ইরানি হুমকিতে গোপনে বিমান পাল্টানোর কথা স্বীকার ট্রাম্পের

ইরানি হুমকিতে গোপনে বিমান পাল্টানোর কথা স্বীকার ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

তুরস্কে অনুষ্ঠিত গত মাসের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইরানের সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার হুমকি এড়াতে গোপনে নিজের বিমান বদলে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, প্রাণ বাঁচাতে তিনি যে বিকল্প বিমানটিতে চড়েছিলেন, সেটি মূল বিমানের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সম্প্রতি ট্রাম্প নিজেই সংবাদমাধ্যমের কাছে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আঙ্কারার সেই নাটকীয় অভিজ্ঞতার কথা জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, সিক্রেট সার্ভিস এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর কড়া নির্দেশনার কারণেই তাকে এমন পদক্ষেপ নিতে হয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, আমাকে সিক্রেট সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর কথা মেনেই চলতে হয়। তারা চেয়েছিল আমি অন্য একটি ফ্লাইটে, অন্য কোনো বিমানে যাই। তারা যা সিদ্ধান্ত দেয়, আমাকে বাধ্য হয়ে সেটাই করতে হয়।
তবে বিকল্প বিমানে ওঠার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি জানান, আমার মনে হয়, পরবর্তীতে আমি যে প্লেনটিতে ভ্রমণ করেছিলাম সেটি আসলে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কারণ আমার ধারণা, শত্রুপক্ষ হয়তো ওই বিমানটিকেই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিত। কথার ফাঁকে আফসোসের সুর টেনে ট্রাম্প বলেন, তাকে প্রায় প্রতিদিনই এমন নানা ধরনের হুমকির মুখোমুখি হতে হয়।

মার্কিন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী তথ্য অনুযায়ী, ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারায় ট্রাম্পকে আড়াল করে সামরিক বিমানে পৌঁছে দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল রূপকথার গল্পের মতো। কোনো সাধারণ নিরাপত্তা বহর নয়, বরং প্রেসিডেন্টকে লুকিয়ে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়েছিল একটি সাধারণ ক্যাটারিং ট্রাক! এতদিন ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা হোয়াইট হাউস কেউই বিষয়টি সামনে আনেনি। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ এই খবরটি সামনে না আনা পর্যন্ত এটি পুরোপুরি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্প যখন গোপনে এয়ার ফোর্স ওয়ান ত্যাগ করে অন্য বিমানে চলে যান, তখন মূল বিমানটিতে অবস্থান করছিলেন মার্কিন সাংবাদিক এবং প্রেসিডেন্টের শীর্ষ সহযোগীরা। ইরানের সম্ভাব্য হামলার সরাসরি ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ওই সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা ঘুণাক্ষরেও জানতে পারেননি যে প্রেসিডেন্ট তাদের সেখানে রেখেই নিরাপদে কেটে পড়েছেন।
এ চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই মার্কিন রাজনীতিতে তীব্র তোলপাড় শুরু হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এ ধরনের বিপজ্জনক লুকোচুরির তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে কংগ্রেসকে পুরো অভিযানের বিস্তারিত তথ্য জানানোর দাবি তুলেছেন সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার। এক বিবৃতিতে শুমার বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার এত বড় একটি হুমকির বিষয়ে কংগ্রেসকে অন্ধকারে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খোদ সরকারের কাছ থেকে না জেনে সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাদের এমন খবর জানতে হচ্ছে- যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
শুমার আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্প একটি অপ্রয়োজনীয় ও বেপরোয়া যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করে আমেরিকার তরুণদের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে বর্তমান প্রশাসন বারবার কংগ্রেস এবং সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করে চলেছে। তিনি আরও বলেন, রিপাবলিকানরা এখন দেশের নিরাপত্তার চেয়ে ট্রাম্পের বিলাসিতা ও অহংকারকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। তাই কংগ্রেসের উচিত নিজের সাংবিধানিক ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং ইরানের সঙ্গে চলা এ বিপজ্জনক সংঘাতের অবসান ঘটানো।
সূত্র: আল জাজিরা

