শিরোনাম

মধ্যপ্রাচ্যের চার দেশে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

সিটিজেন ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যের চার দেশে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বিপুল অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে ওয়াশিংটন। শুক্রবার (১ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মিত্র দেশ ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে মোট ৮.৬ বিলিয়ন বা ৮৬০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করা হবে। এ বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্তে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মার্কিন এ সামরিক চুক্তির আওতায় কাতার ৪.০১ বিলিয়ন ডলারের ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি ৯৯২.৪ মিলিয়ন ডলারের লেজার-নির্দেশিত অস্ত্র কিট ‘অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম’ বা এপিকেডব্লিউএস (APKWS) পাবে। অন্যদিকে, কুয়েত ২.৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে একটি সমন্বিত যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ক্রয় করছে। এছাড়া, মিত্র দেশ ইসরায়েল ৯৯২.৪ মিলিয়ন ডলার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৪৭.৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এপিকেডব্লিউএস সরঞ্জাম পাচ্ছে। এসব সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রধান ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে বিএই সিস্টেমস, আরটিএক্স, লকহিড মার্টিন এবং নর্থরপ গ্রুম্যানের মতো শীর্ষ মার্কিন সমরাস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

এর আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি ও সরবরাহ ব্যাপক জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যে অন্তত ৩০টি কার্গো বিমানে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে শুধু ইসরায়েলই পেয়েছে হাজার হাজার টন অস্ত্র। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে এ অঞ্চলে চরম অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন সংবেদনশীল ও ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে মিত্রদের কাছে নতুন করে বিপুল অস্ত্র বিক্রির এ মার্কিন পদক্ষেপ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনাকে আরও বিপজ্জনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

/এমএকে/