বিতর্কিত দ্বীপে পুতিনের সফর, তীব্র প্রতিবাদ জাপানের

বিতর্কিত দ্বীপে পুতিনের সফর, তীব্র প্রতিবাদ জাপানের
সিজেডএন ডেস্ক

বহু বছরের পুরোনো আঞ্চলিক বিরোধকে নতুন করে উসকে দিয়ে রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলীয় বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০১০ সালের পর এ প্রথম কোনো শীর্ষ রুশ নেতা কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ ভূখণ্ডে পা রাখলেন। পুতিনের এই পদক্ষেপে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছে টোকিও। পুরো ঘটনাটিকে ‘একদমই অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে কঠোর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানিয়েছে জাপান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিতর্কিত চারটি দ্বীপের একটিতে পুতিনের হঠাৎ উপস্থিতির একটি ভিডিও প্রকাশ করে ক্রেমলিন। সেখানে তাকে একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করতে ও ক্যাভিয়ার উপহার নিতে দেখা যায়। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এ সফরের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি জানান, ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক আইন উভয় দিক থেকেই এই দ্বীপগুলো জাপানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পুতিনের এ সফর জাপানি জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যম থেকে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পথকে আরও কঠিন করে তুলল।
ঘটনার পরপরই টোকিওতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত নিকোলাই নোজদ্রেভকে তলব করেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি। তিনি জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জমে থাকা বরফ পুতিনের এ সফরের ফলে আরও কঠিন হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ মুহূর্তে সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলে নেওয়া এ দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের ‘উত্তরাঞ্চল’ বলে দাবি করে আসছে। এই সীমান্ত বিরোধের কারণেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের আট দশক পরও দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি সই হয়নি।
কুরিল দ্বীপে পৌঁছানোর আগে কাছের সাখালিন দ্বীপে রুশ নৌবাহিনীর মহড়া তদারকি করেন পুতিন। সেখানে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে তিনি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেন। ইউক্রেনে রুশ হামলার পর জি-৭ ভুক্ত দেশ হিসেবে জাপান রাশিয়ার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং কিয়েভকে প্রতিরক্ষা সহায়তা দিয়ে আসছে। পুতিন অবশ্য জাপানের এসব পদক্ষেপকে ‘উসকানিমূলক’ বলে আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, রাশিয়া জাপানকে কোনো হুমকি দিচ্ছে না, বরং জাপান উল্টো তাদের ভূখণ্ডের ওপর অন্যায্য দাবি তুলে ধরেছে।
ভূরাজনীতিবিদদের মতে, পুতিনের এই সফর মূলত জাপানের নিষেধাজ্ঞার জবাব দেওয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার এক কৌশল। খনিজ ও মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ এ আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জে রাশিয়া আগেই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং আধুনিক সুখই-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে সামরিক দুর্গ বানিয়ে রেখেছে। বর্তমানে রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার ত্রিপক্ষীয় সামরিক ঘনিষ্ঠতা এ অঞ্চলে জাপানের নিরাপত্তায় নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুতিনের আকস্মিক সফর কেবল দুটি দেশের মধ্যকার পুরোনো ক্ষতকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: সিএনএ

বহু বছরের পুরোনো আঞ্চলিক বিরোধকে নতুন করে উসকে দিয়ে রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলীয় বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০১০ সালের পর এ প্রথম কোনো শীর্ষ রুশ নেতা কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ ভূখণ্ডে পা রাখলেন। পুতিনের এই পদক্ষেপে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছে টোকিও। পুরো ঘটনাটিকে ‘একদমই অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে কঠোর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানিয়েছে জাপান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিতর্কিত চারটি দ্বীপের একটিতে পুতিনের হঠাৎ উপস্থিতির একটি ভিডিও প্রকাশ করে ক্রেমলিন। সেখানে তাকে একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করতে ও ক্যাভিয়ার উপহার নিতে দেখা যায়। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এ সফরের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি জানান, ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক আইন উভয় দিক থেকেই এই দ্বীপগুলো জাপানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পুতিনের এ সফর জাপানি জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যম থেকে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পথকে আরও কঠিন করে তুলল।
ঘটনার পরপরই টোকিওতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত নিকোলাই নোজদ্রেভকে তলব করেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি। তিনি জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জমে থাকা বরফ পুতিনের এ সফরের ফলে আরও কঠিন হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ মুহূর্তে সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলে নেওয়া এ দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের ‘উত্তরাঞ্চল’ বলে দাবি করে আসছে। এই সীমান্ত বিরোধের কারণেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের আট দশক পরও দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি সই হয়নি।
কুরিল দ্বীপে পৌঁছানোর আগে কাছের সাখালিন দ্বীপে রুশ নৌবাহিনীর মহড়া তদারকি করেন পুতিন। সেখানে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে তিনি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেন। ইউক্রেনে রুশ হামলার পর জি-৭ ভুক্ত দেশ হিসেবে জাপান রাশিয়ার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং কিয়েভকে প্রতিরক্ষা সহায়তা দিয়ে আসছে। পুতিন অবশ্য জাপানের এসব পদক্ষেপকে ‘উসকানিমূলক’ বলে আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, রাশিয়া জাপানকে কোনো হুমকি দিচ্ছে না, বরং জাপান উল্টো তাদের ভূখণ্ডের ওপর অন্যায্য দাবি তুলে ধরেছে।
ভূরাজনীতিবিদদের মতে, পুতিনের এই সফর মূলত জাপানের নিষেধাজ্ঞার জবাব দেওয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার এক কৌশল। খনিজ ও মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ এ আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জে রাশিয়া আগেই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং আধুনিক সুখই-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে সামরিক দুর্গ বানিয়ে রেখেছে। বর্তমানে রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার ত্রিপক্ষীয় সামরিক ঘনিষ্ঠতা এ অঞ্চলে জাপানের নিরাপত্তায় নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুতিনের আকস্মিক সফর কেবল দুটি দেশের মধ্যকার পুরোনো ক্ষতকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: সিএনএ

