লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় ভ্যান্সের কঠোর বার্তা

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় ভ্যান্সের কঠোর বার্তা
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত ইরান-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক মেনে চলার বিষয়ে ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রই দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী মিত্র।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ব্রিফিংয়ে ভ্যান্স বলেন, ‘আমি যদি ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার সদস্য হতাম, তাহলে অন্তত বিশ্বের যে একমাত্র শক্তিশালী মিত্রটি এখনও আমাদের পাশে আছে, তার সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর কথা ভাবতাম না।’
বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় চার মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, ভ্যান্সের বক্তব্য সেই টানাপোড়েনের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রকাশ।
ব্রিফিংয়ের বড় একটি অংশজুড়ে তিনি ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত নতুন সমঝোতার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। চুক্তিতে ইসরায়েল সরাসরি কোনো পক্ষ না হলেও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো লেবাননে সামরিক হামলা বন্ধ রাখা।
সমঝোতার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, যা দেশটির অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সম্মত হয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে না নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সমঝোতা স্মারকের লেবানন-সংক্রান্ত ধারাগুলো মেনে চলতে ইসরায়েল বাধ্য নয়।
সমঝোতা স্মারক সইয়ের মাধ্যমে ৬০ দিনের একটি আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আলোচনার সফল পরিণতি হলে ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের পথ তৈরি হতে পারে।
এদিকে সমঝোতা স্বাক্ষরের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ ও সমমনা গণমাধ্যমগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। কিছু সংবাদমাধ্যম ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের বিরুদ্ধে আর্থিক স্বার্থে ইসরায়েলের স্বার্থ বিসর্জনের অভিযোগও তুলেছে।
এসব সমালোচনার জবাবে ভ্যান্স বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এবং এর বড় অংশের ব্যয়ও বহন করেছে ওয়াশিংটন। তাঁর ভাষায়, ‘ইসরায়েলের বর্তমান সমস্যার কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প নন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাঁরা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টই তাঁদের সবচেয়ে বড় সমস্যা, তাঁদের বাস্তবতা অনুধাবন করা প্রয়োজন।’
ভ্যান্স জানান, ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের পাশাপাশি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তবে ইসরায়েলের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর আলোচনায় এমন কোনো উদ্বেগের কথা উঠে আসেনি, যা বর্তমান সমঝোতাকে অকার্যকর করে দিতে পারে।
ইরানের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জনের প্রাক্কালে বৈরুতে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলারও সমালোচনা করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, ওই হামলায় নিহত বহু মানুষের সঙ্গে হিজবুল্লাহর কোনো সম্পর্ক ছিল না, যদিও ইসরায়েল বলেছিল তারা সংগঠনটির অবস্থান লক্ষ্য করেই অভিযান চালিয়েছে।
ভ্যান্স বলেন, ‘ইসরায়েলের প্রতি আমাদের বার্তা স্পষ্ট। আমরা যেমন অন্যদের ক্ষেত্রেও বলছি, তেমনি চাই এই শান্তি উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট সবার জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনুক। আমরা চাই না হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালাক। কিন্তু তা নিশ্চিত করতে হলে এমন একটি আঞ্চলিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের সমর্থন কমিয়ে আনবে এবং একই সঙ্গে লেবাননের সার্বভৌমত্বের প্রতি সব পক্ষের সম্মান নিশ্চিত করবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত ইরান-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক মেনে চলার বিষয়ে ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রই দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী মিত্র।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ব্রিফিংয়ে ভ্যান্স বলেন, ‘আমি যদি ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার সদস্য হতাম, তাহলে অন্তত বিশ্বের যে একমাত্র শক্তিশালী মিত্রটি এখনও আমাদের পাশে আছে, তার সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর কথা ভাবতাম না।’
বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় চার মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, ভ্যান্সের বক্তব্য সেই টানাপোড়েনের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রকাশ।
ব্রিফিংয়ের বড় একটি অংশজুড়ে তিনি ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত নতুন সমঝোতার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। চুক্তিতে ইসরায়েল সরাসরি কোনো পক্ষ না হলেও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো লেবাননে সামরিক হামলা বন্ধ রাখা।
সমঝোতার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, যা দেশটির অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সম্মত হয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে না নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সমঝোতা স্মারকের লেবানন-সংক্রান্ত ধারাগুলো মেনে চলতে ইসরায়েল বাধ্য নয়।
সমঝোতা স্মারক সইয়ের মাধ্যমে ৬০ দিনের একটি আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আলোচনার সফল পরিণতি হলে ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের পথ তৈরি হতে পারে।
