গরমে ত্বকে ঘামাচি সমস্যার কারণ ও ঘরোয়া সমাধান
নিজস্ব প্রতিবেদক

গরমে ত্বকে ঘামাচি সমস্যার কারণ ও ঘরোয়া সমাধান
সাবিকুন নাহার রিংকি
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ০৬

ঘামাচি হলে অযথা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। ছবি : সংগৃহীত
গ্রীষ্ম এলেই তাপমাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে আর্দ্রতা। এ সময় বাইরের পরিবেশ যেমন উত্তপ্ত থাকে, তেমনি শরীরও অতিরিক্ত ঘামে ভিজে যায়। ফলে ত্বকে দেখা দেয় নানা সমস্যা ঘামাচি, র্যাশ, চুলকানি ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ। প্রখর রোদ যেমন নতুন ত্বকের রোগ সৃষ্টি করে, তেমনি আগে থেকে থাকা সমস্যাগুলোকেও আরও তীব্র করে তোলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘামের কারণে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে গেলে ঘাম বাইরে বের হতে পারে না। তখন তা ত্বকের নিচে জমে গিয়ে ছোট ছোট লালচে ফুসকুড়ি তৈরি করে, যা আমরা ঘামাচি বা ‘প্রিকলি হিট’ নামে চিনি। এই সমস্যাটি শিশু থেকে বয়স্ক সবার মধ্যেই দেখা যায়। অনেক সময় জামাকাপড়ের ঘর্ষণ বা অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়।তবে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
প্রথমত, ত্বক সবসময় পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। দিনে অন্তত দুইবার সকালে ও রাতে ত্বক ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। বাইরে না গেলেও ঘাম ও ধুলাবালি জমে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।
ঠান্ডা সেঁক ঘামাচি কমাতে বেশ কার্যকর। পরিষ্কার কাপড়ে বরফ বেঁধে আক্রান্ত স্থানে ১০-১৫ মিনিট ধরে আলতোভাবে লাগালে আরাম পাওয়া যায়। এতে চুলকানি কমে এবং নতুন করে ঘাম জমা হওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়।
গরমকালে হালকা ও ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা উচিত। এতে ত্বকের সঙ্গে কাপড়ের ঘর্ষণ কম হয় এবং ঘাম সহজে শুকিয়ে যায়, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
ঘামাচি হলে অযথা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে ত্বকে সংক্রমণ বাড়তে পারে। অ্যালোভেরা জেল, নিমপাতার রস বা লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে লাগালে চুলকানি কমে এবং ত্বক শীতল থাকে।
অনেকেই ঘামাচিতে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন, যা সবসময় উপকারী নয়। বরং এটি রোমকূপ বন্ধ করে সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে। এর পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই ভালো।
এছাড়া প্রচুর পানি পান করা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে এবং ত্বকের সুস্থতায় সাহায্য করে। বেকিং সোডা মিশ্রিত পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান আলতোভাবে পরিষ্কার করলেও উপকার পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে, গরমের এই মৌসুমে সামান্য সচেতনতা ও নিয়মিত যত্নই ত্বককে নানা ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারে।

