অবকাঠামোগুলোর ওপর হামলা জোরদার করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে রাশিয়ার মোট শোধনাগার সক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ এবং পেট্রোল উৎপাদনের ৩০ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ ব্যাহত বা বন্ধ হয়ে গেছে। ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, শোধনাগারগুলোতে অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের পরিমাণ দৈনিক ৪৬.৯ লক্ষ ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা ২০০৯ সালের পর সর্বনিম্ন রেকর্ড।
বর্তমানে রাশিয়াজুড়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত পেট্রোল রপ্তানির ওপরও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। এ পরিস্থিতির কারণে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত ক্রিমিয়ার গ্যাস স্টেশনগুলোতে স্থানীয় ঘাটতি সামাল দিতে ইতোমধ্যে জ্বালানি রেশনিং বা সীমিত আকারে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। এদিকে ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে ব্রিটিশ ভোক্তাদের সুরক্ষায় গত মাসে রুশ জেট ফুয়েল ও ডিজেল আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ব্রিটেন। সমুদ্রে থাকা রুশ তেল চালানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরপরই যুক্তরাজ্য এ সিদ্ধান্ত নেয়।
সূত্র: দ্য মস্কো টাইমস

ইউক্রেনীয় বাহিনীর উপর্যুপরি হামলায় দেশের তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় আগামী নভেম্বর পর্যন্ত জেট ফুয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়া। সোমবার (১ জুন) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থেই সাময়িকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। তবে মস্কোর সঙ্গে যেসব দেশের সক্রিয় আন্তঃসরকারি চুক্তি রয়েছে, তারা এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
রুশ গণমাধ্যম আরবিসি জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে জেট ফুয়েলের ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা এটি প্রথম, যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩০শে নভেম্বর। অবশ্য রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী আন্দ্রেই নিকিতিন সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, দেশে বর্তমানে বিমান জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই এবং স্থানীয় বিমান সংস্থাগুলোর স্বার্থ সুরক্ষার্থেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার সুযোগে রাশিয়া যেন জ্বালানি খাত থেকে অতিরিক্ত মুনাফা লুট করতে না পারে, সেজন্যই ইউক্রেন গত কয়েক মাস ধরে রুশ তেল অবকাঠামোগুলোর ওপর হামলা জোরদার করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে রাশিয়ার মোট শোধনাগার সক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ এবং পেট্রোল উৎপাদনের ৩০ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ ব্যাহত বা বন্ধ হয়ে গেছে। ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, শোধনাগারগুলোতে অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের পরিমাণ দৈনিক ৪৬.৯ লক্ষ ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা ২০০৯ সালের পর সর্বনিম্ন রেকর্ড।
বর্তমানে রাশিয়াজুড়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত পেট্রোল রপ্তানির ওপরও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। এ পরিস্থিতির কারণে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত ক্রিমিয়ার গ্যাস স্টেশনগুলোতে স্থানীয় ঘাটতি সামাল দিতে ইতোমধ্যে জ্বালানি রেশনিং বা সীমিত আকারে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। এদিকে ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে ব্রিটিশ ভোক্তাদের সুরক্ষায় গত মাসে রুশ জেট ফুয়েল ও ডিজেল আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ব্রিটেন। সমুদ্রে থাকা রুশ তেল চালানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরপরই যুক্তরাজ্য এ সিদ্ধান্ত নেয়।
সূত্র: দ্য মস্কো টাইমস

জেট ফুয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করলো রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

ইউক্রেনীয় বাহিনীর উপর্যুপরি হামলায় দেশের তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় আগামী নভেম্বর পর্যন্ত জেট ফুয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়া। সোমবার (১ জুন) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থেই সাময়িকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। তবে মস্কোর সঙ্গে যেসব দেশের সক্রিয় আন্তঃসরকারি চুক্তি রয়েছে, তারা এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
রুশ গণমাধ্যম আরবিসি জানিয়েছে, দেশের ইতিহাসে জেট ফুয়েলের ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা এটি প্রথম, যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩০শে নভেম্বর। অবশ্য রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী আন্দ্রেই নিকিতিন সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, দেশে বর্তমানে বিমান জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই এবং স্থানীয় বিমান সংস্থাগুলোর স্বার্থ সুরক্ষার্থেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার সুযোগে রাশিয়া যেন জ্বালানি খাত থেকে অতিরিক্ত মুনাফা লুট করতে না পারে, সেজন্যই ইউক্রেন গত কয়েক মাস ধরে রুশ তেল অবকাঠামোগুলোর ওপর হামলা জোরদার করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে রাশিয়ার মোট শোধনাগার সক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ এবং পেট্রোল উৎপাদনের ৩০ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ ব্যাহত বা বন্ধ হয়ে গেছে। ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, শোধনাগারগুলোতে অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের পরিমাণ দৈনিক ৪৬.৯ লক্ষ ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা ২০০৯ সালের পর সর্বনিম্ন রেকর্ড।
বর্তমানে রাশিয়াজুড়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত পেট্রোল রপ্তানির ওপরও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। এ পরিস্থিতির কারণে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত ক্রিমিয়ার গ্যাস স্টেশনগুলোতে স্থানীয় ঘাটতি সামাল দিতে ইতোমধ্যে জ্বালানি রেশনিং বা সীমিত আকারে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। এদিকে ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে ব্রিটিশ ভোক্তাদের সুরক্ষায় গত মাসে রুশ জেট ফুয়েল ও ডিজেল আমদানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ব্রিটেন। সমুদ্রে থাকা রুশ তেল চালানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরপরই যুক্তরাজ্য এ সিদ্ধান্ত নেয়।
সূত্র: দ্য মস্কো টাইমস

ইউক্রেনের নতুন রণকৌশলে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রাশিয়া