তুরস্কে অনুষ্ঠিত গত মাসের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইরানের সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার হুমকি এড়াতে গোপনে নিজের বিমান বদলে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, প্রাণ বাঁচাতে তিনি যে বিকল্প বিমানটিতে চড়েছিলেন, সেটি মূল বিমানের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সম্প্রতি ট্রাম্প নিজেই সংবাদমাধ্যমের কাছে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আঙ্কারার সেই নাটকীয় অভিজ্ঞতার কথা জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, সিক্রেট সার্ভিস এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর কড়া নির্দেশনার কারণেই তাকে এমন পদক্ষেপ নিতে হয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, আমাকে সিক্রেট সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর কথা মেনেই চলতে হয়। তারা চেয়েছিল আমি অন্য একটি ফ্লাইটে, অন্য কোনো বিমানে যাই। তারা যা সিদ্ধান্ত দেয়, আমাকে বাধ্য হয়ে সেটাই করতে হয়।
তবে বিকল্প বিমানে ওঠার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি জানান, আমার মনে হয়, পরবর্তীতে আমি যে প্লেনটিতে ভ্রমণ করেছিলাম সেটি আসলে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কারণ আমার ধারণা, শত্রুপক্ষ হয়তো ওই বিমানটিকেই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিত। কথার ফাঁকে আফসোসের সুর টেনে ট্রাম্প বলেন, তাকে প্রায় প্রতিদিনই এমন নানা ধরনের হুমকির মুখোমুখি হতে হয়।

মার্কিন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী তথ্য অনুযায়ী, ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারায় ট্রাম্পকে আড়াল করে সামরিক বিমানে পৌঁছে দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল রূপকথার গল্পের মতো। কোনো সাধারণ নিরাপত্তা বহর নয়, বরং প্রেসিডেন্টকে লুকিয়ে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়েছিল একটি সাধারণ ক্যাটারিং ট্রাক! এতদিন ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা হোয়াইট হাউস কেউই বিষয়টি সামনে আনেনি। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ এই খবরটি সামনে না আনা পর্যন্ত এটি পুরোপুরি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্প যখন গোপনে এয়ার ফোর্স ওয়ান ত্যাগ করে অন্য বিমানে চলে যান, তখন মূল বিমানটিতে অবস্থান করছিলেন মার্কিন সাংবাদিক এবং প্রেসিডেন্টের শীর্ষ সহযোগীরা। ইরানের সম্ভাব্য হামলার সরাসরি ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ওই সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা ঘুণাক্ষরেও জানতে পারেননি যে প্রেসিডেন্ট তাদের সেখানে রেখেই নিরাপদে কেটে পড়েছেন।
এ চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই মার্কিন রাজনীতিতে তীব্র তোলপাড় শুরু হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এ ধরনের বিপজ্জনক লুকোচুরির তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে কংগ্রেসকে পুরো অভিযানের বিস্তারিত তথ্য জানানোর দাবি তুলেছেন সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার। এক বিবৃতিতে শুমার বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার এত বড় একটি হুমকির বিষয়ে কংগ্রেসকে অন্ধকারে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খোদ সরকারের কাছ থেকে না জেনে সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাদের এমন খবর জানতে হচ্ছে- যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
শুমার আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্প একটি অপ্রয়োজনীয় ও বেপরোয়া যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করে আমেরিকার তরুণদের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে বর্তমান প্রশাসন বারবার কংগ্রেস এবং সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করে চলেছে। তিনি আরও বলেন, রিপাবলিকানরা এখন দেশের নিরাপত্তার চেয়ে ট্রাম্পের বিলাসিতা ও অহংকারকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। তাই কংগ্রেসের উচিত নিজের সাংবিধানিক ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং ইরানের সঙ্গে চলা এ বিপজ্জনক সংঘাতের অবসান ঘটানো।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানি হুমকিতে গোপনে বিমান পাল্টানোর কথা স্বীকার ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

তুরস্কে অনুষ্ঠিত গত মাসের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইরানের সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার হুমকি এড়াতে গোপনে নিজের বিমান বদলে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, প্রাণ বাঁচাতে তিনি যে বিকল্প বিমানটিতে চড়েছিলেন, সেটি মূল বিমানের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সম্প্রতি ট্রাম্প নিজেই সংবাদমাধ্যমের কাছে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আঙ্কারার সেই নাটকীয় অভিজ্ঞতার কথা জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, সিক্রেট সার্ভিস এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর কড়া নির্দেশনার কারণেই তাকে এমন পদক্ষেপ নিতে হয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, আমাকে সিক্রেট সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর কথা মেনেই চলতে হয়। তারা চেয়েছিল আমি অন্য একটি ফ্লাইটে, অন্য কোনো বিমানে যাই। তারা যা সিদ্ধান্ত দেয়, আমাকে বাধ্য হয়ে সেটাই করতে হয়।
তবে বিকল্প বিমানে ওঠার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি জানান, আমার মনে হয়, পরবর্তীতে আমি যে প্লেনটিতে ভ্রমণ করেছিলাম সেটি আসলে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কারণ আমার ধারণা, শত্রুপক্ষ হয়তো ওই বিমানটিকেই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিত। কথার ফাঁকে আফসোসের সুর টেনে ট্রাম্প বলেন, তাকে প্রায় প্রতিদিনই এমন নানা ধরনের হুমকির মুখোমুখি হতে হয়।

মার্কিন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী তথ্য অনুযায়ী, ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারায় ট্রাম্পকে আড়াল করে সামরিক বিমানে পৌঁছে দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল রূপকথার গল্পের মতো। কোনো সাধারণ নিরাপত্তা বহর নয়, বরং প্রেসিডেন্টকে লুকিয়ে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়েছিল একটি সাধারণ ক্যাটারিং ট্রাক! এতদিন ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা হোয়াইট হাউস কেউই বিষয়টি সামনে আনেনি। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ এই খবরটি সামনে না আনা পর্যন্ত এটি পুরোপুরি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্প যখন গোপনে এয়ার ফোর্স ওয়ান ত্যাগ করে অন্য বিমানে চলে যান, তখন মূল বিমানটিতে অবস্থান করছিলেন মার্কিন সাংবাদিক এবং প্রেসিডেন্টের শীর্ষ সহযোগীরা। ইরানের সম্ভাব্য হামলার সরাসরি ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ওই সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা ঘুণাক্ষরেও জানতে পারেননি যে প্রেসিডেন্ট তাদের সেখানে রেখেই নিরাপদে কেটে পড়েছেন।
এ চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই মার্কিন রাজনীতিতে তীব্র তোলপাড় শুরু হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এ ধরনের বিপজ্জনক লুকোচুরির তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে কংগ্রেসকে পুরো অভিযানের বিস্তারিত তথ্য জানানোর দাবি তুলেছেন সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার। এক বিবৃতিতে শুমার বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার এত বড় একটি হুমকির বিষয়ে কংগ্রেসকে অন্ধকারে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খোদ সরকারের কাছ থেকে না জেনে সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাদের এমন খবর জানতে হচ্ছে- যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
শুমার আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্প একটি অপ্রয়োজনীয় ও বেপরোয়া যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করে আমেরিকার তরুণদের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে বর্তমান প্রশাসন বারবার কংগ্রেস এবং সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করে চলেছে। তিনি আরও বলেন, রিপাবলিকানরা এখন দেশের নিরাপত্তার চেয়ে ট্রাম্পের বিলাসিতা ও অহংকারকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। তাই কংগ্রেসের উচিত নিজের সাংবিধানিক ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং ইরানের সঙ্গে চলা এ বিপজ্জনক সংঘাতের অবসান ঘটানো।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের হামলার ভয়ে পুরোনো এয়ারফোর্স ওয়ানে তুরস্ক ছাড়লেন ট্রাম্প







