ধান শুকানোর সুযোগ পেয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা

ধান শুকানোর সুযোগ পেয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলে রোদ ওঠায় দম ফেলার ফুরসত নেই কৃষকদের। তাদের একটাই লক্ষ্য, আবার বৃষ্টি আসার আগে সব ধান শুকিয়ে ঘরে তুলতে হবে।
রবিবার (১০ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বড় হাওর সংলগ্ন ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার (আভুরা) সড়কে আবদুর রহিমের পরিবারকে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। শুধু আবদুর রহিমের পরিবারের সদস্যরা নন, অলওয়েদার সড়কের ৩০ কিলোমিটার জুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন হাওরের অন্য কৃষকরাও। তাদের কেউ ধান শুকাচ্ছেন, কেউ মাড়াই করছেন। আবার কেউ খড় শুকানোর কাজ করছেন।
আবদুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, বেশ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে খলাগুলোতেও পানি উঠে গেছে। তিন-চার দিন ধরে রোদ থাকলেও খলাগুলো এখনো ভেজা ও কর্দমাক্ত। এ কারণে সবাই ধান বাঁচাতে হাওরের অলওয়েদার সড়ককে বেছে নিয়েছেন। এ সড়ক নিয়ে যতই সমালোচনা থাকুক না কেন, এখন সড়কটিই হাওরপারের সব কৃষকের শেষ আশ্রয়স্থল।
সড়কের ওপর স্ত্রীকে নিয়ে ধান শুকাচ্ছেন কৃষক তাজউদ্দিন। তিনি বলেন, কখন আবার বৃষ্টি চলে আসে বলা যায় না। এই অল্প সময়ে ভেজা খলায় ধান শুকানো খুব কষ্টকর হতো।
কৃষক আসাদ মিয়া বলেন, গাড়ি চলাচলে কিছুটা বিড়ম্বনা হলেও এবার কেউ কিছু বলছেন না। চলাফেরায় একটু কষ্ট হলেও বিষয়টি সবাই মেনে নিয়েছেন।
কুলা দিয়ে ধান উড়াতে উড়াতে কিষানি রহিমা বেগম বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে চার দিন ধরে রইদ পাইতাছি। খলা ভিজে ফেক (কাদা) হইয়া গেছে। ধান শুহানোর জায়গা নাই। তাই ফথের মধ্যেই ধান শুকাইতেছি।’
ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের অলওয়েদার সড়কসহ করিমগঞ্জ, নিকলী ও বাজিতপুর এলাকা অংশ ঘুরে দেখা গেছে, রোদে পানি কমে ডুবে থাকা ধান ভেসে উঠেছে। শ্রমিকেরা জমি থেকে ধান কাটছেন। এ ছাড়া খলায় স্তূপ করে রাখা ধান কিষান-কিষানিরা রোদে নেড়ে দিচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কয়েক দিন ধরে টানা রোদ ওঠায় ও বৃষ্টি না হওয়ায় নদ-নদীর পানি অনেকটা কমে গেছে। পানিতে তলিয়ে যাওয়া অনেক ধানের জমিও ভেসে উঠেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আগে কৃষকরা যেন সব ধান কেটে ফেলেন, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত ৭৫ ভাগ ধান কাটা হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলে রোদ ওঠায় দম ফেলার ফুরসত নেই কৃষকদের। তাদের একটাই লক্ষ্য, আবার বৃষ্টি আসার আগে সব ধান শুকিয়ে ঘরে তুলতে হবে।
রবিবার (১০ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বড় হাওর সংলগ্ন ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার (আভুরা) সড়কে আবদুর রহিমের পরিবারকে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। শুধু আবদুর রহিমের পরিবারের সদস্যরা নন, অলওয়েদার সড়কের ৩০ কিলোমিটার জুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন হাওরের অন্য কৃষকরাও। তাদের কেউ ধান শুকাচ্ছেন, কেউ মাড়াই করছেন। আবার কেউ খড় শুকানোর কাজ করছেন।
আবদুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, বেশ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে খলাগুলোতেও পানি উঠে গেছে। তিন-চার দিন ধরে রোদ থাকলেও খলাগুলো এখনো ভেজা ও কর্দমাক্ত। এ কারণে সবাই ধান বাঁচাতে হাওরের অলওয়েদার সড়ককে বেছে নিয়েছেন। এ সড়ক নিয়ে যতই সমালোচনা থাকুক না কেন, এখন সড়কটিই হাওরপারের সব কৃষকের শেষ আশ্রয়স্থল।
সড়কের ওপর স্ত্রীকে নিয়ে ধান শুকাচ্ছেন কৃষক তাজউদ্দিন। তিনি বলেন, কখন আবার বৃষ্টি চলে আসে বলা যায় না। এই অল্প সময়ে ভেজা খলায় ধান শুকানো খুব কষ্টকর হতো।
