‘পাতলী খাল পুনর্খননে উপকৃত হবে ৪০ হাজার মানুষ’

‘পাতলী খাল পুনর্খননে উপকৃত হবে ৪০ হাজার মানুষ’
কক্সবাজার প্রতিনিধি

পাতলী খাল পুনর্খননের মাধ্যমে উপকৃত হবে এলাকার ৪০ হাজার মানুষ। প্রায় ১২শ হেক্টর জমিতে পানির সুবিধা মিলবে। এর ফলে ১২শ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য বেশি উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পাতলী খাল পুনর্খনন কাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে প্রধানমন্ত্রী পাতলী খাল পুনর্খনন কার্যক্রমের সূচনা করেন। পরে খাল পাড়ে তিনি একটি কাঠ বাদামের চারা রোপণ করেন।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে বেসরকারি বিমান ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের উদ্দেশে রওনা হন। এসময় রাস্তার দুই পাশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানান।
১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেন। ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে তিনি পিএমখালীর এই পাতলী খাল খননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই সময়ে জিয়াউর রহমান খালপাড়ে একটি খেজুর গাছ রোপণ করেন, যা কালের সাক্ষী হয়ে এখনো বেঁচে আছে।

পাতলী খাল পুনর্খননের মাধ্যমে উপকৃত হবে এলাকার ৪০ হাজার মানুষ। প্রায় ১২শ হেক্টর জমিতে পানির সুবিধা মিলবে। এর ফলে ১২শ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য বেশি উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পাতলী খাল পুনর্খনন কাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে প্রধানমন্ত্রী পাতলী খাল পুনর্খনন কার্যক্রমের সূচনা করেন। পরে খাল পাড়ে তিনি একটি কাঠ বাদামের চারা রোপণ করেন।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে বেসরকারি বিমান ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের উদ্দেশে রওনা হন। এসময় রাস্তার দুই পাশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানান।
১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেন। ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে তিনি পিএমখালীর এই পাতলী খাল খননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই সময়ে জিয়াউর রহমান খালপাড়ে একটি খেজুর গাছ রোপণ করেন, যা কালের সাক্ষী হয়ে এখনো বেঁচে আছে।

‘পাতলী খাল পুনর্খননে উপকৃত হবে ৪০ হাজার মানুষ’
কক্সবাজার প্রতিনিধি

পাতলী খাল পুনর্খননের মাধ্যমে উপকৃত হবে এলাকার ৪০ হাজার মানুষ। প্রায় ১২শ হেক্টর জমিতে পানির সুবিধা মিলবে। এর ফলে ১২শ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য বেশি উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পাতলী খাল পুনর্খনন কাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে প্রধানমন্ত্রী পাতলী খাল পুনর্খনন কার্যক্রমের সূচনা করেন। পরে খাল পাড়ে তিনি একটি কাঠ বাদামের চারা রোপণ করেন।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে বেসরকারি বিমান ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের উদ্দেশে রওনা হন। এসময় রাস্তার দুই পাশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানান।
১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেন। ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে তিনি পিএমখালীর এই পাতলী খাল খননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই সময়ে জিয়াউর রহমান খালপাড়ে একটি খেজুর গাছ রোপণ করেন, যা কালের সাক্ষী হয়ে এখনো বেঁচে আছে।

কক্সবাজার পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

