এআইকে যে ৫ তথ্য কখনও জানাবেন না

এআইকে যে ৫ তথ্য কখনও জানাবেন না
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবট এখন অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তথ্য খোঁজা থেকে শুরু করে নানা কাজের পরামর্শ নিতে চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনির মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন কোটি কোটি মানুষ। তবে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহারকারীরা চ্যাটবটে যে তথ্য দেন, সেগুলো সাধারণত প্ল্যাটফর্মের সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। পরবর্তী সময়ে প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব অ্যালগরিদম উন্নয়ন ও মডেল প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয়। ফলে কোনো কারণে ডেটা ফাঁস বা সাইবার হামলার ঘটনা ঘটলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
এ কারণে কয়েক ধরনের সংবেদনশীল তথ্য কখনোই এআই চ্যাটবটে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।
পাসওয়ার্ড ও ওটিপি
ব্যাংক হিসাব, ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাসওয়ার্ড, ওটিপি কিংবা গোপন পিন নম্বর কখনোই চ্যাটবটে লেখা উচিত নয়। এসব তথ্য প্রকাশ পেলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া বা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
ব্যাংক ও কার্ডের তথ্য
অনেকে আর্থিক পরিকল্পনা বা বাজেট তৈরিতে এআইয়ের সহায়তা নেন। তবে ব্যাংক হিসাব নম্বর, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত নথি শেয়ার করা নিরাপদ নয় বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
অফিসের গোপন নথি
কাজের সুবিধার জন্য অনেকেই অফিসের গোপন নথি বা সফটওয়্যারের সোর্স কোড এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক তথ্য ও গোপনীয়তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে বিশ্বের বেশ কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্য এ ধরনের তথ্য চ্যাটবটে ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র ও মেডিকেল তথ্য
জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ব্যক্তিগত ছবি কিংবা চিকিৎসা-সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্যও এআই প্ল্যাটফর্মে দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য ব্যবহার করে ডিজিটাল দুনিয়ায় ‘পরিচয় চুরি’ বা জালিয়াতির আশঙ্কা থাকে।
ব্যক্তিগত ও আইনি বিষয়
পারিবারিক সমস্যা, মানসিক অবসাদ, আইনি জটিলতা বা ব্যক্তিগত জীবনের স্পর্শকাতর তথ্য নিজের পরিচয়সহ চ্যাটবটে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা। কারণ, অনেক সময় এআই ডেটা রিভিউ করার জন্য পর্দার আড়ালে থাকা মানুষের সাহায্য নেওয়া হয়, ফলে আপনার গোপন কথা অন্য মানুষের নজরে চলে আসতে পারে।
যে নিয়ম মানতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা
এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সহজ নিয়ম অনুসরণ করতে বলছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা– ‘যে তথ্য কোনো অপরিচিত ব্যক্তিকে বলবেন না, সেই তথ্য এআই চ্যাটবটকেও জানাবেন না।’
পাশাপাশি এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের আগে তথ্যের গোপনীয়তা বা প্রাইভেসি সেটিংস পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চ্যাট হিস্ট্রি যেন এআই-এর প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত না হতে পারে, সেই অপশনটি বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবট এখন অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তথ্য খোঁজা থেকে শুরু করে নানা কাজের পরামর্শ নিতে চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনির মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন কোটি কোটি মানুষ। তবে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহারকারীরা চ্যাটবটে যে তথ্য দেন, সেগুলো সাধারণত প্ল্যাটফর্মের সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। পরবর্তী সময়ে প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব অ্যালগরিদম উন্নয়ন ও মডেল প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয়। ফলে কোনো কারণে ডেটা ফাঁস বা সাইবার হামলার ঘটনা ঘটলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
এ কারণে কয়েক ধরনের সংবেদনশীল তথ্য কখনোই এআই চ্যাটবটে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।
পাসওয়ার্ড ও ওটিপি
ব্যাংক হিসাব, ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাসওয়ার্ড, ওটিপি কিংবা গোপন পিন নম্বর কখনোই চ্যাটবটে লেখা উচিত নয়। এসব তথ্য প্রকাশ পেলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া বা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
ব্যাংক ও কার্ডের তথ্য
অনেকে আর্থিক পরিকল্পনা বা বাজেট তৈরিতে এআইয়ের সহায়তা নেন। তবে ব্যাংক হিসাব নম্বর, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত নথি শেয়ার করা নিরাপদ নয় বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
অফিসের গোপন নথি
