চীনে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ৯ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১১

চীনে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ৯ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১১
সিটিজেন ডেস্ক

চীনের চংকিং প্রদেশের ইয়ংচুয়ান জেলায় শনিবার (২৩ মে) রাত থেকে শুরু হওয়া রেকর্ড ভাঙা ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার (২৫ মে) বিকেল পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১১ জন।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্যোগ কবলিত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পুরোদমে চালানো হচ্ছে। পৌর ও জেলা স্তরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণ জরুরি সদর দপ্তর থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন বিভাগের মোট ১,৮২৭ জন উদ্ধারকারীকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। শনি ও রবিবারের এ অতি ভারী বর্ষণে ইয়ংচুয়ানের একাধিক এলাকায় হঠাৎ বন্যা ও পাহাড় ধসের মতো বিপর্যয় দেখা দেয়। এর মধ্যে আনশি গ্রামটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা কাদামাটি ও পাথরের বিশাল স্তূপের ওপর দিয়ে হেঁটে নিখোঁজদের সন্ধানে আধুনিক লাইফ ডিটেক্টর ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি দুর্গম স্থানে দ্রুত পৌঁছাতে এবং উদ্ধারকাজ গতিশীল করতে ভারী খননযন্ত্র ও অন্যান্য প্রকৌশল যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে।
উদ্ধারকর্মী গুও ইউফেই জানিয়েছেন, কোনো স্থান যেন তল্লাশির বাইরে না থাকে তা নিশ্চিত করতে তারা প্রকৌশল যন্ত্রপাতির সহায়তার পাশাপাশি হাত দিয়েও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। কাজে গতি আনতে বর্তমানে ৩৭ সেট রিমোট-কন্ট্রোলড এক্সকাভেটর, থ্রিডি লেজার স্ক্যানারসহ বেশ কিছু অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্যোগকবলিত এ অঞ্চলের পাহাড়ি ভূখণ্ড অত্যন্ত জটিল এবং কাদা-পাথরের স্তূপের পাশাপাশি নদীর কাছাকাছি হওয়ায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। উদ্ধারকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোন দিয়ে আকাশপথে নজরদারি এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উদ্ধারকর্মী ইয়াং জুলিন জানান, তারা স্লোপ রাডার দিয়ে পাহাড়ের ঢালের স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষণ করছেন, যার মাধ্যমে ঢালের যেকোনো পরিবর্তন বা ধসের উপক্রম রিয়েল টাইমে ক্লাউড ম্যাপে ধরা পড়ছে, যাতে যেকোনো বড় বিপদের আগেই উদ্ধারকারীদের সতর্ক করা যায়।
এদিকে উপদ্রুত এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইয়ংচুয়ানের ৪২টি পুনর্বাসন কেন্দ্রে ১,১১৩টি পরিবারের ২,১৪১ জন বাসিন্দাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে, যেখানে মোট ৯,০০৫ জনের ধারণক্ষমতা রয়েছে। বানকিয়াও শহরের শুইয়ং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রিতদের জন্য বোতলজাত পানি, খাবার, বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের রসদ পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুনর্বাসন কেন্দ্রের কর্মী লিউ জিয়াওইয়ান।
সূত্র: সিনহুয়া

চীনের চংকিং প্রদেশের ইয়ংচুয়ান জেলায় শনিবার (২৩ মে) রাত থেকে শুরু হওয়া রেকর্ড ভাঙা ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার (২৫ মে) বিকেল পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১১ জন।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্যোগ কবলিত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পুরোদমে চালানো হচ্ছে। পৌর ও জেলা স্তরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণ জরুরি সদর দপ্তর থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন বিভাগের মোট ১,৮২৭ জন উদ্ধারকারীকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। শনি ও রবিবারের এ অতি ভারী বর্ষণে ইয়ংচুয়ানের একাধিক এলাকায় হঠাৎ বন্যা ও পাহাড় ধসের মতো বিপর্যয় দেখা দেয়। এর মধ্যে আনশি গ্রামটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা কাদামাটি ও পাথরের বিশাল স্তূপের ওপর দিয়ে হেঁটে নিখোঁজদের সন্ধানে আধুনিক লাইফ ডিটেক্টর ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি দুর্গম স্থানে দ্রুত পৌঁছাতে এবং উদ্ধারকাজ গতিশীল করতে ভারী খননযন্ত্র ও অন্যান্য প্রকৌশল যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে।
উদ্ধারকর্মী গুও ইউফেই জানিয়েছেন, কোনো স্থান যেন তল্লাশির বাইরে না থাকে তা নিশ্চিত করতে তারা প্রকৌশল যন্ত্রপাতির সহায়তার পাশাপাশি হাত দিয়েও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। কাজে গতি আনতে বর্তমানে ৩৭ সেট রিমোট-কন্ট্রোলড এক্সকাভেটর, থ্রিডি লেজার স্ক্যানারসহ বেশ কিছু অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্যোগকবলিত এ অঞ্চলের পাহাড়ি ভূখণ্ড অত্যন্ত জটিল এবং কাদা-পাথরের স্তূপের পাশাপাশি নদীর কাছাকাছি হওয়ায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। উদ্ধারকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোন দিয়ে আকাশপথে নজরদারি এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উদ্ধারকর্মী ইয়াং জুলিন জানান, তারা স্লোপ রাডার দিয়ে পাহাড়ের ঢালের স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষণ করছেন, যার মাধ্যমে ঢালের যেকোনো পরিবর্তন বা ধসের উপক্রম রিয়েল টাইমে ক্লাউড ম্যাপে ধরা পড়ছে, যাতে যেকোনো বড় বিপদের আগেই উদ্ধারকারীদের সতর্ক করা যায়।
এদিকে উপদ্রুত এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইয়ংচুয়ানের ৪২টি পুনর্বাসন কেন্দ্রে ১,১১৩টি পরিবারের ২,১৪১ জন বাসিন্দাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে, যেখানে মোট ৯,০০৫ জনের ধারণক্ষমতা রয়েছে। বানকিয়াও শহরের শুইয়ং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রিতদের জন্য বোতলজাত পানি, খাবার, বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের রসদ পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুনর্বাসন কেন্দ্রের কর্মী লিউ জিয়াওইয়ান।
সূত্র: সিনহুয়া

