যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে বিশ্বজুড়ে স্বস্তি
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে বিশ্বজুড়ে স্বস্তি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ০১

যুদ্ধবিরতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজপথে তেহরানের জনতা। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির খবর বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ চুক্তির ঘোষণা দেন। এ যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।
এ যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের অন্যতম প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে সম্মত হয়েছে ইরান। আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক প্রাণহানি রোধ, মানবিক সংকট নিরসন এবং মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে চুক্তির শর্ত মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানালেও স্পষ্ট বলেছেন, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য হবে না। লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের স্থল অভিযান ও সংঘাত অব্যাহত রেখেছে।
অন্যদিকে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে ইরাক ও মিশর এই উদ্যোগকে একটি স্থায়ী সমাধানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছে। উভয় দেশই কূটনীতি ও সংলাপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। ইরাক এই চুক্তির প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতির আহ্বান জানিয়েছে, কারণ সংঘাতের জেরে তাদের ভূখণ্ডেও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। পাশাপাশি মিশর জানিয়েছে, তারা তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাথে মিলে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগ নিরসনে কাজ চালিয়ে যাবে।
জাপান যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি ইতিবাচক এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক যৌথ বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের দামে যে নজিরবিহীন সংকট তৈরি হয়েছিল, তা উল্লেখ করে এই চুক্তির দীর্ঘমেয়াদি সফলতার আশা প্রকাশ করেন।
নিউজিল্যান্ড ও মালয়েশিয়া উভয় দেশই এই ভঙ্গুর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সব পক্ষকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এই জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিরতি সফলভাবে মধ্যস্থতা করার জন্য বিশ্ব নেতারা পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের কূটনৈতিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইভোন মেওয়েংকাং সকল পক্ষকে সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং কূটনীতিকে সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির খবর বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ চুক্তির ঘোষণা দেন। এ যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।
এ যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের অন্যতম প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে সম্মত হয়েছে ইরান। আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক প্রাণহানি রোধ, মানবিক সংকট নিরসন এবং মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে চুক্তির শর্ত মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানালেও স্পষ্ট বলেছেন, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য হবে না। লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের স্থল অভিযান ও সংঘাত অব্যাহত রেখেছে।
অন্যদিকে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে ইরাক ও মিশর এই উদ্যোগকে একটি স্থায়ী সমাধানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছে। উভয় দেশই কূটনীতি ও সংলাপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। ইরাক এই চুক্তির প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতির আহ্বান জানিয়েছে, কারণ সংঘাতের জেরে তাদের ভূখণ্ডেও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। পাশাপাশি মিশর জানিয়েছে, তারা তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাথে মিলে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগ নিরসনে কাজ চালিয়ে যাবে।
জাপান যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি ইতিবাচক এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক যৌথ বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের দামে যে নজিরবিহীন সংকট তৈরি হয়েছিল, তা উল্লেখ করে এই চুক্তির দীর্ঘমেয়াদি সফলতার আশা প্রকাশ করেন।
নিউজিল্যান্ড ও মালয়েশিয়া উভয় দেশই এই ভঙ্গুর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সব পক্ষকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এই জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিরতি সফলভাবে মধ্যস্থতা করার জন্য বিশ্ব নেতারা পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের কূটনৈতিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইভোন মেওয়েংকাং সকল পক্ষকে সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং কূটনীতিকে সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে বিশ্বজুড়ে স্বস্তি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ০১

যুদ্ধবিরতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজপথে তেহরানের জনতা। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির খবর বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ চুক্তির ঘোষণা দেন। এ যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।
এ যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের অন্যতম প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে সম্মত হয়েছে ইরান। আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক প্রাণহানি রোধ, মানবিক সংকট নিরসন এবং মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে চুক্তির শর্ত মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানালেও স্পষ্ট বলেছেন, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য হবে না। লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের স্থল অভিযান ও সংঘাত অব্যাহত রেখেছে।
অন্যদিকে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে ইরাক ও মিশর এই উদ্যোগকে একটি স্থায়ী সমাধানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছে। উভয় দেশই কূটনীতি ও সংলাপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। ইরাক এই চুক্তির প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতির আহ্বান জানিয়েছে, কারণ সংঘাতের জেরে তাদের ভূখণ্ডেও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। পাশাপাশি মিশর জানিয়েছে, তারা তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাথে মিলে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগ নিরসনে কাজ চালিয়ে যাবে।
জাপান যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি ইতিবাচক এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক যৌথ বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের দামে যে নজিরবিহীন সংকট তৈরি হয়েছিল, তা উল্লেখ করে এই চুক্তির দীর্ঘমেয়াদি সফলতার আশা প্রকাশ করেন।
নিউজিল্যান্ড ও মালয়েশিয়া উভয় দেশই এই ভঙ্গুর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সব পক্ষকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এই জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিরতি সফলভাবে মধ্যস্থতা করার জন্য বিশ্ব নেতারা পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের কূটনৈতিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইভোন মেওয়েংকাং সকল পক্ষকে সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং কূটনীতিকে সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমএকে/




