নদী খননের কাজ পেলো নৌবাহিনী

নদী খননের কাজ পেলো নৌবাহিনী
আয়নাল হোসেন

ঢাকা, ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ বেশ কয়েকটি জেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত তিনটি নদী খননের কাজ নৌবাহিনীকে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লউটিএ) বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের আওতায় তাদের এই কাজ দেওয়া হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রকল্পের আংশিক কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) করার অনুমোদন দেওয়া হয়। যদিও জরুরি প্রয়োজন বা সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি ছাড়া ডিপিএমে কাজ দেওয়ার নজির খুব একটা নেই।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিং সূত্রে তিনটি নদী খননের কাজ অনুমোদন করার বিষয়টি জানা গেছে। এতে বলা হয়, বিআইডব্লিউটি’র ‘জিনাই, ঘাঘট, বংশী এবং নাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধারের জন্য শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, নৌপথের উন্নয়ন ও বন্যা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে ২৫টি প্যাকেজ রয়েছে। এসব প্যাকেজের আওতায় জিনাই, সুতিয়া ও কাঁচামাটিয়া নদী খননসহ আনুষঙ্গিক কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন করা হয়।
জিনাই, সুতিয়া ও কাঁচামাটিয়া নদীর খননসহ আনুসঙ্গিক কাজ কোন প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে মুঠোফোনে বলেন, ‘পুরো প্রকল্পের ব্যয় চার হাজার কোটি টাকার ওপরে ধরা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মাধ্যমে তিনটি নদী খননের কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। নৌবাহিনীর কোন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজগুলো সম্পন্ন হবে-তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।’
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা। কাজটি সম্পূর্ণ সরকারি (জিওবি) অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের কাজ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে শুরু হয়েছে। আগামি ২০২৮ সালের জুন মাসে এই কাজ শেষ হবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদীগুলোর গভীরতা ও প্রস্থ অনেক কমে গেছে। এজন্য খননের মাধ্যমে প্রশস্ততা ও গভীরতা বাড়িয়ে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।
এ ছাড়া এই প্রকল্পের আরও কয়েকটি লক্ষ্য আছে। এগুলো হচ্ছে শীতকাল বা শুষ্ক মৌসুমে নদীগুলোতে ন্যূনতম পানির প্রবাহ বজায় রাখা, নৌযান চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে নদীপাড়ের এলাকাগুলোকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করা। সামগ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নদীগুলোর ‘ক্যাপিটাল ড্রেজিং’ মূলত নির্দিষ্ট কিছু জেলা ও তৎসংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে সংযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। যেমন, জিনাই নদী শেরপুর, জামালপুর ও টাঙ্গাইলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে আর সুতিয়া নদী ময়মনসিংহের ত্রিশাল এবং গফরগাঁও উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই দুটি নদীই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
কাঁচামাটিয়া নদীটি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ও সরিষা বিল এলাকা এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এটি মূলত ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ এবং নান্দাইল উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আর ঘাঘট নদী নীলফামারী থেকে গাইবান্ধা অঞ্চল, বংশী নদী জামালপুর থেকে শুরু হয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত এবং নাগদা নদী গাজীপুর জেলা সংলগ্ন এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

