সাম্প্রতিক হামলা ইরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করেছে: যুক্তরাষ্ট্র

সাম্প্রতিক হামলা ইরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করেছে: যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান। হোয়াইট হাউস জোর দিয়ে বলেছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলা ইরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করিয়েছে।
যদিও চুক্তিটি কয়েক সপ্তাহ আগে প্রস্তাবিত চুক্তির মতোই। তবে এতে নতুন করে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তার উদ্দেশ্য চুক্তির স্বচ্ছতা আনা এবং কোনো অস্পষ্টতা না রাখা।
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা এবং ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, এই আলোচনাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে টানা দুই রাত হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম রাতের হামলাকে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার জবাবের প্রতিক্রিয়া বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল।
আর দ্বিতীয় রাতের হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে আলোচনায় বসানো এবং প্রস্তাবিত চুক্তিটি মেনে নিতে বাধ্য করানো।
হোয়াইট হাউসের ধারণা, ইরান দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রদর্শনই শেষ পর্যন্ত তেহরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করেছে।
যদিও চুক্তির চূড়ান্ত বিবরণ, যেমন এটি কোথায় ও কখন স্বাক্ষরিত হবে- এসব বিষয়ে এখনও ঘোষণা আসেনি। ফলে সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে কিনা তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান। হোয়াইট হাউস জোর দিয়ে বলেছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলা ইরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করিয়েছে।
যদিও চুক্তিটি কয়েক সপ্তাহ আগে প্রস্তাবিত চুক্তির মতোই। তবে এতে নতুন করে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তার উদ্দেশ্য চুক্তির স্বচ্ছতা আনা এবং কোনো অস্পষ্টতা না রাখা।
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা এবং ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, এই আলোচনাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে টানা দুই রাত হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম রাতের হামলাকে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার জবাবের প্রতিক্রিয়া বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল।
আর দ্বিতীয় রাতের হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে আলোচনায় বসানো এবং প্রস্তাবিত চুক্তিটি মেনে নিতে বাধ্য করানো।
হোয়াইট হাউসের ধারণা, ইরান দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রদর্শনই শেষ পর্যন্ত তেহরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করেছে।
যদিও চুক্তির চূড়ান্ত বিবরণ, যেমন এটি কোথায় ও কখন স্বাক্ষরিত হবে- এসব বিষয়ে এখনও ঘোষণা আসেনি। ফলে সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে কিনা তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

সাম্প্রতিক হামলা ইরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করেছে: যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান। হোয়াইট হাউস জোর দিয়ে বলেছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলা ইরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করিয়েছে।
যদিও চুক্তিটি কয়েক সপ্তাহ আগে প্রস্তাবিত চুক্তির মতোই। তবে এতে নতুন করে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তার উদ্দেশ্য চুক্তির স্বচ্ছতা আনা এবং কোনো অস্পষ্টতা না রাখা।
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা এবং ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, এই আলোচনাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে টানা দুই রাত হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম রাতের হামলাকে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার জবাবের প্রতিক্রিয়া বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল।
আর দ্বিতীয় রাতের হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে আলোচনায় বসানো এবং প্রস্তাবিত চুক্তিটি মেনে নিতে বাধ্য করানো।
হোয়াইট হাউসের ধারণা, ইরান দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রদর্শনই শেষ পর্যন্ত তেহরানকে চুক্তিতে আসতে বাধ্য করেছে।
যদিও চুক্তির চূড়ান্ত বিবরণ, যেমন এটি কোথায় ও কখন স্বাক্ষরিত হবে- এসব বিষয়ে এখনও ঘোষণা আসেনি। ফলে সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে কিনা তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

