ডেঙ্গু টেস্টে ছাড়, চিকিৎসকদের ফি না নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ডেঙ্গু টেস্টে ছাড়, চিকিৎসকদের ফি না নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

গত মার্চ থেকে দেশে প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গু ও এর উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এমতাবস্থায় ডেঙ্গু চিকিৎসা ব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ সিট ফাঁকা রাখা এবং টেস্টে ৮০ শতাংশ ছাড়ের নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একইসঙ্গে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্যাথলজি, বেসরকারি হাসপাতাল, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে ডেঙ্গু মোকাবেলার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালে ১০ শতাংশ বেড ফাঁকা রাখতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গুর টেস্টে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। রোগীর পরিবার শুধু ওষুধ ও খাবারের খরচ বহন করবে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে।
এ সময় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনায় ওষুধ প্রয়োগে যথাযথ নিয়ম অনুসরণের নির্দেশনাও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
বর্তমানে ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন আন্তর্জাতিকভাবে সার্বজনীন স্বীকৃতি পায়নি বলে জানান সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ কারণে দেশে এখনই ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন কার্যক্রম চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারো বাসার ছাদ বা আশপাশ অপরিচ্ছন্ন থাকলে এবং সেখানে মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।

গত মার্চ থেকে দেশে প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গু ও এর উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এমতাবস্থায় ডেঙ্গু চিকিৎসা ব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ সিট ফাঁকা রাখা এবং টেস্টে ৮০ শতাংশ ছাড়ের নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একইসঙ্গে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্যাথলজি, বেসরকারি হাসপাতাল, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে ডেঙ্গু মোকাবেলার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালে ১০ শতাংশ বেড ফাঁকা রাখতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গুর টেস্টে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। রোগীর পরিবার শুধু ওষুধ ও খাবারের খরচ বহন করবে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে।
এ সময় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনায় ওষুধ প্রয়োগে যথাযথ নিয়ম অনুসরণের নির্দেশনাও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
বর্তমানে ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন আন্তর্জাতিকভাবে সার্বজনীন স্বীকৃতি পায়নি বলে জানান সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ কারণে দেশে এখনই ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন কার্যক্রম চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারো বাসার ছাদ বা আশপাশ অপরিচ্ছন্ন থাকলে এবং সেখানে মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।

ডেঙ্গু টেস্টে ছাড়, চিকিৎসকদের ফি না নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

গত মার্চ থেকে দেশে প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গু ও এর উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এমতাবস্থায় ডেঙ্গু চিকিৎসা ব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ সিট ফাঁকা রাখা এবং টেস্টে ৮০ শতাংশ ছাড়ের নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একইসঙ্গে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্যাথলজি, বেসরকারি হাসপাতাল, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে ডেঙ্গু মোকাবেলার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালে ১০ শতাংশ বেড ফাঁকা রাখতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গুর টেস্টে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। রোগীর পরিবার শুধু ওষুধ ও খাবারের খরচ বহন করবে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে।
এ সময় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনায় ওষুধ প্রয়োগে যথাযথ নিয়ম অনুসরণের নির্দেশনাও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
বর্তমানে ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন আন্তর্জাতিকভাবে সার্বজনীন স্বীকৃতি পায়নি বলে জানান সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ কারণে দেশে এখনই ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন কার্যক্রম চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে কঠোরভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারো বাসার ছাদ বা আশপাশ অপরিচ্ছন্ন থাকলে এবং সেখানে মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