ঢাকা, ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ বেশ কয়েকটি জেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত তিনটি নদী খননের কাজ নৌবাহিনীকে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লউটিএ) বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের আওতায় তাদের এই কাজ দেওয়া হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রকল্পের আংশিক কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) করার অনুমোদন দেওয়া হয়। যদিও জরুরি প্রয়োজন বা সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি ছাড়া ডিপিএমে কাজ দেওয়ার নজির খুব একটা নেই।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিং সূত্রে তিনটি নদী খননের কাজ অনুমোদন করার বিষয়টি জানা গেছে। এতে বলা হয়, বিআইডব্লিউটি’র ‘জিনাই, ঘাঘট, বংশী এবং নাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধারের জন্য শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, নৌপথের উন্নয়ন ও বন্যা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে ২৫টি প্যাকেজ রয়েছে। এসব প্যাকেজের আওতায় জিনাই, সুতিয়া ও কাঁচামাটিয়া নদী খননসহ আনুষঙ্গিক কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন করা হয়।
জিনাই, সুতিয়া ও কাঁচামাটিয়া নদীর খননসহ আনুসঙ্গিক কাজ কোন প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে মুঠোফোনে বলেন, ‘পুরো প্রকল্পের ব্যয় চার হাজার কোটি টাকার ওপরে ধরা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মাধ্যমে তিনটি নদী খননের কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। নৌবাহিনীর কোন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজগুলো সম্পন্ন হবে-তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।’
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা। কাজটি সম্পূর্ণ সরকারি (জিওবি) অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের কাজ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে শুরু হয়েছে। আগামি ২০২৮ সালের জুন মাসে এই কাজ শেষ হবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদীগুলোর গভীরতা ও প্রস্থ অনেক কমে গেছে। এজন্য খননের মাধ্যমে প্রশস্ততা ও গভীরতা বাড়িয়ে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।
এ ছাড়া এই প্রকল্পের আরও কয়েকটি লক্ষ্য আছে। এগুলো হচ্ছে শীতকাল বা শুষ্ক মৌসুমে নদীগুলোতে ন্যূনতম পানির প্রবাহ বজায় রাখা, নৌযান চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে নদীপাড়ের এলাকাগুলোকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করা। সামগ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নদীগুলোর ‘ক্যাপিটাল ড্রেজিং’ মূলত নির্দিষ্ট কিছু জেলা ও তৎসংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে সংযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। যেমন, জিনাই নদী শেরপুর, জামালপুর ও টাঙ্গাইলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে আর সুতিয়া নদী ময়মনসিংহের ত্রিশাল এবং গফরগাঁও উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই দুটি নদীই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
কাঁচামাটিয়া নদীটি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ও সরিষা বিল এলাকা এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এটি মূলত ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ এবং নান্দাইল উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আর ঘাঘট নদী নীলফামারী থেকে গাইবান্ধা অঞ্চল, বংশী নদী জামালপুর থেকে শুরু হয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত এবং নাগদা নদী গাজীপুর জেলা সংলগ্ন এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

নদী খননের কাজ পেলো নৌবাহিনী
আয়নাল হোসেন

ঢাকা, ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ বেশ কয়েকটি জেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত তিনটি নদী খননের কাজ নৌবাহিনীকে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লউটিএ) বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের আওতায় তাদের এই কাজ দেওয়া হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রকল্পের আংশিক কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) করার অনুমোদন দেওয়া হয়। যদিও জরুরি প্রয়োজন বা সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি ছাড়া ডিপিএমে কাজ দেওয়ার নজির খুব একটা নেই।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিং সূত্রে তিনটি নদী খননের কাজ অনুমোদন করার বিষয়টি জানা গেছে। এতে বলা হয়, বিআইডব্লিউটি’র ‘জিনাই, ঘাঘট, বংশী এবং নাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধারের জন্য শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, নৌপথের উন্নয়ন ও বন্যা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে ২৫টি প্যাকেজ রয়েছে। এসব প্যাকেজের আওতায় জিনাই, সুতিয়া ও কাঁচামাটিয়া নদী খননসহ আনুষঙ্গিক কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অনুমোদন করা হয়।
জিনাই, সুতিয়া ও কাঁচামাটিয়া নদীর খননসহ আনুসঙ্গিক কাজ কোন প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে মুঠোফোনে বলেন, ‘পুরো প্রকল্পের ব্যয় চার হাজার কোটি টাকার ওপরে ধরা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মাধ্যমে তিনটি নদী খননের কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। নৌবাহিনীর কোন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজগুলো সম্পন্ন হবে-তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।’
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা। কাজটি সম্পূর্ণ সরকারি (জিওবি) অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের কাজ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে শুরু হয়েছে। আগামি ২০২৮ সালের জুন মাসে এই কাজ শেষ হবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদীগুলোর গভীরতা ও প্রস্থ অনেক কমে গেছে। এজন্য খননের মাধ্যমে প্রশস্ততা ও গভীরতা বাড়িয়ে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।
এ ছাড়া এই প্রকল্পের আরও কয়েকটি লক্ষ্য আছে। এগুলো হচ্ছে শীতকাল বা শুষ্ক মৌসুমে নদীগুলোতে ন্যূনতম পানির প্রবাহ বজায় রাখা, নৌযান চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে নদীপাড়ের এলাকাগুলোকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করা। সামগ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নদীগুলোর ‘ক্যাপিটাল ড্রেজিং’ মূলত নির্দিষ্ট কিছু জেলা ও তৎসংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে সংযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। যেমন, জিনাই নদী শেরপুর, জামালপুর ও টাঙ্গাইলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে আর সুতিয়া নদী ময়মনসিংহের ত্রিশাল এবং গফরগাঁও উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই দুটি নদীই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
কাঁচামাটিয়া নদীটি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ও সরিষা বিল এলাকা এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এটি মূলত ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ এবং নান্দাইল উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আর ঘাঘট নদী নীলফামারী থেকে গাইবান্ধা অঞ্চল, বংশী নদী জামালপুর থেকে শুরু হয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত এবং নাগদা নদী গাজীপুর জেলা সংলগ্ন এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।









