পর্তুগালে বিতর্কিত ‘বোরকা বিল’ পাস

পর্তুগালে বিতর্কিত ‘বোরকা বিল’ পাস
সিজেডএন ডেস্ক

জনপরিসরে মুখ ঢেকে রাখে এমন আবরণ পরিধান নিষিদ্ধ করার বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ‘বোরকা বিল’ পর্তুগালের পার্লামেন্টে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পেয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডানপন্থী জোট, ডানপন্থী ও কট্টর ডানপন্থী দলগুলোর দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনে বিলটি পাস হয়। এখন এটি আইনে পরিণত হওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রেসিডেন্ট চাইলে বিলে স্বাক্ষর করতে পারবেন। অথবা ভেটো দিতে কিংবা সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়ে বৈধতা যাচাইয়ের আবেদন করতে পারবেন।
২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর নারী অধিকার ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে উগ্র-ডানপন্থী চেগা দল প্রথম বিলটি উত্থাপন করে। এর নীতিগত অনুমোদন মিললেও পরে এটি সংসদীয় কমিটিতে দীর্ঘ সময় আটকে ছিল।
চলতি বছরের জুনে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিএসডি) একটি সংশোধিত খসড়া উত্থাপন করে। সেখানে ধর্মীয় পোশাককে সরাসরি লক্ষ্য না করে জননিরাপত্তা ও পরিচয় শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তাকে মূল যুক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। সেই সংশোধিত সংস্করণই সংসদে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো।
নতুন আইনে মুখ পুরোপুরি ঢেকে দেয় এবং পরিচয় শনাক্তে বাধা সৃষ্টি করে জনসমক্ষে এমন পোশাক বা আবরণ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আওতায় বোরকা ও নিকাব কার্যত নিষিদ্ধ হবে। তবে কিছু ব্যতিক্রমও রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন, পেশাগত নিরাপত্তা, ধর্মীয় উপাসনালয়, কূটনৈতিক স্থাপনা, বিমান ভ্রমণসহ কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মুখ ঢাকার অনুমতি থাকবে।
আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অবহেলাজনিত কারণে ২০০ থেকে ২,০০০ ইউরো এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভঙ্গ করলে ৪০০ থেকে ৪,০০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।
কাউকে জোরপূর্বক মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এদিকে বিলটি অনুমোদনের পর পর্তুগালে বসবাসরত মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, আইনটি কার্যত মুসলিম নারীদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ।
আইনটি ধর্মীয়, ব্যক্তিগত ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে ফেলবে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
সংস্থাটির পর্তুগালের নির্বাহী পরিচালক জোয়াও গোডিনহো মার্টিন্স বলেছেন, ‘এই নতুন আইনটি বৈষম্যমূলক এবং মানবাধিকারের জন্য হুমকি। আগের সংস্করণগুলোতে ইসলামের সরাসরি উল্লেখ ছিল। তবে নতুনটিতে সেটা না থাকলেও এটা স্পষ্টভাবে মুখ ঢেকে রাখা মুসলিম নারীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে। এটি তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সরাসরি হুমকি। কোনো নারী কী পরতে পারবে বা পারবে না, তা কেউ নির্ধারণ করে দিতে পারে না। কোনো নারীকে তার ধর্ম, সাংস্কৃতিক পরিচয় বা বিশ্বাস পালনের জন্য শাস্তি দেওয়া উচিত নয়।’
প্রেসিডেন্টকে বিলে স্বাক্ষর না করে সাংবিধানিক পর্যালোচনার জন্য পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
প্রেসিডেন্টের অনুমোদন পেলে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ডের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোর কাতারে যোগ দেবে পর্তুগাল। ওই দেশগুলোতেও জনপরিসরে সম্পূর্ণ মুখ ঢেকে রাখার ওপর বিভিন্ন মাত্রার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
সূত্র: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, পর্তুগাল রেসিডেন্ট

জনপরিসরে মুখ ঢেকে রাখে এমন আবরণ পরিধান নিষিদ্ধ করার বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ‘বোরকা বিল’ পর্তুগালের পার্লামেন্টে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পেয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডানপন্থী জোট, ডানপন্থী ও কট্টর ডানপন্থী দলগুলোর দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনে বিলটি পাস হয়। এখন এটি আইনে পরিণত হওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রেসিডেন্ট চাইলে বিলে স্বাক্ষর করতে পারবেন। অথবা ভেটো দিতে কিংবা সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়ে বৈধতা যাচাইয়ের আবেদন করতে পারবেন।
২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর নারী অধিকার ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে উগ্র-ডানপন্থী চেগা দল প্রথম বিলটি উত্থাপন করে। এর নীতিগত অনুমোদন মিললেও পরে এটি সংসদীয় কমিটিতে দীর্ঘ সময় আটকে ছিল।
চলতি বছরের জুনে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিএসডি) একটি সংশোধিত খসড়া উত্থাপন করে। সেখানে ধর্মীয় পোশাককে সরাসরি লক্ষ্য না করে জননিরাপত্তা ও পরিচয় শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তাকে মূল যুক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। সেই সংশোধিত সংস্করণই সংসদে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো।
নতুন আইনে মুখ পুরোপুরি ঢেকে দেয় এবং পরিচয় শনাক্তে বাধা সৃষ্টি করে জনসমক্ষে এমন পোশাক বা আবরণ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আওতায় বোরকা ও নিকাব কার্যত নিষিদ্ধ হবে। তবে কিছু ব্যতিক্রমও রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন, পেশাগত নিরাপত্তা, ধর্মীয় উপাসনালয়, কূটনৈতিক স্থাপনা, বিমান ভ্রমণসহ কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মুখ ঢাকার অনুমতি থাকবে।
আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অবহেলাজনিত কারণে ২০০ থেকে ২,০০০ ইউরো এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভঙ্গ করলে ৪০০ থেকে ৪,০০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।
কাউকে জোরপূর্বক মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এদিকে বিলটি অনুমোদনের পর পর্তুগালে বসবাসরত মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, আইনটি কার্যত মুসলিম নারীদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ।
আইনটি ধর্মীয়, ব্যক্তিগত ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে ফেলবে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
সংস্থাটির পর্তুগালের নির্বাহী পরিচালক জোয়াও গোডিনহো মার্টিন্স বলেছেন, ‘এই নতুন আইনটি বৈষম্যমূলক এবং মানবাধিকারের জন্য হুমকি। আগের সংস্করণগুলোতে ইসলামের সরাসরি উল্লেখ ছিল। তবে নতুনটিতে সেটা না থাকলেও এটা স্পষ্টভাবে মুখ ঢেকে রাখা মুসলিম নারীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে। এটি তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সরাসরি হুমকি। কোনো নারী কী পরতে পারবে বা পারবে না, তা কেউ নির্ধারণ করে দিতে পারে না। কোনো নারীকে তার ধর্ম, সাংস্কৃতিক পরিচয় বা বিশ্বাস পালনের জন্য শাস্তি দেওয়া উচিত নয়।’
প্রেসিডেন্টকে বিলে স্বাক্ষর না করে সাংবিধানিক পর্যালোচনার জন্য পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
প্রেসিডেন্টের অনুমোদন পেলে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ডের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোর কাতারে যোগ দেবে পর্তুগাল। ওই দেশগুলোতেও জনপরিসরে সম্পূর্ণ মুখ ঢেকে রাখার ওপর বিভিন্ন মাত্রার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
সূত্র: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, পর্তুগাল রেসিডেন্ট