কাজের সুবিধার জন্য অনেকেই অফিসের গোপন নথি বা সফটওয়্যারের সোর্স কোড এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক তথ্য ও গোপনীয়তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে বিশ্বের বেশ কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্য এ ধরনের তথ্য চ্যাটবটে ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র ও মেডিকেল তথ্য
জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ব্যক্তিগত ছবি কিংবা চিকিৎসা-সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্যও এআই প্ল্যাটফর্মে দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য ব্যবহার করে ডিজিটাল দুনিয়ায় ‘পরিচয় চুরি’ বা জালিয়াতির আশঙ্কা থাকে।
ব্যক্তিগত ও আইনি বিষয়
পারিবারিক সমস্যা, মানসিক অবসাদ, আইনি জটিলতা বা ব্যক্তিগত জীবনের স্পর্শকাতর তথ্য নিজের পরিচয়সহ চ্যাটবটে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা। কারণ, অনেক সময় এআই ডেটা রিভিউ করার জন্য পর্দার আড়ালে থাকা মানুষের সাহায্য নেওয়া হয়, ফলে আপনার গোপন কথা অন্য মানুষের নজরে চলে আসতে পারে।
যে নিয়ম মানতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা
এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সহজ নিয়ম অনুসরণ করতে বলছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা– ‘যে তথ্য কোনো অপরিচিত ব্যক্তিকে বলবেন না, সেই তথ্য এআই চ্যাটবটকেও জানাবেন না।’
পাশাপাশি এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের আগে তথ্যের গোপনীয়তা বা প্রাইভেসি সেটিংস পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চ্যাট হিস্ট্রি যেন এআই-এর প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত না হতে পারে, সেই অপশনটি বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এআইকে যে ৫ তথ্য কখনও জানাবেন না
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবট এখন অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তথ্য খোঁজা থেকে শুরু করে নানা কাজের পরামর্শ নিতে চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনির মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন কোটি কোটি মানুষ। তবে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহারকারীরা চ্যাটবটে যে তথ্য দেন, সেগুলো সাধারণত প্ল্যাটফর্মের সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। পরবর্তী সময়ে প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব অ্যালগরিদম উন্নয়ন ও মডেল প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয়। ফলে কোনো কারণে ডেটা ফাঁস বা সাইবার হামলার ঘটনা ঘটলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
এ কারণে কয়েক ধরনের সংবেদনশীল তথ্য কখনোই এআই চ্যাটবটে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।
পাসওয়ার্ড ও ওটিপি
ব্যাংক হিসাব, ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাসওয়ার্ড, ওটিপি কিংবা গোপন পিন নম্বর কখনোই চ্যাটবটে লেখা উচিত নয়। এসব তথ্য প্রকাশ পেলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া বা আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
ব্যাংক ও কার্ডের তথ্য
অনেকে আর্থিক পরিকল্পনা বা বাজেট তৈরিতে এআইয়ের সহায়তা নেন। তবে ব্যাংক হিসাব নম্বর, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত নথি শেয়ার করা নিরাপদ নয় বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
অফিসের গোপন নথি
কাজের সুবিধার জন্য অনেকেই অফিসের গোপন নথি বা সফটওয়্যারের সোর্স কোড এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক তথ্য ও গোপনীয়তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে বিশ্বের বেশ কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্য এ ধরনের তথ্য চ্যাটবটে ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র ও মেডিকেল তথ্য
জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ব্যক্তিগত ছবি কিংবা চিকিৎসা-সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্যও এআই প্ল্যাটফর্মে দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য ব্যবহার করে ডিজিটাল দুনিয়ায় ‘পরিচয় চুরি’ বা জালিয়াতির আশঙ্কা থাকে।
ব্যক্তিগত ও আইনি বিষয়
পারিবারিক সমস্যা, মানসিক অবসাদ, আইনি জটিলতা বা ব্যক্তিগত জীবনের স্পর্শকাতর তথ্য নিজের পরিচয়সহ চ্যাটবটে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা। কারণ, অনেক সময় এআই ডেটা রিভিউ করার জন্য পর্দার আড়ালে থাকা মানুষের সাহায্য নেওয়া হয়, ফলে আপনার গোপন কথা অন্য মানুষের নজরে চলে আসতে পারে।
যে নিয়ম মানতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা
এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সহজ নিয়ম অনুসরণ করতে বলছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা– ‘যে তথ্য কোনো অপরিচিত ব্যক্তিকে বলবেন না, সেই তথ্য এআই চ্যাটবটকেও জানাবেন না।’
পাশাপাশি এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের আগে তথ্যের গোপনীয়তা বা প্রাইভেসি সেটিংস পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চ্যাট হিস্ট্রি যেন এআই-এর প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত না হতে পারে, সেই অপশনটি বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এআই কি সব সময় সঠিক তথ্য দেয়