বিতর্কিত দ্বীপে পুতিনের সফর, তীব্র প্রতিবাদ জাপানের
সিজেডএন ডেস্ক

বহু বছরের পুরোনো আঞ্চলিক বিরোধকে নতুন করে উসকে দিয়ে রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলীয় বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০১০ সালের পর এ প্রথম কোনো শীর্ষ রুশ নেতা কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ ভূখণ্ডে পা রাখলেন। পুতিনের এই পদক্ষেপে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছে টোকিও। পুরো ঘটনাটিকে ‘একদমই অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে কঠোর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানিয়েছে জাপান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিতর্কিত চারটি দ্বীপের একটিতে পুতিনের হঠাৎ উপস্থিতির একটি ভিডিও প্রকাশ করে ক্রেমলিন। সেখানে তাকে একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করতে ও ক্যাভিয়ার উপহার নিতে দেখা যায়। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এ সফরের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি জানান, ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক আইন উভয় দিক থেকেই এই দ্বীপগুলো জাপানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পুতিনের এ সফর জাপানি জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যম থেকে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পথকে আরও কঠিন করে তুলল।
ঘটনার পরপরই টোকিওতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত নিকোলাই নোজদ্রেভকে তলব করেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি। তিনি জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জমে থাকা বরফ পুতিনের এ সফরের ফলে আরও কঠিন হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ মুহূর্তে সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলে নেওয়া এ দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের ‘উত্তরাঞ্চল’ বলে দাবি করে আসছে। এই সীমান্ত বিরোধের কারণেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের আট দশক পরও দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি সই হয়নি।
কুরিল দ্বীপে পৌঁছানোর আগে কাছের সাখালিন দ্বীপে রুশ নৌবাহিনীর মহড়া তদারকি করেন পুতিন। সেখানে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে তিনি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেন। ইউক্রেনে রুশ হামলার পর জি-৭ ভুক্ত দেশ হিসেবে জাপান রাশিয়ার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং কিয়েভকে প্রতিরক্ষা সহায়তা দিয়ে আসছে। পুতিন অবশ্য জাপানের এসব পদক্ষেপকে ‘উসকানিমূলক’ বলে আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, রাশিয়া জাপানকে কোনো হুমকি দিচ্ছে না, বরং জাপান উল্টো তাদের ভূখণ্ডের ওপর অন্যায্য দাবি তুলে ধরেছে।
ভূরাজনীতিবিদদের মতে, পুতিনের এই সফর মূলত জাপানের নিষেধাজ্ঞার জবাব দেওয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার এক কৌশল। খনিজ ও মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ এ আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জে রাশিয়া আগেই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং আধুনিক সুখই-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে সামরিক দুর্গ বানিয়ে রেখেছে। বর্তমানে রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার ত্রিপক্ষীয় সামরিক ঘনিষ্ঠতা এ অঞ্চলে জাপানের নিরাপত্তায় নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুতিনের আকস্মিক সফর কেবল দুটি দেশের মধ্যকার পুরোনো ক্ষতকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: সিএনএ

জাপানের পর চীনে ঘূর্ণিঝড় ‘ডলফিনের’ তাণ্ডব
মঙ্গলবার চীন সফরে যাচ্ছেন পুতিন