এদিকে সমঝোতা স্বাক্ষরের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ ও সমমনা গণমাধ্যমগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। কিছু সংবাদমাধ্যম ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের বিরুদ্ধে আর্থিক স্বার্থে ইসরায়েলের স্বার্থ বিসর্জনের অভিযোগও তুলেছে।
এসব সমালোচনার জবাবে ভ্যান্স বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এবং এর বড় অংশের ব্যয়ও বহন করেছে ওয়াশিংটন। তাঁর ভাষায়, ‘ইসরায়েলের বর্তমান সমস্যার কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প নন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাঁরা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টই তাঁদের সবচেয়ে বড় সমস্যা, তাঁদের বাস্তবতা অনুধাবন করা প্রয়োজন।’
ভ্যান্স জানান, ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের পাশাপাশি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তবে ইসরায়েলের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর আলোচনায় এমন কোনো উদ্বেগের কথা উঠে আসেনি, যা বর্তমান সমঝোতাকে অকার্যকর করে দিতে পারে।
ইরানের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জনের প্রাক্কালে বৈরুতে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলারও সমালোচনা করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, ওই হামলায় নিহত বহু মানুষের সঙ্গে হিজবুল্লাহর কোনো সম্পর্ক ছিল না, যদিও ইসরায়েল বলেছিল তারা সংগঠনটির অবস্থান লক্ষ্য করেই অভিযান চালিয়েছে।
ভ্যান্স বলেন, ‘ইসরায়েলের প্রতি আমাদের বার্তা স্পষ্ট। আমরা যেমন অন্যদের ক্ষেত্রেও বলছি, তেমনি চাই এই শান্তি উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট সবার জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনুক। আমরা চাই না হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালাক। কিন্তু তা নিশ্চিত করতে হলে এমন একটি আঞ্চলিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের সমর্থন কমিয়ে আনবে এবং একই সঙ্গে লেবাননের সার্বভৌমত্বের প্রতি সব পক্ষের সম্মান নিশ্চিত করবে।’

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় ভ্যান্সের কঠোর বার্তা
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত ইরান-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক মেনে চলার বিষয়ে ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রই দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী মিত্র।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ব্রিফিংয়ে ভ্যান্স বলেন, ‘আমি যদি ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার সদস্য হতাম, তাহলে অন্তত বিশ্বের যে একমাত্র শক্তিশালী মিত্রটি এখনও আমাদের পাশে আছে, তার সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর কথা ভাবতাম না।’
বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় চার মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর দুই দেশের নেতৃত্বের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, ভ্যান্সের বক্তব্য সেই টানাপোড়েনের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রকাশ।
ব্রিফিংয়ের বড় একটি অংশজুড়ে তিনি ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত নতুন সমঝোতার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। চুক্তিতে ইসরায়েল সরাসরি কোনো পক্ষ না হলেও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো লেবাননে সামরিক হামলা বন্ধ রাখা।
সমঝোতার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, যা দেশটির অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সম্মত হয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি এগিয়ে না নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সমঝোতা স্মারকের লেবানন-সংক্রান্ত ধারাগুলো মেনে চলতে ইসরায়েল বাধ্য নয়।
সমঝোতা স্মারক সইয়ের মাধ্যমে ৬০ দিনের একটি আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আলোচনার সফল পরিণতি হলে ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের পথ তৈরি হতে পারে।
এদিকে সমঝোতা স্বাক্ষরের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ ও সমমনা গণমাধ্যমগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। কিছু সংবাদমাধ্যম ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের বিরুদ্ধে আর্থিক স্বার্থে ইসরায়েলের স্বার্থ বিসর্জনের অভিযোগও তুলেছে।
এসব সমালোচনার জবাবে ভ্যান্স বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এবং এর বড় অংশের ব্যয়ও বহন করেছে ওয়াশিংটন। তাঁর ভাষায়, ‘ইসরায়েলের বর্তমান সমস্যার কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প নন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাঁরা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টই তাঁদের সবচেয়ে বড় সমস্যা, তাঁদের বাস্তবতা অনুধাবন করা প্রয়োজন।’
ভ্যান্স জানান, ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের পাশাপাশি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তবে ইসরায়েলের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর আলোচনায় এমন কোনো উদ্বেগের কথা উঠে আসেনি, যা বর্তমান সমঝোতাকে অকার্যকর করে দিতে পারে।
ইরানের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জনের প্রাক্কালে বৈরুতে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলারও সমালোচনা করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, ওই হামলায় নিহত বহু মানুষের সঙ্গে হিজবুল্লাহর কোনো সম্পর্ক ছিল না, যদিও ইসরায়েল বলেছিল তারা সংগঠনটির অবস্থান লক্ষ্য করেই অভিযান চালিয়েছে।
ভ্যান্স বলেন, ‘ইসরায়েলের প্রতি আমাদের বার্তা স্পষ্ট। আমরা যেমন অন্যদের ক্ষেত্রেও বলছি, তেমনি চাই এই শান্তি উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট সবার জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনুক। আমরা চাই না হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালাক। কিন্তু তা নিশ্চিত করতে হলে এমন একটি আঞ্চলিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের সমর্থন কমিয়ে আনবে এবং একই সঙ্গে লেবাননের সার্বভৌমত্বের প্রতি সব পক্ষের সম্মান নিশ্চিত করবে।’




