ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৪

ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৪
সিটিজেন ডেস্ক

রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে অঞ্চলটির রুশ-সমর্থিত কর্তৃপক্ষ। আঞ্চলিক রাজধানী সিমফেরোপোলের একটি অনাআবাসিক স্থাপনায় এবং একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সিমফেরোপোলের অনাআবাসিক স্থাপনার হামলায় ৩ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন। যেটা ওই এলাকায় প্রথম কোনো প্রাণঘাতী হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কের্চ শহরের দিকে যাওয়া যাত্রীবাহী ট্রেনে হামলায় আরও একজন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। এ হামলার বিষয়ে কিয়েভ আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও, দখলকৃত অঞ্চলে বেসামরিক যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য টানা তৃতীয় দিনের মতো ইউক্রেনকে অভিযুক্ত করল রাশিয়া।
সম্প্রতি ইউক্রেন রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরেও তাদের হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এর কাছে আঘাত হানে ইউক্রেনীয় ড্রোন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তাদের ড্রোন ক্রোনস্টাড শহরের তেল টার্মিনাল এবং রুশ নৌবাহিনীর বাল্টিক ফ্লিটের প্রধান ঘাঁটিসহ রাশিয়ার বেশ কয়েকটি কৌশলগত স্থানে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, একসময় রাশিয়ান দাভোস নামে পরিচিত এ অর্থনৈতিক ফোরামে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন শুরুর আগে পশ্চিমা দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নিতেন।
২০১৪ সালে পুতিনের নির্দেশে ক্রিমিয়া দখলের পর থেকে এবং বিশেষ করে বিগত ৪ বছরের যুদ্ধে ইউক্রেন দ্রুত একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা খাত গড়ে তুলেছে। কিয়েভ এখন নিয়মিতভাবে রাশিয়ার জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এদিকে, মস্কোর এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, বুধবার রুশ-নিয়ন্ত্রিত দোনেৎস্ক অঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বাসে ড্রোন হামলায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে রাশিয়াও ইউক্রেনের শহরগুলোতে তাদের বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১ জুন) রাতেই ইউক্রেনজুড়ে রুশ হামলায় অন্তত ২২ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি

রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে অঞ্চলটির রুশ-সমর্থিত কর্তৃপক্ষ। আঞ্চলিক রাজধানী সিমফেরোপোলের একটি অনাআবাসিক স্থাপনায় এবং একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সিমফেরোপোলের অনাআবাসিক স্থাপনার হামলায় ৩ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন। যেটা ওই এলাকায় প্রথম কোনো প্রাণঘাতী হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কের্চ শহরের দিকে যাওয়া যাত্রীবাহী ট্রেনে হামলায় আরও একজন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। এ হামলার বিষয়ে কিয়েভ আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও, দখলকৃত অঞ্চলে বেসামরিক যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য টানা তৃতীয় দিনের মতো ইউক্রেনকে অভিযুক্ত করল রাশিয়া।
সম্প্রতি ইউক্রেন রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরেও তাদের হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এর কাছে আঘাত হানে ইউক্রেনীয় ড্রোন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তাদের ড্রোন ক্রোনস্টাড শহরের তেল টার্মিনাল এবং রুশ নৌবাহিনীর বাল্টিক ফ্লিটের প্রধান ঘাঁটিসহ রাশিয়ার বেশ কয়েকটি কৌশলগত স্থানে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, একসময় রাশিয়ান দাভোস নামে পরিচিত এ অর্থনৈতিক ফোরামে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন শুরুর আগে পশ্চিমা দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নিতেন।
২০১৪ সালে পুতিনের নির্দেশে ক্রিমিয়া দখলের পর থেকে এবং বিশেষ করে বিগত ৪ বছরের যুদ্ধে ইউক্রেন দ্রুত একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা খাত গড়ে তুলেছে। কিয়েভ এখন নিয়মিতভাবে রাশিয়ার জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এদিকে, মস্কোর এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, বুধবার রুশ-নিয়ন্ত্রিত দোনেৎস্ক অঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বাসে ড্রোন হামলায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে রাশিয়াও ইউক্রেনের শহরগুলোতে তাদের বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১ জুন) রাতেই ইউক্রেনজুড়ে রুশ হামলায় অন্তত ২২ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি

ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৪
সিটিজেন ডেস্ক

রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপে ইউক্রেনীয় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে অঞ্চলটির রুশ-সমর্থিত কর্তৃপক্ষ। আঞ্চলিক রাজধানী সিমফেরোপোলের একটি অনাআবাসিক স্থাপনায় এবং একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সিমফেরোপোলের অনাআবাসিক স্থাপনার হামলায় ৩ জন নিহত ও ৭ জন আহত হন। যেটা ওই এলাকায় প্রথম কোনো প্রাণঘাতী হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কের্চ শহরের দিকে যাওয়া যাত্রীবাহী ট্রেনে হামলায় আরও একজন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। এ হামলার বিষয়ে কিয়েভ আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও, দখলকৃত অঞ্চলে বেসামরিক যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য টানা তৃতীয় দিনের মতো ইউক্রেনকে অভিযুক্ত করল রাশিয়া।
সম্প্রতি ইউক্রেন রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরেও তাদের হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এর কাছে আঘাত হানে ইউক্রেনীয় ড্রোন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তাদের ড্রোন ক্রোনস্টাড শহরের তেল টার্মিনাল এবং রুশ নৌবাহিনীর বাল্টিক ফ্লিটের প্রধান ঘাঁটিসহ রাশিয়ার বেশ কয়েকটি কৌশলগত স্থানে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, একসময় রাশিয়ান দাভোস নামে পরিচিত এ অর্থনৈতিক ফোরামে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন শুরুর আগে পশ্চিমা দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নিতেন।
২০১৪ সালে পুতিনের নির্দেশে ক্রিমিয়া দখলের পর থেকে এবং বিশেষ করে বিগত ৪ বছরের যুদ্ধে ইউক্রেন দ্রুত একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা খাত গড়ে তুলেছে। কিয়েভ এখন নিয়মিতভাবে রাশিয়ার জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এদিকে, মস্কোর এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, বুধবার রুশ-নিয়ন্ত্রিত দোনেৎস্ক অঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বাসে ড্রোন হামলায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে রাশিয়াও ইউক্রেনের শহরগুলোতে তাদের বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১ জুন) রাতেই ইউক্রেনজুড়ে রুশ হামলায় অন্তত ২২ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি

রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২৩