গ্রীষ্ম এলেই তাপমাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে আর্দ্রতা। এ সময় বাইরের পরিবেশ যেমন উত্তপ্ত থাকে, তেমনি শরীরও অতিরিক্ত ঘামে ভিজে যায়। ফলে ত্বকে দেখা দেয় নানা সমস্যা ঘামাচি, র্যাশ, চুলকানি ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ। প্রখর রোদ যেমন নতুন ত্বকের রোগ সৃষ্টি করে, তেমনি আগে থেকে থাকা সমস্যাগুলোকেও আরও তীব্র করে তোলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘামের কারণে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে গেলে ঘাম বাইরে বের হতে পারে না। তখন তা ত্বকের নিচে জমে গিয়ে ছোট ছোট লালচে ফুসকুড়ি তৈরি করে, যা আমরা ঘামাচি বা ‘প্রিকলি হিট’ নামে চিনি। এই সমস্যাটি শিশু থেকে বয়স্ক সবার মধ্যেই দেখা যায়। অনেক সময় জামাকাপড়ের ঘর্ষণ বা অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়।তবে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
প্রথমত, ত্বক সবসময় পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। দিনে অন্তত দুইবার সকালে ও রাতে ত্বক ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। বাইরে না গেলেও ঘাম ও ধুলাবালি জমে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।
ঠান্ডা সেঁক ঘামাচি কমাতে বেশ কার্যকর। পরিষ্কার কাপড়ে বরফ বেঁধে আক্রান্ত স্থানে ১০-১৫ মিনিট ধরে আলতোভাবে লাগালে আরাম পাওয়া যায়। এতে চুলকানি কমে এবং নতুন করে ঘাম জমা হওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়।
গরমকালে হালকা ও ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা উচিত। এতে ত্বকের সঙ্গে কাপড়ের ঘর্ষণ কম হয় এবং ঘাম সহজে শুকিয়ে যায়, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
ঘামাচি হলে অযথা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে ত্বকে সংক্রমণ বাড়তে পারে। অ্যালোভেরা জেল, নিমপাতার রস বা লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে লাগালে চুলকানি কমে এবং ত্বক শীতল থাকে।
অনেকেই ঘামাচিতে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন, যা সবসময় উপকারী নয়। বরং এটি রোমকূপ বন্ধ করে সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে। এর পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই ভালো।
এছাড়া প্রচুর পানি পান করা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে এবং ত্বকের সুস্থতায় সাহায্য করে। বেকিং সোডা মিশ্রিত পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান আলতোভাবে পরিষ্কার করলেও উপকার পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে, গরমের এই মৌসুমে সামান্য সচেতনতা ও নিয়মিত যত্নই ত্বককে নানা ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারে।

গরমে ত্বকে ঘামাচি সমস্যার কারণ ও ঘরোয়া সমাধান
সাবিকুন নাহার রিংকি
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ০৬

ঘামাচি হলে অযথা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। ছবি : সংগৃহীত
গ্রীষ্ম এলেই তাপমাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে আর্দ্রতা। এ সময় বাইরের পরিবেশ যেমন উত্তপ্ত থাকে, তেমনি শরীরও অতিরিক্ত ঘামে ভিজে যায়। ফলে ত্বকে দেখা দেয় নানা সমস্যা ঘামাচি, র্যাশ, চুলকানি ও ছত্রাকজনিত সংক্রমণ। প্রখর রোদ যেমন নতুন ত্বকের রোগ সৃষ্টি করে, তেমনি আগে থেকে থাকা সমস্যাগুলোকেও আরও তীব্র করে তোলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘামের কারণে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে গেলে ঘাম বাইরে বের হতে পারে না। তখন তা ত্বকের নিচে জমে গিয়ে ছোট ছোট লালচে ফুসকুড়ি তৈরি করে, যা আমরা ঘামাচি বা ‘প্রিকলি হিট’ নামে চিনি। এই সমস্যাটি শিশু থেকে বয়স্ক সবার মধ্যেই দেখা যায়। অনেক সময় জামাকাপড়ের ঘর্ষণ বা অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়।তবে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
প্রথমত, ত্বক সবসময় পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। দিনে অন্তত দুইবার সকালে ও রাতে ত্বক ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। বাইরে না গেলেও ঘাম ও ধুলাবালি জমে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।
ঠান্ডা সেঁক ঘামাচি কমাতে বেশ কার্যকর। পরিষ্কার কাপড়ে বরফ বেঁধে আক্রান্ত স্থানে ১০-১৫ মিনিট ধরে আলতোভাবে লাগালে আরাম পাওয়া যায়। এতে চুলকানি কমে এবং নতুন করে ঘাম জমা হওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়।
গরমকালে হালকা ও ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা উচিত। এতে ত্বকের সঙ্গে কাপড়ের ঘর্ষণ কম হয় এবং ঘাম সহজে শুকিয়ে যায়, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
ঘামাচি হলে অযথা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে ত্বকে সংক্রমণ বাড়তে পারে। অ্যালোভেরা জেল, নিমপাতার রস বা লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে লাগালে চুলকানি কমে এবং ত্বক শীতল থাকে।
অনেকেই ঘামাচিতে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন, যা সবসময় উপকারী নয়। বরং এটি রোমকূপ বন্ধ করে সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে। এর পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই ভালো।
এছাড়া প্রচুর পানি পান করা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে এবং ত্বকের সুস্থতায় সাহায্য করে। বেকিং সোডা মিশ্রিত পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান আলতোভাবে পরিষ্কার করলেও উপকার পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে, গরমের এই মৌসুমে সামান্য সচেতনতা ও নিয়মিত যত্নই ত্বককে নানা ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারে।
/এসএনআর/




