হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এই প্রণালির ওপর ওয়াশিংটনের একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে এবং তারা তা ধরে রাখবে। তবে ট্রাম্পের এ হুঙ্কার আর দাবির ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে বাস্তবে। কূটনৈতিক আলোচনা থমকে যাওয়ার পাশাপাশি জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানি বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর তৈরি অবরোধ মূলত এক ‘ইস্পাতের প্রাচীর’ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের দাদাগিরি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ওয়াশিংটনের এ দাবির মুখেও হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার চেষ্টা করছে তেহরান। জলপথটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা বর্তমানে ওমানের সঙ্গে নিজস্ব আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের শান্তি প্রক্রিয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা এক প্রকার ঝুলেই রইল।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা না তোলা পর্যন্ত এবং তাদের ফ্রিজ করা সম্পদ ছেড়ে না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে তারা পূর্ণ যান চলাচল শুরু করতে দেবে না। সংঘাতের এ চরম উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা লেগেছে। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ এ পথ দিয়ে এখনও দু-একটি জাহাজ চলাচল করছে, তবে তার সংখ্যা আগের তুলনায় নগণ্য। বাণিজ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, যুদ্ধের আগে প্রতিদিন যেখানে ১৩০ থেকে ১৪০টি জাহাজ যাতায়াত করত, সেখানে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মাত্র আটটি জাহাজ এ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে এ সংঘাতের সূচনা হয়। মাঝখানে জুনের দিকে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্দেশ্যে একটি সমঝোতা হলেও জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে পুনরায় হামলা শুরু হওয়ায় চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এ যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মার্কিন হেলিকপ্টার থেকে পানামার পতাকাবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা এবং অন্যদিকে লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নতুন করে জাহাজ আক্রমণের ঘটনা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অচল করে দিয়েছে। সব মিলিয়ে, বাণিজ্যপথ সচল করার কূটনৈতিক চেষ্টা এবং সাগরের বাস্তব সংঘাত এখন মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এই প্রণালির ওপর ওয়াশিংটনের একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে এবং তারা তা ধরে রাখবে। তবে ট্রাম্পের এ হুঙ্কার আর দাবির ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে বাস্তবে। কূটনৈতিক আলোচনা থমকে যাওয়ার পাশাপাশি জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানি বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর তৈরি অবরোধ মূলত এক ‘ইস্পাতের প্রাচীর’ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের দাদাগিরি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ওয়াশিংটনের এ দাবির মুখেও হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার চেষ্টা করছে তেহরান। জলপথটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা বর্তমানে ওমানের সঙ্গে নিজস্ব আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের শান্তি প্রক্রিয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা এক প্রকার ঝুলেই রইল।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা না তোলা পর্যন্ত এবং তাদের ফ্রিজ করা সম্পদ ছেড়ে না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে তারা পূর্ণ যান চলাচল শুরু করতে দেবে না। সংঘাতের এ চরম উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা লেগেছে। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ এ পথ দিয়ে এখনও দু-একটি জাহাজ চলাচল করছে, তবে তার সংখ্যা আগের তুলনায় নগণ্য। বাণিজ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, যুদ্ধের আগে প্রতিদিন যেখানে ১৩০ থেকে ১৪০টি জাহাজ যাতায়াত করত, সেখানে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মাত্র আটটি জাহাজ এ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে এ সংঘাতের সূচনা হয়। মাঝখানে জুনের দিকে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্দেশ্যে একটি সমঝোতা হলেও জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে পুনরায় হামলা শুরু হওয়ায় চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এ যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মার্কিন হেলিকপ্টার থেকে পানামার পতাকাবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা এবং অন্যদিকে লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নতুন করে জাহাজ আক্রমণের ঘটনা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অচল করে দিয়েছে। সব মিলিয়ে, বাণিজ্যপথ সচল করার কূটনৈতিক চেষ্টা এবং সাগরের বাস্তব সংঘাত এখন মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে।

হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এই প্রণালির ওপর ওয়াশিংটনের একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে এবং তারা তা ধরে রাখবে। তবে ট্রাম্পের এ হুঙ্কার আর দাবির ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে বাস্তবে। কূটনৈতিক আলোচনা থমকে যাওয়ার পাশাপাশি জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানি বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর তৈরি অবরোধ মূলত এক ‘ইস্পাতের প্রাচীর’ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের দাদাগিরি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ওয়াশিংটনের এ দাবির মুখেও হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার চেষ্টা করছে তেহরান। জলপথটির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা বর্তমানে ওমানের সঙ্গে নিজস্ব আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের শান্তি প্রক্রিয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা এক প্রকার ঝুলেই রইল।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা না তোলা পর্যন্ত এবং তাদের ফ্রিজ করা সম্পদ ছেড়ে না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে তারা পূর্ণ যান চলাচল শুরু করতে দেবে না। সংঘাতের এ চরম উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা লেগেছে। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ এ পথ দিয়ে এখনও দু-একটি জাহাজ চলাচল করছে, তবে তার সংখ্যা আগের তুলনায় নগণ্য। বাণিজ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, যুদ্ধের আগে প্রতিদিন যেখানে ১৩০ থেকে ১৪০টি জাহাজ যাতায়াত করত, সেখানে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মাত্র আটটি জাহাজ এ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে এ সংঘাতের সূচনা হয়। মাঝখানে জুনের দিকে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্দেশ্যে একটি সমঝোতা হলেও জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে পুনরায় হামলা শুরু হওয়ায় চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এ যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মার্কিন হেলিকপ্টার থেকে পানামার পতাকাবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা এবং অন্যদিকে লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নতুন করে জাহাজ আক্রমণের ঘটনা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অচল করে দিয়েছে। সব মিলিয়ে, বাণিজ্যপথ সচল করার কূটনৈতিক চেষ্টা এবং সাগরের বাস্তব সংঘাত এখন মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে।

ইরানি হুমকিতে গোপনে বিমান পাল্টানোর কথা স্বীকার ট্রাম্পের






