ইরানকে ‘প্রস্তরযুগে’ ফেরানো হয়েছে: ট্রাম্প

ইরানকে ‘প্রস্তরযুগে’ ফেরানো হয়েছে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সক্ষমতা বহুলাংশে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ইরানকে অনেকাংশে প্রস্তরযুগে ফিরিয়ে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল, তারও অনেকটাই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যেমন, তাদের সামরিক বাহিনীর ১৫৯টি জাহাজ ছিল। এসব জাহাজকে এখন সমুদ্রের নিচে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরানের ২০০টি উড়োজাহাজ ছিল। তাদের সব উড়োজাহাজ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তাদের রাডার নেই, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই এবং অস্ত্র তৈরির সক্ষমতাও বহুলাংশে শেষ হয়ে গেছে। দেশটির প্রায় ৮৪ শতাংশ সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। বুঝতেই পারছেন, তারা প্রায় পুরোপুরি শেষ হতে চলেছে। সুতরাং চার মাস আগের তুলনায় তারা এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দেশে পরিণত হয়েছে। চার মাসে আমরা তাদের অনেকটাই প্রস্তরযুগে ফিরিয়ে এনেছি।
ট্রাম্প বলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের গুণ্ডা ছিল। তারা এখন আর আমাকে ধমকাতে পারবে না।
এর আগে, সোমবার (১৩ জুলাই) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। ওয়াশিংটন ব্যর্থ হলে তেহরানও আর ওই চুক্তি মেনে চলবে না বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি কূটনৈতিক আলোচনায় ইরান অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেশের জনগণের স্বার্থ ও উদ্বেগকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে অংশ নিয়েছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর পর তেহরান সবসময় সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই প্রথম পক্ষ হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতা ভঙ্গ করেনি।
বাঘাই আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন যদি যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারে, তবে ইরানও তাদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা স্মারক) মেনে চলতে বাধ্য থাকবে না। অতীতেও যখনই অপর পক্ষ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে, ইরান নিজের প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও তেহরান ঠিক একই নীতি অনুসরণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইরানের এই অনড় অবস্থান ওয়াশিংটনের ওপর চাপ আরও বাড়াল। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে আলোচনার টেবিলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।

ইরানের সক্ষমতা বহুলাংশে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ইরানকে অনেকাংশে প্রস্তরযুগে ফিরিয়ে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল, তারও অনেকটাই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যেমন, তাদের সামরিক বাহিনীর ১৫৯টি জাহাজ ছিল। এসব জাহাজকে এখন সমুদ্রের নিচে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরানের ২০০টি উড়োজাহাজ ছিল। তাদের সব উড়োজাহাজ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তাদের রাডার নেই, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই এবং অস্ত্র তৈরির সক্ষমতাও বহুলাংশে শেষ হয়ে গেছে। দেশটির প্রায় ৮৪ শতাংশ সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। বুঝতেই পারছেন, তারা প্রায় পুরোপুরি শেষ হতে চলেছে। সুতরাং চার মাস আগের তুলনায় তারা এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দেশে পরিণত হয়েছে। চার মাসে আমরা তাদের অনেকটাই প্রস্তরযুগে ফিরিয়ে এনেছি।
ট্রাম্প বলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের গুণ্ডা ছিল। তারা এখন আর আমাকে ধমকাতে পারবে না।
এর আগে, সোমবার (১৩ জুলাই) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। ওয়াশিংটন ব্যর্থ হলে তেহরানও আর ওই চুক্তি মেনে চলবে না বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি কূটনৈতিক আলোচনায় ইরান অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেশের জনগণের স্বার্থ ও উদ্বেগকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে অংশ নিয়েছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর পর তেহরান সবসময় সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই প্রথম পক্ষ হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতা ভঙ্গ করেনি।
বাঘাই আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন যদি যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারে, তবে ইরানও তাদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা স্মারক) মেনে চলতে বাধ্য থাকবে না। অতীতেও যখনই অপর পক্ষ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে, ইরান নিজের প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও তেহরান ঠিক একই নীতি অনুসরণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইরানের এই অনড় অবস্থান ওয়াশিংটনের ওপর চাপ আরও বাড়াল। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে আলোচনার টেবিলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।

ইরানকে ‘প্রস্তরযুগে’ ফেরানো হয়েছে: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সক্ষমতা বহুলাংশে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ইরানকে অনেকাংশে প্রস্তরযুগে ফিরিয়ে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল, তারও অনেকটাই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যেমন, তাদের সামরিক বাহিনীর ১৫৯টি জাহাজ ছিল। এসব জাহাজকে এখন সমুদ্রের নিচে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরানের ২০০টি উড়োজাহাজ ছিল। তাদের সব উড়োজাহাজ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তাদের রাডার নেই, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই এবং অস্ত্র তৈরির সক্ষমতাও বহুলাংশে শেষ হয়ে গেছে। দেশটির প্রায় ৮৪ শতাংশ সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। বুঝতেই পারছেন, তারা প্রায় পুরোপুরি শেষ হতে চলেছে। সুতরাং চার মাস আগের তুলনায় তারা এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দেশে পরিণত হয়েছে। চার মাসে আমরা তাদের অনেকটাই প্রস্তরযুগে ফিরিয়ে এনেছি।
ট্রাম্প বলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের গুণ্ডা ছিল। তারা এখন আর আমাকে ধমকাতে পারবে না।
এর আগে, সোমবার (১৩ জুলাই) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। ওয়াশিংটন ব্যর্থ হলে তেহরানও আর ওই চুক্তি মেনে চলবে না বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি কূটনৈতিক আলোচনায় ইরান অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেশের জনগণের স্বার্থ ও উদ্বেগকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে অংশ নিয়েছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর পর তেহরান সবসময় সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই প্রথম পক্ষ হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সমঝোতা ভঙ্গ করেনি।
বাঘাই আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন যদি যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারে, তবে ইরানও তাদের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা স্মারক) মেনে চলতে বাধ্য থাকবে না। অতীতেও যখনই অপর পক্ষ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে, ইরান নিজের প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও তেহরান ঠিক একই নীতি অনুসরণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইরানের এই অনড় অবস্থান ওয়াশিংটনের ওপর চাপ আরও বাড়াল। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে আলোচনার টেবিলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।

ইরানে রাতভর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা


