ট্রাম্পকে জাগিয়ে রাখতে ‘ইলেকট্রিক শক’, মুখ খুললেন সেই নারী

ট্রাম্পকে জাগিয়ে রাখতে ‘ইলেকট্রিক শক’, মুখ খুললেন সেই নারী
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অদ্ভুত ও বিভ্রান্তিকর এক আলোচনা শুরু হয়। প্রেসিডেন্টকে ওভাল অফিসে জাগিয়ে রাখতে নাকি ওই নারী গোপনে কোনো বৈদ্যুতিক বোতাম টিপছিলেন! তবে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়ে মূল ঘটনা পরিষ্কার করেছেন ওই নারী। তিনি জানিয়েছেন, কোনো ধরনের সংকেত বা শক দেওয়ার বিষয় এটি নয়। মূলত গর্ভবতী হওয়ার কারণেই শারীরিক স্বস্তির জন্য তিনি নিজের পেটে হাত দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (১০ আগস্ট) ওভাল অফিসে আয়োজিত শিশুদের টিকাদান সংক্রান্ত এক নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে। ট্রাম্পের ঠিক পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন উত্তর ক্যারোলিনার বাসিন্দা জেমি লি ফ্র্যাঙ্কলিন। সেখানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, জেমি বারবার মাথা নাড়ছেন এবং পেটের ওপর হাত রাখছেন। এ দৃশ্যটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এক্সসহ নানা প্ল্যাটফর্মে নেটিজেনরা দাবি করতে থাকেন, ট্রাম্প যাতে ঝিমিয়ে না পড়েন সেজন্য নাকি তাকে রিমোট দিয়ে শক দেওয়া হচ্ছিল।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এমন হাস্যকর দাবি দেখে অবাক হন জেমি নিজেও। পরবর্তীতে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট রি-টুইট করে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা প্রকাশ করেন তিনি। জযেমি মূলত রক্ষণশীল মিডিয়া ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘দ্য কনজারভেটর’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। এটি মূলত তরুণ খ্রিষ্টান নারীদের জন্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে।
রাজনীতি ও প্রশাসনে জেমির অভিজ্ঞতা নতুন নয়। ২০২০ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা জেমি সাবেক ট্রাম্প প্রশাসনেরও কর্মী ছিলেন। তিনি ২০১৯ সালে মার্কিন সিনেটে লেজিসলেটিভ ইন্টার্ন, ২০২০ সালের নির্বাচনে কোয়ালিশন কো-অর্ডিনেটর এবং পরবর্তীতে হোয়াইট হাউসের ‘ডিরেক্টর অব করেসপন্ডেন্স’ হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। ওভাল অফিসের এক স্বাভাবিক মুহূর্তকে কেন্দ্র করে ইন্টারনেটে যে নাটকের সৃষ্টি হয়েছিল, জেমির বার্তাতেই সে রহস্যের জট খুললো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অদ্ভুত ও বিভ্রান্তিকর এক আলোচনা শুরু হয়। প্রেসিডেন্টকে ওভাল অফিসে জাগিয়ে রাখতে নাকি ওই নারী গোপনে কোনো বৈদ্যুতিক বোতাম টিপছিলেন! তবে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়ে মূল ঘটনা পরিষ্কার করেছেন ওই নারী। তিনি জানিয়েছেন, কোনো ধরনের সংকেত বা শক দেওয়ার বিষয় এটি নয়। মূলত গর্ভবতী হওয়ার কারণেই শারীরিক স্বস্তির জন্য তিনি নিজের পেটে হাত দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (১০ আগস্ট) ওভাল অফিসে আয়োজিত শিশুদের টিকাদান সংক্রান্ত এক নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে। ট্রাম্পের ঠিক পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন উত্তর ক্যারোলিনার বাসিন্দা জেমি লি ফ্র্যাঙ্কলিন। সেখানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, জেমি বারবার মাথা নাড়ছেন এবং পেটের ওপর হাত রাখছেন। এ দৃশ্যটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এক্সসহ নানা প্ল্যাটফর্মে নেটিজেনরা দাবি করতে থাকেন, ট্রাম্প যাতে ঝিমিয়ে না পড়েন সেজন্য নাকি তাকে রিমোট দিয়ে শক দেওয়া হচ্ছিল।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এমন হাস্যকর দাবি দেখে অবাক হন জেমি নিজেও। পরবর্তীতে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট রি-টুইট করে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা প্রকাশ করেন তিনি। জযেমি মূলত রক্ষণশীল মিডিয়া ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘দ্য কনজারভেটর’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। এটি মূলত তরুণ খ্রিষ্টান নারীদের জন্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে।
রাজনীতি ও প্রশাসনে জেমির অভিজ্ঞতা নতুন নয়। ২০২০ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা জেমি সাবেক ট্রাম্প প্রশাসনেরও কর্মী ছিলেন। তিনি ২০১৯ সালে মার্কিন সিনেটে লেজিসলেটিভ ইন্টার্ন, ২০২০ সালের নির্বাচনে কোয়ালিশন কো-অর্ডিনেটর এবং পরবর্তীতে হোয়াইট হাউসের ‘ডিরেক্টর অব করেসপন্ডেন্স’ হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। ওভাল অফিসের এক স্বাভাবিক মুহূর্তকে কেন্দ্র করে ইন্টারনেটে যে নাটকের সৃষ্টি হয়েছিল, জেমির বার্তাতেই সে রহস্যের জট খুললো।