পর্তুগালে বিতর্কিত ‘বোরকা বিল’ পাস
সিজেডএন ডেস্ক

জনপরিসরে মুখ ঢেকে রাখে এমন আবরণ পরিধান নিষিদ্ধ করার বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ‘বোরকা বিল’ পর্তুগালের পার্লামেন্টে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পেয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডানপন্থী জোট, ডানপন্থী ও কট্টর ডানপন্থী দলগুলোর দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনে বিলটি পাস হয়। এখন এটি আইনে পরিণত হওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রেসিডেন্ট চাইলে বিলে স্বাক্ষর করতে পারবেন। অথবা ভেটো দিতে কিংবা সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়ে বৈধতা যাচাইয়ের আবেদন করতে পারবেন।
২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর নারী অধিকার ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে উগ্র-ডানপন্থী চেগা দল প্রথম বিলটি উত্থাপন করে। এর নীতিগত অনুমোদন মিললেও পরে এটি সংসদীয় কমিটিতে দীর্ঘ সময় আটকে ছিল।
চলতি বছরের জুনে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিএসডি) একটি সংশোধিত খসড়া উত্থাপন করে। সেখানে ধর্মীয় পোশাককে সরাসরি লক্ষ্য না করে জননিরাপত্তা ও পরিচয় শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তাকে মূল যুক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। সেই সংশোধিত সংস্করণই সংসদে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো।
নতুন আইনে মুখ পুরোপুরি ঢেকে দেয় এবং পরিচয় শনাক্তে বাধা সৃষ্টি করে জনসমক্ষে এমন পোশাক বা আবরণ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আওতায় বোরকা ও নিকাব কার্যত নিষিদ্ধ হবে। তবে কিছু ব্যতিক্রমও রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন, পেশাগত নিরাপত্তা, ধর্মীয় উপাসনালয়, কূটনৈতিক স্থাপনা, বিমান ভ্রমণসহ কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মুখ ঢাকার অনুমতি থাকবে।
আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অবহেলাজনিত কারণে ২০০ থেকে ২,০০০ ইউরো এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভঙ্গ করলে ৪০০ থেকে ৪,০০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।
কাউকে জোরপূর্বক মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এদিকে বিলটি অনুমোদনের পর পর্তুগালে বসবাসরত মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, আইনটি কার্যত মুসলিম নারীদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ।
আইনটি ধর্মীয়, ব্যক্তিগত ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে ফেলবে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
সংস্থাটির পর্তুগালের নির্বাহী পরিচালক জোয়াও গোডিনহো মার্টিন্স বলেছেন, ‘এই নতুন আইনটি বৈষম্যমূলক এবং মানবাধিকারের জন্য হুমকি। আগের সংস্করণগুলোতে ইসলামের সরাসরি উল্লেখ ছিল। তবে নতুনটিতে সেটা না থাকলেও এটা স্পষ্টভাবে মুখ ঢেকে রাখা মুসলিম নারীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে। এটি তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সরাসরি হুমকি। কোনো নারী কী পরতে পারবে বা পারবে না, তা কেউ নির্ধারণ করে দিতে পারে না। কোনো নারীকে তার ধর্ম, সাংস্কৃতিক পরিচয় বা বিশ্বাস পালনের জন্য শাস্তি দেওয়া উচিত নয়।’
প্রেসিডেন্টকে বিলে স্বাক্ষর না করে সাংবিধানিক পর্যালোচনার জন্য পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
প্রেসিডেন্টের অনুমোদন পেলে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ডের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোর কাতারে যোগ দেবে পর্তুগাল। ওই দেশগুলোতেও জনপরিসরে সম্পূর্ণ মুখ ঢেকে রাখার ওপর বিভিন্ন মাত্রার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
সূত্র: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, পর্তুগাল রেসিডেন্ট

আগামী বছর থেকে সুইজারল্যান্ডে নিষিদ্ধ হচ্ছে 'বোরকা'
নিকাব-বোরকা নিষিদ্ধ করছে পর্তুগাল






