তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একইসঙ্গে এসব পণ্য ক্রয় বা গ্রহণ না করার জন্য ভোক্তাদেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এ আদেশ জারি করে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইষ্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ -এই তিনটি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে ল্যাব পরীক্ষায় উল্লিখিত তিনটি পণ্যে ক্ষতিকর মাত্রায় অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশে খাদ্য বিক্রি, প্রক্রিয়াজাত করা ও উৎপাদনের জন্য, খাদ্যের মান সংক্রান্ত আলাদা কোনো লাইসেন্স নিতে হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে এটা একটা বড় বাধা।
নিরাপদ খাদ্য কতৃর্পক্ষের সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম বলেন, দেশের খাদ্য বিক্রয়, প্রক্রিয়াজাত ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা শুরুর জন্য আলাদা কোনো লাইসেন্স নিতে হয় না। তাই খাবারে ক্ষতিকর উপাদান দেওয়া থামানো যাচ্ছে না।
নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ করে ৩৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ আছে, এদের মধ্যে তেমন কোনো সমন্বয় নেই।

মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একইসঙ্গে এসব পণ্য ক্রয় বা গ্রহণ না করার জন্য ভোক্তাদেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এ আদেশ জারি করে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইষ্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ -এই তিনটি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে ল্যাব পরীক্ষায় উল্লিখিত তিনটি পণ্যে ক্ষতিকর মাত্রায় অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশে খাদ্য বিক্রি, প্রক্রিয়াজাত করা ও উৎপাদনের জন্য, খাদ্যের মান সংক্রান্ত আলাদা কোনো লাইসেন্স নিতে হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে এটা একটা বড় বাধা।
নিরাপদ খাদ্য কতৃর্পক্ষের সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম বলেন, দেশের খাদ্য বিক্রয়, প্রক্রিয়াজাত ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা শুরুর জন্য আলাদা কোনো লাইসেন্স নিতে হয় না। তাই খাবারে ক্ষতিকর উপাদান দেওয়া থামানো যাচ্ছে না।
নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ করে ৩৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ আছে, এদের মধ্যে তেমন কোনো সমন্বয় নেই।

তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একইসঙ্গে এসব পণ্য ক্রয় বা গ্রহণ না করার জন্য ভোক্তাদেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এ আদেশ জারি করে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইষ্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ -এই তিনটি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে ল্যাব পরীক্ষায় উল্লিখিত তিনটি পণ্যে ক্ষতিকর মাত্রায় অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশে খাদ্য বিক্রি, প্রক্রিয়াজাত করা ও উৎপাদনের জন্য, খাদ্যের মান সংক্রান্ত আলাদা কোনো লাইসেন্স নিতে হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে এটা একটা বড় বাধা।
নিরাপদ খাদ্য কতৃর্পক্ষের সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম বলেন, দেশের খাদ্য বিক্রয়, প্রক্রিয়াজাত ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা শুরুর জন্য আলাদা কোনো লাইসেন্স নিতে হয় না। তাই খাবারে ক্ষতিকর উপাদান দেওয়া থামানো যাচ্ছে না।
নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ করে ৩৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ আছে, এদের মধ্যে তেমন কোনো সমন্বয় নেই।









