নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭৫০
নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭৫০
নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পঞ্চম দিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। ভয়ংকর এই দুর্যোগে নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজারের বেশি মানুষ।


টাইফুন সাউডেলের প্রভাবে চীনে মুষলধারে বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। দেশটির জিয়াংসি প্রদেশের সুইচুয়ান কাউন্টির গাওপিং শহরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক ভয়াবহ পাহাড়ধসে ১২টি ঘরবাড়ি মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।

গত ১০ দিন ধরে আমাদের ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া নেই। মনে অনেক শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এখন সবার এত আনন্দ হচ্ছে, যে কান্না চলে আসছে।

নেপালে হিমবাহধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ৯ দিন পর ত্রিশূলী ৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা তিন দিন আটকে থাকা ৬ বছরের এক কন্যাশিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অলৌকিক এই উদ্ধার অভিযান বিপর্যয়ের মুখে পড়া দেশটির উদ্ধারকারীদের মনে নতুন আশা জুগিয়েছে।
নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পঞ্চম দিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। ভয়ংকর এই দুর্যোগে নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজারের বেশি মানুষ।

নেপালের তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ১৬০ ছাড়িয়েছে। ৮০০ জন বিদেশি নাগরিকসহ প্রায় দেড় হাজার পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ১৬৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪০০ জনের অধিক বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। তবে

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের (সিএআর) পশ্চিমাঞ্চলে একটি স্বর্ণের খনি ধসে একশ জনের বেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্যামেরুন সীমান্তের কাছাকাছি এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু আর দুই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘কুজিরা’ ও ‘ডলফিন’-এর যৌথ তাণ্ডবে ফিলিপাইনে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