চীনে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ৯ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১১
সিটিজেন ডেস্ক

চীনের চংকিং প্রদেশের ইয়ংচুয়ান জেলায় শনিবার (২৩ মে) রাত থেকে শুরু হওয়া রেকর্ড ভাঙা ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার (২৫ মে) বিকেল পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১১ জন।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্যোগ কবলিত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পুরোদমে চালানো হচ্ছে। পৌর ও জেলা স্তরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণ জরুরি সদর দপ্তর থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন বিভাগের মোট ১,৮২৭ জন উদ্ধারকারীকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। শনি ও রবিবারের এ অতি ভারী বর্ষণে ইয়ংচুয়ানের একাধিক এলাকায় হঠাৎ বন্যা ও পাহাড় ধসের মতো বিপর্যয় দেখা দেয়। এর মধ্যে আনশি গ্রামটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা কাদামাটি ও পাথরের বিশাল স্তূপের ওপর দিয়ে হেঁটে নিখোঁজদের সন্ধানে আধুনিক লাইফ ডিটেক্টর ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি দুর্গম স্থানে দ্রুত পৌঁছাতে এবং উদ্ধারকাজ গতিশীল করতে ভারী খননযন্ত্র ও অন্যান্য প্রকৌশল যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে।
উদ্ধারকর্মী গুও ইউফেই জানিয়েছেন, কোনো স্থান যেন তল্লাশির বাইরে না থাকে তা নিশ্চিত করতে তারা প্রকৌশল যন্ত্রপাতির সহায়তার পাশাপাশি হাত দিয়েও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। কাজে গতি আনতে বর্তমানে ৩৭ সেট রিমোট-কন্ট্রোলড এক্সকাভেটর, থ্রিডি লেজার স্ক্যানারসহ বেশ কিছু অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। দুর্যোগকবলিত এ অঞ্চলের পাহাড়ি ভূখণ্ড অত্যন্ত জটিল এবং কাদা-পাথরের স্তূপের পাশাপাশি নদীর কাছাকাছি হওয়ায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। উদ্ধারকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোন দিয়ে আকাশপথে নজরদারি এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উদ্ধারকর্মী ইয়াং জুলিন জানান, তারা স্লোপ রাডার দিয়ে পাহাড়ের ঢালের স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষণ করছেন, যার মাধ্যমে ঢালের যেকোনো পরিবর্তন বা ধসের উপক্রম রিয়েল টাইমে ক্লাউড ম্যাপে ধরা পড়ছে, যাতে যেকোনো বড় বিপদের আগেই উদ্ধারকারীদের সতর্ক করা যায়।
এদিকে উপদ্রুত এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইয়ংচুয়ানের ৪২টি পুনর্বাসন কেন্দ্রে ১,১১৩টি পরিবারের ২,১৪১ জন বাসিন্দাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে, যেখানে মোট ৯,০০৫ জনের ধারণক্ষমতা রয়েছে। বানকিয়াও শহরের শুইয়ং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রিতদের জন্য বোতলজাত পানি, খাবার, বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের রসদ পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুনর্বাসন কেন্দ্রের কর্মী লিউ জিয়াওইয়ান।
সূত্র: সিনহুয়া

চীনে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে নিহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
চীনে কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৯০

