গরমে দই খেলে কী হতে পারে জেনে নিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

গরমে দই খেলে কী হতে পারে জেনে নিন
সাবিকুন নাহার রিংকি
প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ২৩

দই । ছবি : সংগৃহীত
গরমের সময়ে খাদ্যাভ্যাসে একটু সতর্ক না হলে সহজেই নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রচণ্ড রোদ ও উচ্চ তাপমাত্রার কারণে হজমের গোলমাল, পেট খারাপ বা দুর্বলতা খুব সাধারণ বিষয়। তাই এ সময় এমন খাবার খাওয়া উচিত যা শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পেটের স্বাস্থ্যেরও যত্ন নেয়। এই দিক থেকে দই একটি অত্যন্ত উপকারী খাবার।
দই মূলত একটি দুগ্ধজাত খাদ্য, যা উপকারী ব্যাকটেরিয়া যেমন ল্যাকটোব্যাসিলাস বুলগারিকাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস থার্মোফিলাসের মাধ্যমে তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় দুধ রূপ নেয় একটি পুষ্টিকর, হালকা টক স্বাদের ক্রিমি খাদ্যে, যা প্রোবায়োটিক, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজে সমৃদ্ধ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
বিশেষজ্ঞদের মতে, দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সহায়তা করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় রাখে। ফলে সংক্রমণ ও বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে শরীর সহজেই লড়াই করতে পারে। নিয়মিত দই খেলে ইমিউনিটি শক্তিশালী হয়।
প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের উৎস
দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন বি-১২ থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দই থাকলে শরীর সহজেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে যায়। এক কাপ দইয়ে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড় ও দাঁতের জন্য বিশেষ উপকারী।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
দইয়ের প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরে কার্বোহাইড্রেট হজমের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না। এ কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য দই একটি ভালো খাদ্য হতে পারে।
তাপপ্রবাহ ও পানিশূন্যতা প্রতিরোধ
গরমে শরীর দ্রুত পানি হারায়, যা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায়। দইয়ে থাকা পানির পরিমাণ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর, ফলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
দই খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য এটি একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প। একই সঙ্গে এটি শরীরকে হালকা ও সতেজ রাখে।
গরমের দিনে সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দই যোগ করা একটি সহজ কিন্তু কার্যকর অভ্যাস হতে পারে। এটি যেমন পেট ভালো রাখে, তেমনি শরীরকে ঠান্ডা ও শক্তিশালী রাখতেও সাহায্য করে।

গরমের সময়ে খাদ্যাভ্যাসে একটু সতর্ক না হলে সহজেই নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রচণ্ড রোদ ও উচ্চ তাপমাত্রার কারণে হজমের গোলমাল, পেট খারাপ বা দুর্বলতা খুব সাধারণ বিষয়। তাই এ সময় এমন খাবার খাওয়া উচিত যা শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পেটের স্বাস্থ্যেরও যত্ন নেয়। এই দিক থেকে দই একটি অত্যন্ত উপকারী খাবার।
দই মূলত একটি দুগ্ধজাত খাদ্য, যা উপকারী ব্যাকটেরিয়া যেমন ল্যাকটোব্যাসিলাস বুলগারিকাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস থার্মোফিলাসের মাধ্যমে তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় দুধ রূপ নেয় একটি পুষ্টিকর, হালকা টক স্বাদের ক্রিমি খাদ্যে, যা প্রোবায়োটিক, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজে সমৃদ্ধ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
বিশেষজ্ঞদের মতে, দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সহায়তা করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় রাখে। ফলে সংক্রমণ ও বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে শরীর সহজেই লড়াই করতে পারে। নিয়মিত দই খেলে ইমিউনিটি শক্তিশালী হয়।
প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের উৎস
দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন বি-১২ থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দই থাকলে শরীর সহজেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে যায়। এক কাপ দইয়ে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড় ও দাঁতের জন্য বিশেষ উপকারী।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
দইয়ের প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরে কার্বোহাইড্রেট হজমের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না। এ কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য দই একটি ভালো খাদ্য হতে পারে।
তাপপ্রবাহ ও পানিশূন্যতা প্রতিরোধ
গরমে শরীর দ্রুত পানি হারায়, যা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায়। দইয়ে থাকা পানির পরিমাণ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর, ফলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
দই খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য এটি একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প। একই সঙ্গে এটি শরীরকে হালকা ও সতেজ রাখে।
গরমের দিনে সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দই যোগ করা একটি সহজ কিন্তু কার্যকর অভ্যাস হতে পারে। এটি যেমন পেট ভালো রাখে, তেমনি শরীরকে ঠান্ডা ও শক্তিশালী রাখতেও সাহায্য করে।

গরমে দই খেলে কী হতে পারে জেনে নিন
সাবিকুন নাহার রিংকি
প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ২৩

দই । ছবি : সংগৃহীত
গরমের সময়ে খাদ্যাভ্যাসে একটু সতর্ক না হলে সহজেই নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রচণ্ড রোদ ও উচ্চ তাপমাত্রার কারণে হজমের গোলমাল, পেট খারাপ বা দুর্বলতা খুব সাধারণ বিষয়। তাই এ সময় এমন খাবার খাওয়া উচিত যা শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পেটের স্বাস্থ্যেরও যত্ন নেয়। এই দিক থেকে দই একটি অত্যন্ত উপকারী খাবার।
দই মূলত একটি দুগ্ধজাত খাদ্য, যা উপকারী ব্যাকটেরিয়া যেমন ল্যাকটোব্যাসিলাস বুলগারিকাস এবং স্ট্রেপ্টোকক্কাস থার্মোফিলাসের মাধ্যমে তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় দুধ রূপ নেয় একটি পুষ্টিকর, হালকা টক স্বাদের ক্রিমি খাদ্যে, যা প্রোবায়োটিক, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজে সমৃদ্ধ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
বিশেষজ্ঞদের মতে, দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সহায়তা করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় রাখে। ফলে সংক্রমণ ও বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে শরীর সহজেই লড়াই করতে পারে। নিয়মিত দই খেলে ইমিউনিটি শক্তিশালী হয়।
প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের উৎস
দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন বি-১২ থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দই থাকলে শরীর সহজেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে যায়। এক কাপ দইয়ে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড় ও দাঁতের জন্য বিশেষ উপকারী।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
দইয়ের প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরে কার্বোহাইড্রেট হজমের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না। এ কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য দই একটি ভালো খাদ্য হতে পারে।
তাপপ্রবাহ ও পানিশূন্যতা প্রতিরোধ
গরমে শরীর দ্রুত পানি হারায়, যা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায়। দইয়ে থাকা পানির পরিমাণ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর, ফলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
দই খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য এটি একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প। একই সঙ্গে এটি শরীরকে হালকা ও সতেজ রাখে।
গরমের দিনে সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দই যোগ করা একটি সহজ কিন্তু কার্যকর অভ্যাস হতে পারে। এটি যেমন পেট ভালো রাখে, তেমনি শরীরকে ঠান্ডা ও শক্তিশালী রাখতেও সাহায্য করে।
/এসএনআর/




