বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের শীর্ষে সিঙ্গাপুর

বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের শীর্ষে সিঙ্গাপুর
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয়ের তালিকায় আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে সিঙ্গাপুর। টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিলাসী শহরের স্বীকৃতি ধরে রেখেছে দেশটি। আবাসন ও ব্যক্তিগত গাড়ির অত্যধিক মূল্য, পাশাপাশি শক্তিশালী সিঙ্গাপুরি ডলারের কারণে এই অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে শহরটি।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান জুলিয়াস বেয়ার গ্রুপ প্রকাশিত ২০২৬ সালের গ্লোবাল ওয়েলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল ইনডেক্সে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ শহরের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় বিশ্লেষণ করে এই সূচক প্রকাশ করা হয়।
এবারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। শক্তিশালী সুইস ফ্রাঁ এবং দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জুরিখকে তিন ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সুইস মুদ্রার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিও এই অগ্রগতির অন্যতম কারণ।
অন্যদিকে, ২০২০ সালে জরিপ চালু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিলাসী শহরের শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছে মোনাকো। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে হংকং এবং পঞ্চম অবস্থানে নেমে গেছে লন্ডন।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালেও বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চয়তায় ঘেরা। ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল দেশ ও শহরগুলো উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের কাছে আগের চেয়ে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।
এতে বলা হয়েছে, প্রতিবছরের মতো এবারও ২০টি বিলাসপণ্য ও সেবার মূল্য বিশ্লেষণ করে সূচকটি তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিলাসবহুল আবাসন, ব্যক্তিগত গাড়ি, বিজনেস ও ফার্স্ট ক্লাস বিমানভাড়া, আন্তর্জাতিক স্কুলের টিউশন ফি এবং উচ্চমানের রেস্তোরাঁয় ডিগাস্টেশন ডিনারের খরচ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ১০ লাখ মার্কিন ডলার বা তার বেশি বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের মালিক ৩৬০ জন ধনী ব্যক্তির সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই গবেষণা পরিচালিত হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরে উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় গড়ে ১০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে স্বর্নের দাম বৃদ্ধিতে গয়নার দাম বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং বিলাসবহুল ঘড়ির মূল্য বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিকে, গত বছর আলোচনায় থাকা দুবাই এবার নেমে এসেছে ১৪তম স্থানে। শহরটির ব্যয় কমেনি; বরং বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরে বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় আরও দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় দুবাইয়ের অবস্থান পিছিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, তথ্য সংগ্রহ শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ইসরায়েল–ইরান সংঘাত শুরুর আগে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। ফলে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা ভবিষ্যতে বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয়ের চিত্রে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের সূচকে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। শহরটি ছয় ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। শক্তিশালী অস্ট্রেলীয় ডলার এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে আমদানিনির্ভর বিলাসপণ্যের উচ্চ মূল্য এই উন্নতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এবারের তালিকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো শহরই শীর্ষ দশে জায়গা পায়নি। অন্যান্য প্রধান মুদ্রার তুলনায় মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে জুলিয়াস বেয়ার।

বিশ্বের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয়ের তালিকায় আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে সিঙ্গাপুর। টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিলাসী শহরের স্বীকৃতি ধরে রেখেছে দেশটি। আবাসন ও ব্যক্তিগত গাড়ির অত্যধিক মূল্য, পাশাপাশি শক্তিশালী সিঙ্গাপুরি ডলারের কারণে এই অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে শহরটি।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান জুলিয়াস বেয়ার গ্রুপ প্রকাশিত ২০২৬ সালের গ্লোবাল ওয়েলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল ইনডেক্সে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ শহরের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় বিশ্লেষণ করে এই সূচক প্রকাশ করা হয়।
এবারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। শক্তিশালী সুইস ফ্রাঁ এবং দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জুরিখকে তিন ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সুইস মুদ্রার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিও এই অগ্রগতির অন্যতম কারণ।
অন্যদিকে, ২০২০ সালে জরিপ চালু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিলাসী শহরের শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছে মোনাকো। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে হংকং এবং পঞ্চম অবস্থানে নেমে গেছে লন্ডন।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালেও বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চয়তায় ঘেরা। ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল দেশ ও শহরগুলো উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের কাছে আগের চেয়ে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।
এতে বলা হয়েছে, প্রতিবছরের মতো এবারও ২০টি বিলাসপণ্য ও সেবার মূল্য বিশ্লেষণ করে সূচকটি তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিলাসবহুল আবাসন, ব্যক্তিগত গাড়ি, বিজনেস ও ফার্স্ট ক্লাস বিমানভাড়া, আন্তর্জাতিক স্কুলের টিউশন ফি এবং উচ্চমানের রেস্তোরাঁয় ডিগাস্টেশন ডিনারের খরচ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ১০ লাখ মার্কিন ডলার বা তার বেশি বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের মালিক ৩৬০ জন ধনী ব্যক্তির সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই গবেষণা পরিচালিত হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরে উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় গড়ে ১০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে স্বর্নের দাম বৃদ্ধিতে গয়নার দাম বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং বিলাসবহুল ঘড়ির মূল্য বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিকে, গত বছর আলোচনায় থাকা দুবাই এবার নেমে এসেছে ১৪তম স্থানে। শহরটির ব্যয় কমেনি; বরং বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরে বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় আরও দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় দুবাইয়ের অবস্থান পিছিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, তথ্য সংগ্রহ শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ইসরায়েল–ইরান সংঘাত শুরুর আগে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। ফলে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা ভবিষ্যতে বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয়ের চিত্রে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের সূচকে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। শহরটি ছয় ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। শক্তিশালী অস্ট্রেলীয় ডলার এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে আমদানিনির্ভর বিলাসপণ্যের উচ্চ মূল্য এই উন্নতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এবারের তালিকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো শহরই শীর্ষ দশে জায়গা পায়নি। অন্যান্য প্রধান মুদ্রার তুলনায় মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে জুলিয়াস বেয়ার।

বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের শীর্ষে সিঙ্গাপুর
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয়ের তালিকায় আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে সিঙ্গাপুর। টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিলাসী শহরের স্বীকৃতি ধরে রেখেছে দেশটি। আবাসন ও ব্যক্তিগত গাড়ির অত্যধিক মূল্য, পাশাপাশি শক্তিশালী সিঙ্গাপুরি ডলারের কারণে এই অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে শহরটি।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান জুলিয়াস বেয়ার গ্রুপ প্রকাশিত ২০২৬ সালের গ্লোবাল ওয়েলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল ইনডেক্সে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ শহরের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় বিশ্লেষণ করে এই সূচক প্রকাশ করা হয়।
এবারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। শক্তিশালী সুইস ফ্রাঁ এবং দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জুরিখকে তিন ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সুইস মুদ্রার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিও এই অগ্রগতির অন্যতম কারণ।
অন্যদিকে, ২০২০ সালে জরিপ চালু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিলাসী শহরের শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছে মোনাকো। তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে হংকং এবং পঞ্চম অবস্থানে নেমে গেছে লন্ডন।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালেও বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চয়তায় ঘেরা। ফলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল দেশ ও শহরগুলো উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের কাছে আগের চেয়ে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।
এতে বলা হয়েছে, প্রতিবছরের মতো এবারও ২০টি বিলাসপণ্য ও সেবার মূল্য বিশ্লেষণ করে সূচকটি তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিলাসবহুল আবাসন, ব্যক্তিগত গাড়ি, বিজনেস ও ফার্স্ট ক্লাস বিমানভাড়া, আন্তর্জাতিক স্কুলের টিউশন ফি এবং উচ্চমানের রেস্তোরাঁয় ডিগাস্টেশন ডিনারের খরচ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ১০ লাখ মার্কিন ডলার বা তার বেশি বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের মালিক ৩৬০ জন ধনী ব্যক্তির সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই গবেষণা পরিচালিত হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরে উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিদের বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় গড়ে ১০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে স্বর্নের দাম বৃদ্ধিতে গয়নার দাম বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং বিলাসবহুল ঘড়ির মূল্য বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিকে, গত বছর আলোচনায় থাকা দুবাই এবার নেমে এসেছে ১৪তম স্থানে। শহরটির ব্যয় কমেনি; বরং বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরে বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয় আরও দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় দুবাইয়ের অবস্থান পিছিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, তথ্য সংগ্রহ শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ইসরায়েল–ইরান সংঘাত শুরুর আগে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। ফলে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা ভবিষ্যতে বিলাসী জীবনযাপনের ব্যয়ের চিত্রে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের সূচকে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। শহরটি ছয় ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। শক্তিশালী অস্ট্রেলীয় ডলার এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে আমদানিনির্ভর বিলাসপণ্যের উচ্চ মূল্য এই উন্নতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এবারের তালিকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো শহরই শীর্ষ দশে জায়গা পায়নি। অন্যান্য প্রধান মুদ্রার তুলনায় মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে জুলিয়াস বেয়ার।

সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে বিশেষ ছাড়


