দেশীয় পশুতেই মিটবে কোরবানির শতভাগ চাহিদা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

দেশীয় পশুতেই মিটবে কোরবানির শতভাগ চাহিদা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
কুমিল্লা সংবাদদাতা

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোনো ধরনের ঘাটতি ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় গবাদিপশু দিয়ে কোরবানির শতভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। মঙ্গলবার (২৬ মে) কুমিল্লার বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক খামারি ও কৃষকদের হাত ধরেই এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হচ্ছে। পশুপালন এখন আর স্রেফ পারিবারিক প্রয়োজন বা শখের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।
খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গবাদিপশু পালন খাতকে আরও গতিশীল ও টেকসই করতে খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। যার ফলে দেশজুড়ে এখন বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের এক নতুন ও সম্ভাবনাময় প্রবণতা তৈরি হয়েছে।মাঠপর্যায়ে পশুর হাটগুলো পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের কার্যক্রম এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যাপারী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুযোগ-সুবিধার খোঁজখবর নেন। এছাড়া হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ বুথের কার্যকারিতা এবং ইজারাদাররা নির্ধারিত হাসিল আদায় করছেন কি না, তা-ও তিনি সরজমিনে তদারকি করেন।
হাটে আগতদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী জানান, কোরবানির হাটগুলোতে যেকোনো মূল্যে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা চাঁদাবাজি কঠোরহস্তে দমন করা হবে। খামারিরা যাতে পশুর ন্যায্যমূল্য পান এবং ক্রেতারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারেন, সেজন্য সরকার প্রতিটি হাটে শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
মন্ত্রীর হাট পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলমসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোনো ধরনের ঘাটতি ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় গবাদিপশু দিয়ে কোরবানির শতভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। মঙ্গলবার (২৬ মে) কুমিল্লার বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক খামারি ও কৃষকদের হাত ধরেই এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হচ্ছে। পশুপালন এখন আর স্রেফ পারিবারিক প্রয়োজন বা শখের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।
খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গবাদিপশু পালন খাতকে আরও গতিশীল ও টেকসই করতে খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। যার ফলে দেশজুড়ে এখন বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের এক নতুন ও সম্ভাবনাময় প্রবণতা তৈরি হয়েছে।মাঠপর্যায়ে পশুর হাটগুলো পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের কার্যক্রম এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যাপারী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুযোগ-সুবিধার খোঁজখবর নেন। এছাড়া হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ বুথের কার্যকারিতা এবং ইজারাদাররা নির্ধারিত হাসিল আদায় করছেন কি না, তা-ও তিনি সরজমিনে তদারকি করেন।
হাটে আগতদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী জানান, কোরবানির হাটগুলোতে যেকোনো মূল্যে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা চাঁদাবাজি কঠোরহস্তে দমন করা হবে। খামারিরা যাতে পশুর ন্যায্যমূল্য পান এবং ক্রেতারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারেন, সেজন্য সরকার প্রতিটি হাটে শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
মন্ত্রীর হাট পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলমসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

দেশীয় পশুতেই মিটবে কোরবানির শতভাগ চাহিদা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
কুমিল্লা সংবাদদাতা

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোনো ধরনের ঘাটতি ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় গবাদিপশু দিয়ে কোরবানির শতভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। মঙ্গলবার (২৬ মে) কুমিল্লার বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক খামারি ও কৃষকদের হাত ধরেই এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হচ্ছে। পশুপালন এখন আর স্রেফ পারিবারিক প্রয়োজন বা শখের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।
খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গবাদিপশু পালন খাতকে আরও গতিশীল ও টেকসই করতে খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। যার ফলে দেশজুড়ে এখন বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের এক নতুন ও সম্ভাবনাময় প্রবণতা তৈরি হয়েছে।মাঠপর্যায়ে পশুর হাটগুলো পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের কার্যক্রম এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যাপারী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুযোগ-সুবিধার খোঁজখবর নেন। এছাড়া হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ বুথের কার্যকারিতা এবং ইজারাদাররা নির্ধারিত হাসিল আদায় করছেন কি না, তা-ও তিনি সরজমিনে তদারকি করেন।
হাটে আগতদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী জানান, কোরবানির হাটগুলোতে যেকোনো মূল্যে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা চাঁদাবাজি কঠোরহস্তে দমন করা হবে। খামারিরা যাতে পশুর ন্যায্যমূল্য পান এবং ক্রেতারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারেন, সেজন্য সরকার প্রতিটি হাটে শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।
মন্ত্রীর হাট পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলমসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

‘পশুর হাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ পায়নি সরকার’
রাজধানীর পশুর হাটে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে গবির ১৮ শিক্ষার্থী