কৃষক আসাদ মিয়া বলেন, গাড়ি চলাচলে কিছুটা বিড়ম্বনা হলেও এবার কেউ কিছু বলছেন না। চলাফেরায় একটু কষ্ট হলেও বিষয়টি সবাই মেনে নিয়েছেন।
কুলা দিয়ে ধান উড়াতে উড়াতে কিষানি রহিমা বেগম বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে চার দিন ধরে রইদ পাইতাছি। খলা ভিজে ফেক (কাদা) হইয়া গেছে। ধান শুহানোর জায়গা নাই। তাই ফথের মধ্যেই ধান শুকাইতেছি।’
ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের অলওয়েদার সড়কসহ করিমগঞ্জ, নিকলী ও বাজিতপুর এলাকা অংশ ঘুরে দেখা গেছে, রোদে পানি কমে ডুবে থাকা ধান ভেসে উঠেছে। শ্রমিকেরা জমি থেকে ধান কাটছেন। এ ছাড়া খলায় স্তূপ করে রাখা ধান কিষান-কিষানিরা রোদে নেড়ে দিচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কয়েক দিন ধরে টানা রোদ ওঠায় ও বৃষ্টি না হওয়ায় নদ-নদীর পানি অনেকটা কমে গেছে। পানিতে তলিয়ে যাওয়া অনেক ধানের জমিও ভেসে উঠেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আগে কৃষকরা যেন সব ধান কেটে ফেলেন, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত ৭৫ ভাগ ধান কাটা হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

ধান শুকানোর সুযোগ পেয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলে রোদ ওঠায় দম ফেলার ফুরসত নেই কৃষকদের। তাদের একটাই লক্ষ্য, আবার বৃষ্টি আসার আগে সব ধান শুকিয়ে ঘরে তুলতে হবে।
রবিবার (১০ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার বড় হাওর সংলগ্ন ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার (আভুরা) সড়কে আবদুর রহিমের পরিবারকে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। শুধু আবদুর রহিমের পরিবারের সদস্যরা নন, অলওয়েদার সড়কের ৩০ কিলোমিটার জুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন হাওরের অন্য কৃষকরাও। তাদের কেউ ধান শুকাচ্ছেন, কেউ মাড়াই করছেন। আবার কেউ খড় শুকানোর কাজ করছেন।
আবদুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, বেশ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে খলাগুলোতেও পানি উঠে গেছে। তিন-চার দিন ধরে রোদ থাকলেও খলাগুলো এখনো ভেজা ও কর্দমাক্ত। এ কারণে সবাই ধান বাঁচাতে হাওরের অলওয়েদার সড়ককে বেছে নিয়েছেন। এ সড়ক নিয়ে যতই সমালোচনা থাকুক না কেন, এখন সড়কটিই হাওরপারের সব কৃষকের শেষ আশ্রয়স্থল।
সড়কের ওপর স্ত্রীকে নিয়ে ধান শুকাচ্ছেন কৃষক তাজউদ্দিন। তিনি বলেন, কখন আবার বৃষ্টি চলে আসে বলা যায় না। এই অল্প সময়ে ভেজা খলায় ধান শুকানো খুব কষ্টকর হতো।
কৃষক আসাদ মিয়া বলেন, গাড়ি চলাচলে কিছুটা বিড়ম্বনা হলেও এবার কেউ কিছু বলছেন না। চলাফেরায় একটু কষ্ট হলেও বিষয়টি সবাই মেনে নিয়েছেন।
কুলা দিয়ে ধান উড়াতে উড়াতে কিষানি রহিমা বেগম বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে চার দিন ধরে রইদ পাইতাছি। খলা ভিজে ফেক (কাদা) হইয়া গেছে। ধান শুহানোর জায়গা নাই। তাই ফথের মধ্যেই ধান শুকাইতেছি।’
ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের অলওয়েদার সড়কসহ করিমগঞ্জ, নিকলী ও বাজিতপুর এলাকা অংশ ঘুরে দেখা গেছে, রোদে পানি কমে ডুবে থাকা ধান ভেসে উঠেছে। শ্রমিকেরা জমি থেকে ধান কাটছেন। এ ছাড়া খলায় স্তূপ করে রাখা ধান কিষান-কিষানিরা রোদে নেড়ে দিচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কয়েক দিন ধরে টানা রোদ ওঠায় ও বৃষ্টি না হওয়ায় নদ-নদীর পানি অনেকটা কমে গেছে। পানিতে তলিয়ে যাওয়া অনেক ধানের জমিও ভেসে উঠেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আগে কৃষকরা যেন সব ধান কেটে ফেলেন, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত ৭৫ ভাগ ধান কাটা হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।




