শিরোনাম

১০০ শতাংশ শুল্কের মুখে ভারত-চীন, মার্কিন সিনেটে বিল পাস

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
১০০ শতাংশ শুল্কের মুখে ভারত-চীন, মার্কিন সিনেটে বিল পাস
ডোনাল্ড ট্রাম্প, শি জিন পিং ও নরেন্দ্র মোদি

রাশিয়ার অর্থনীতির মূল রসদ জ্বালানি খাতেই সবচেয়ে বড় আঘাত হানতে চলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া থেকে তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ দেশের ওপর শতভাগ পর্যন্ত শুল্ক বসানোর ক্ষমতা দিয়ে মার্কিন সিনেটে এক ঐতিহাসিক বিল পাস হয়েছে। ৮৬-১১ ভোটে পাস হওয়া এ কঠোর প্রস্তাবের প্রধান আওতায় পড়ছে ভারত ও চীনের মতো অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলো।

এ বিলটি উৎসর্গ করা হয়েছে ইউক্রেনের একনিষ্ঠ সমর্থক ও প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের স্মৃতির উদ্দেশ্যে। সিনেটে তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া বোন ডারলাইন গ্রাহাম জানান, এ আইন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তার সবচেয়ে দুর্বল জায়গায় সরাসরি আঘাত করবে। এ বিলের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন ডেমোক্র্যাট রিচার্ড ব্লুমেনথাল। তিনি বলেন, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে মস্কো ও কিয়েভ- উভয় পক্ষকেই বার্তা দেওয়া হলো যে ইউক্রেনের জনগণ একা নয় এবং পুতিন কখনোই বিজয়ী হতে পারবেন না। ৩১ আগস্ট প্রতিনিধি পরিষদের অধিবেশন শুরু হলে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিলটি সেখানে পেশ করা হবে।

নতুন এ আইন কার্যকর হলে রাশিয়া থেকে সর্বোচ্চ জ্বালানি কেনা পাঁচ দেশ- ভারত, চীন, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে। তবে যেসব দেশ তাদের প্রয়োজনীয় গ্যাসের ১৫ শতাংশের কম রাশিয়া থেকে আনে এবং আমদানি দ্রুত কমানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে, তাদের জন্য কিছু ছাড়ের বিধান রাখা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এ প্যাকেজের অধীনে প্রেসিডেন্ট পুতিন, শীর্ষ রুশ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং জ্বালানি প্রকল্পগুলোর ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা বহাল করা হচ্ছে। এমনকি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে রাশিয়া যে সব পুরোনো ছদ্মবেশী তেল ট্যাঙ্কার ব্যবহার করে, সেগুলোকে জব্দ ও নিষিদ্ধ করার পরিধিও বাড়ানো হয়েছে।

অবশ্য মার্কিন জাতীয় স্বার্থের কথা বিবেচনা করে প্রেসিডেন্ট চাইলে কংগ্রেসকে অবহিত করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো দেশের ওপর থেকে এ শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে মওকুফ করতে পারবেন। জ্বালানি সম্পর্কিত বিলটিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়টিও যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের ইরান নিষেধাজ্ঞা আইনের মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এটি ইরানের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকারী বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখবে।

সূত্র: এনডিটিভি

/এমএকে/