এক পাইলটকে উদ্ধারে নিজেদের যত বিমান ধ্বংস করলো যুক্তরাষ্ট্র

এক পাইলটকে উদ্ধারে নিজেদের যত বিমান ধ্বংস করলো যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের আকাশে ভূপাতিত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে একাধিক এয়ারক্রাফট হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও শেষ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান সফল হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ভেতরে একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে এর দুই ক্রু সদস্য ইজেক্ট করেন। তাদের একজনকে দ্রুত উদ্ধার করা গেলেও অন্যজন নিখোঁজ হন।
অ্যাক্সিওস জানায়, নিখোঁজ ওই ক্রুর অবস্থান শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র নজরদারি জোরদার করে এবং তাকে উদ্ধারে বিশেষ বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়। এ সময় তিনি অবস্থান পরিবর্তন করে ইরানি বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলছিলেন।
উদ্ধার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২ ইরানি হামলায় বিধ্বস্ত হয়। পাশাপাশি দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, অভিযানে অংশ নেওয়া অন্তত দুটি সামরিক হেলিকপ্টার গুলিবিদ্ধ হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অন্যদিকে নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি গোপন এয়ারস্ট্রিপে থাকা অন্তত দুটি মার্কিন পরিবহন বিমান অকার্যকর হয়ে পড়লে সেগুলো শত্রুপক্ষের হাতে পড়া ঠেকাতে নিজেরাই ধ্বংস করে দেয় মার্কিন বাহিনী।
সব মিলিয়ে ভূপাতিত এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলসহ অন্তত দুটি যুদ্ধবিমান হারানোর পাশাপাশি আরও কয়েকটি এয়ারক্রাফট বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, উদ্ধার অভিযানটি রাতের অন্ধকারে পরিচালিত হয়। এতে মার্কিন বিশেষ বাহিনী, হেলিকপ্টার ও সহায়তাকারী যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। অভিযানের সময় ইরানি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে।
শেষ পর্যন্ত নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, তিনি আহত হলেও বর্তমানে নিরাপদে আছেন এবং তাকে ইরানের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ অভিযানের প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে ‘মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম সাহসী উদ্ধার অভিযান’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, কোনো মার্কিন সেনা নিহত ছাড়াই মিশনটি সম্পন্ন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত সামরিক প্রতিক্রিয়া ও সক্ষমতা তুলে ধরলেও, একই সঙ্গে ইরানের আকাশে চলমান উত্তেজনার ঝুঁকি ও জটিলতাও স্পষ্ট করেছে।

ইরানের আকাশে ভূপাতিত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে একাধিক এয়ারক্রাফট হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও শেষ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান সফল হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ভেতরে একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে এর দুই ক্রু সদস্য ইজেক্ট করেন। তাদের একজনকে দ্রুত উদ্ধার করা গেলেও অন্যজন নিখোঁজ হন।
অ্যাক্সিওস জানায়, নিখোঁজ ওই ক্রুর অবস্থান শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র নজরদারি জোরদার করে এবং তাকে উদ্ধারে বিশেষ বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়। এ সময় তিনি অবস্থান পরিবর্তন করে ইরানি বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলছিলেন।
উদ্ধার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২ ইরানি হামলায় বিধ্বস্ত হয়। পাশাপাশি দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, অভিযানে অংশ নেওয়া অন্তত দুটি সামরিক হেলিকপ্টার গুলিবিদ্ধ হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অন্যদিকে নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি গোপন এয়ারস্ট্রিপে থাকা অন্তত দুটি মার্কিন পরিবহন বিমান অকার্যকর হয়ে পড়লে সেগুলো শত্রুপক্ষের হাতে পড়া ঠেকাতে নিজেরাই ধ্বংস করে দেয় মার্কিন বাহিনী।
সব মিলিয়ে ভূপাতিত এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলসহ অন্তত দুটি যুদ্ধবিমান হারানোর পাশাপাশি আরও কয়েকটি এয়ারক্রাফট বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, উদ্ধার অভিযানটি রাতের অন্ধকারে পরিচালিত হয়। এতে মার্কিন বিশেষ বাহিনী, হেলিকপ্টার ও সহায়তাকারী যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। অভিযানের সময় ইরানি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে।
শেষ পর্যন্ত নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, তিনি আহত হলেও বর্তমানে নিরাপদে আছেন এবং তাকে ইরানের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ অভিযানের প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে ‘মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম সাহসী উদ্ধার অভিযান’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, কোনো মার্কিন সেনা নিহত ছাড়াই মিশনটি সম্পন্ন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত সামরিক প্রতিক্রিয়া ও সক্ষমতা তুলে ধরলেও, একই সঙ্গে ইরানের আকাশে চলমান উত্তেজনার ঝুঁকি ও জটিলতাও স্পষ্ট করেছে।

এক পাইলটকে উদ্ধারে নিজেদের যত বিমান ধ্বংস করলো যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের আকাশে ভূপাতিত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে একাধিক এয়ারক্রাফট হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও শেষ পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান সফল হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ভেতরে একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে এর দুই ক্রু সদস্য ইজেক্ট করেন। তাদের একজনকে দ্রুত উদ্ধার করা গেলেও অন্যজন নিখোঁজ হন।
অ্যাক্সিওস জানায়, নিখোঁজ ওই ক্রুর অবস্থান শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র নজরদারি জোরদার করে এবং তাকে উদ্ধারে বিশেষ বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়। এ সময় তিনি অবস্থান পরিবর্তন করে ইরানি বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলছিলেন।
উদ্ধার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২ ইরানি হামলায় বিধ্বস্ত হয়। পাশাপাশি দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, অভিযানে অংশ নেওয়া অন্তত দুটি সামরিক হেলিকপ্টার গুলিবিদ্ধ হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অন্যদিকে নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি গোপন এয়ারস্ট্রিপে থাকা অন্তত দুটি মার্কিন পরিবহন বিমান অকার্যকর হয়ে পড়লে সেগুলো শত্রুপক্ষের হাতে পড়া ঠেকাতে নিজেরাই ধ্বংস করে দেয় মার্কিন বাহিনী।
সব মিলিয়ে ভূপাতিত এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলসহ অন্তত দুটি যুদ্ধবিমান হারানোর পাশাপাশি আরও কয়েকটি এয়ারক্রাফট বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, উদ্ধার অভিযানটি রাতের অন্ধকারে পরিচালিত হয়। এতে মার্কিন বিশেষ বাহিনী, হেলিকপ্টার ও সহায়তাকারী যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। অভিযানের সময় ইরানি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে।
শেষ পর্যন্ত নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, তিনি আহত হলেও বর্তমানে নিরাপদে আছেন এবং তাকে ইরানের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ অভিযানের প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে ‘মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম সাহসী উদ্ধার অভিযান’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, কোনো মার্কিন সেনা নিহত ছাড়াই মিশনটি সম্পন্ন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত সামরিক প্রতিক্রিয়া ও সক্ষমতা তুলে ধরলেও, একই সঙ্গে ইরানের আকাশে চলমান উত্তেজনার ঝুঁকি ও জটিলতাও স্পষ্ট করেছে।