ট্রাম্পকে জাগিয়ে রাখতে ‘ইলেকট্রিক শক’, মুখ খুললেন সেই নারী
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অদ্ভুত ও বিভ্রান্তিকর এক আলোচনা শুরু হয়। প্রেসিডেন্টকে ওভাল অফিসে জাগিয়ে রাখতে নাকি ওই নারী গোপনে কোনো বৈদ্যুতিক বোতাম টিপছিলেন! তবে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়ে মূল ঘটনা পরিষ্কার করেছেন ওই নারী। তিনি জানিয়েছেন, কোনো ধরনের সংকেত বা শক দেওয়ার বিষয় এটি নয়। মূলত গর্ভবতী হওয়ার কারণেই শারীরিক স্বস্তির জন্য তিনি নিজের পেটে হাত দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (১০ আগস্ট) ওভাল অফিসে আয়োজিত শিশুদের টিকাদান সংক্রান্ত এক নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে। ট্রাম্পের ঠিক পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন উত্তর ক্যারোলিনার বাসিন্দা জেমি লি ফ্র্যাঙ্কলিন। সেখানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, জেমি বারবার মাথা নাড়ছেন এবং পেটের ওপর হাত রাখছেন। এ দৃশ্যটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এক্সসহ নানা প্ল্যাটফর্মে নেটিজেনরা দাবি করতে থাকেন, ট্রাম্প যাতে ঝিমিয়ে না পড়েন সেজন্য নাকি তাকে রিমোট দিয়ে শক দেওয়া হচ্ছিল।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এমন হাস্যকর দাবি দেখে অবাক হন জেমি নিজেও। পরবর্তীতে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট রি-টুইট করে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা প্রকাশ করেন তিনি। জযেমি মূলত রক্ষণশীল মিডিয়া ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘দ্য কনজারভেটর’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। এটি মূলত তরুণ খ্রিষ্টান নারীদের জন্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে।
রাজনীতি ও প্রশাসনে জেমির অভিজ্ঞতা নতুন নয়। ২০২০ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা জেমি সাবেক ট্রাম্প প্রশাসনেরও কর্মী ছিলেন। তিনি ২০১৯ সালে মার্কিন সিনেটে লেজিসলেটিভ ইন্টার্ন, ২০২০ সালের নির্বাচনে কোয়ালিশন কো-অর্ডিনেটর এবং পরবর্তীতে হোয়াইট হাউসের ‘ডিরেক্টর অব করেসপন্ডেন্স’ হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। ওভাল অফিসের এক স্বাভাবিক মুহূর্তকে কেন্দ্র করে ইন্টারনেটে যে নাটকের সৃষ্টি হয়েছিল, জেমির বার্তাতেই সে রহস্যের জট খুললো।

ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবী টড ব্লাঞ্চই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল







