পুলিৎজার পেলেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী

পুলিৎজার পেলেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

গাজার মানবিক সংকটের ছবি তুলে ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুলিৎজার পুরষ্কার জিতেছেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী সাহের আলগোরা।
মঙ্গলবার (৫ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটিওয়ার্ল্ড।
সাহের আলগোরা মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে প্রদায়ক হিসেবে কর্মরত আছেন।
প্রতিবেদনে টিআরটিওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হয়। এই আগ্রাসনের ধ্বংসযজ্ঞ ও দুর্ভিক্ষের করুণ দৃশ্যগুলো ধরা পড়েছে সাহের আলগোরার লেন্সে। ছবিগুলোকে ‘মর্মান্তিক’ ও ‘সংবেদনশীল’ আখ্যা দেন পুলিৎজার প্যানেলের প্রশাসক মারজোরি মিলার।
সাহেরের যে প্রতিবেদনটি পুরষ্কার জিতেছে, তার শিরোনাম ‘ট্র্যাপড ইন গাজা: বিটুইন ফায়ার অ্যান্ড ফ্যামিন’ (গাজায় দুর্ভিক্ষ ও হামলার ফাঁদে আটকা পড়া)। ওই প্রতিবেদনে যুদ্ধের কবলে পড়া নিরীহ ও নিরপেক্ষ বেসামরিক মানুষদের দুর্দশার বাস্তবসম্মত চিত্র ফুটে উঠেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে এ পুরস্কার পেয়েছে রয়টার্স।
এছাড়াও শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বড় প্রতিষ্ঠান মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগেও এ বছরের পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে রয়টার্স।
এদিকে, এ বছর বিভিন্ন বিভাগে সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরোও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার হলো পুলিৎজার। যা সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবে খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

গাজার মানবিক সংকটের ছবি তুলে ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুলিৎজার পুরষ্কার জিতেছেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী সাহের আলগোরা।
মঙ্গলবার (৫ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটিওয়ার্ল্ড।
সাহের আলগোরা মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে প্রদায়ক হিসেবে কর্মরত আছেন।
প্রতিবেদনে টিআরটিওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হয়। এই আগ্রাসনের ধ্বংসযজ্ঞ ও দুর্ভিক্ষের করুণ দৃশ্যগুলো ধরা পড়েছে সাহের আলগোরার লেন্সে। ছবিগুলোকে ‘মর্মান্তিক’ ও ‘সংবেদনশীল’ আখ্যা দেন পুলিৎজার প্যানেলের প্রশাসক মারজোরি মিলার।
সাহেরের যে প্রতিবেদনটি পুরষ্কার জিতেছে, তার শিরোনাম ‘ট্র্যাপড ইন গাজা: বিটুইন ফায়ার অ্যান্ড ফ্যামিন’ (গাজায় দুর্ভিক্ষ ও হামলার ফাঁদে আটকা পড়া)। ওই প্রতিবেদনে যুদ্ধের কবলে পড়া নিরীহ ও নিরপেক্ষ বেসামরিক মানুষদের দুর্দশার বাস্তবসম্মত চিত্র ফুটে উঠেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে এ পুরস্কার পেয়েছে রয়টার্স।
এছাড়াও শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বড় প্রতিষ্ঠান মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগেও এ বছরের পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে রয়টার্স।
এদিকে, এ বছর বিভিন্ন বিভাগে সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরোও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার হলো পুলিৎজার। যা সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবে খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুলিৎজার পেলেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

গাজার মানবিক সংকটের ছবি তুলে ‘ব্রেকিং নিউজ’ বিভাগে পুলিৎজার পুরষ্কার জিতেছেন ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী সাহের আলগোরা।
মঙ্গলবার (৫ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটিওয়ার্ল্ড।
সাহের আলগোরা মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে প্রদায়ক হিসেবে কর্মরত আছেন।
প্রতিবেদনে টিআরটিওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হয়। এই আগ্রাসনের ধ্বংসযজ্ঞ ও দুর্ভিক্ষের করুণ দৃশ্যগুলো ধরা পড়েছে সাহের আলগোরার লেন্সে। ছবিগুলোকে ‘মর্মান্তিক’ ও ‘সংবেদনশীল’ আখ্যা দেন পুলিৎজার প্যানেলের প্রশাসক মারজোরি মিলার।
সাহেরের যে প্রতিবেদনটি পুরষ্কার জিতেছে, তার শিরোনাম ‘ট্র্যাপড ইন গাজা: বিটুইন ফায়ার অ্যান্ড ফ্যামিন’ (গাজায় দুর্ভিক্ষ ও হামলার ফাঁদে আটকা পড়া)। ওই প্রতিবেদনে যুদ্ধের কবলে পড়া নিরীহ ও নিরপেক্ষ বেসামরিক মানুষদের দুর্দশার বাস্তবসম্মত চিত্র ফুটে উঠেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে এ পুরস্কার পেয়েছে রয়টার্স।
এছাড়াও শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বড় প্রতিষ্ঠান মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য ‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগেও এ বছরের পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে রয়টার্স।
এদিকে, এ বছর বিভিন্ন বিভাগে সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরোও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার হলো পুলিৎজার। যা সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবে খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

হরমুজের নাম ‘ট্রাম্প প্রণালি’ দিয়ে মানচিত্র প্রকাশ


