কুকুরের লেজ সোজা হয় না কেন

কুকুরের লেজ সোজা হয় না কেন
সিটিজেন ডেস্ক

প্রবাদ আছে, ‘কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না।’ মানুষের আচরণের ক্ষেত্রে এই কথাটি নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হলেও, প্রাণিবিজ্ঞানীদের কাছে এর উত্তর বেশ চমকপ্রদ। কেন অধিকাংশ কুকুরের লেজ গোল বা অর্ধগোলাকৃতির হয়? এটি কি কোনো শারীরিক ত্রুটি, নাকি এর পেছনে রয়েছে হাজার বছরের বিবর্তনের ইতিহাস?
সম্প্রতি গবেষক ও বিবর্তনবাদীদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই রহস্যের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
গবেষকদের মতে, কুকুরের লেজ বাঁকা হওয়ার আদি কারণ হলো জলবায়ুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। প্রাগৈতিহাসিক যুগে কুকুরের পূর্বপুরুষদের বড় একটি অংশ শীতল অঞ্চলে বসবাস করত। শরীরের উষ্ণতা ধরে রাখতে তারা লেজ গুটিয়ে রাখত। এমনকি কুকুররা ঘুমের সময় নাকের ওপর লেজ রেখে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতো। হাজার হাজার বছরের এই অভ্যাসটিই পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে শারীরিক গঠনে রূপ নিয়েছে।
তারা জানান, কুকুরের লেজ কেবল প্রদর্শনের জন্য নয়, এটি তাদের চলাচলের অপরিহার্য অংশ। দৌড়ানোর সময় দ্রুত মোড় নিতে বা শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে লেজ কাজ করে অনেকটা নৌকার হালের মতো। লেজের বিশেষ গঠন কুকুরকে বাতাসের বেগকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত দৌড়াতে সাহায্য করে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, কুকুরের লেজ হলো তাদের মেরুদণ্ডের একটি বর্ধিত অংশ। লেজের হাড়গুলো মেরুদণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে। এই বিশেষ গঠনের কারণে কুকুরকে ‘হেমি-মেরুদণ্ডী’ প্রাণী হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
সব কুকুরের লেজ কি বাঁকা?
পৃথিবীতে অনেক প্রজাতি কুকুর আছে। যাদের কারোও লেজ সোজা আবার কারোর লেজই নেই। এমন প্রজাতির কুকুরগুলো হলো-
সোজা লেজ: ল্যাব্রাডর, গোল্ডেন রিট্রিভার।
লেজহীন প্রজাতি: ফ্রেঞ্চ বুলডগ, বোস্টন টেরিয়ার ও ওয়েলশ কর্গি।
লেজ সোজা করা কি সম্ভব?
যে সমস্ত প্রজাতির কুকুরের লেজ জন্মগতভাবেই বাঁকা, তা প্রাকৃতিকভাবে সোজা করা সম্ভব নয়। বর্তমানে কৃত্রিম অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লেজ সোজা করার প্রবণতা দেখা গেলেও গবেষক ও পশুপ্রেমীরা একে অমানবিক এবং বেআইনি বলে আখ্যা দিয়েছেন।

প্রবাদ আছে, ‘কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না।’ মানুষের আচরণের ক্ষেত্রে এই কথাটি নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হলেও, প্রাণিবিজ্ঞানীদের কাছে এর উত্তর বেশ চমকপ্রদ। কেন অধিকাংশ কুকুরের লেজ গোল বা অর্ধগোলাকৃতির হয়? এটি কি কোনো শারীরিক ত্রুটি, নাকি এর পেছনে রয়েছে হাজার বছরের বিবর্তনের ইতিহাস?
সম্প্রতি গবেষক ও বিবর্তনবাদীদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই রহস্যের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
গবেষকদের মতে, কুকুরের লেজ বাঁকা হওয়ার আদি কারণ হলো জলবায়ুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। প্রাগৈতিহাসিক যুগে কুকুরের পূর্বপুরুষদের বড় একটি অংশ শীতল অঞ্চলে বসবাস করত। শরীরের উষ্ণতা ধরে রাখতে তারা লেজ গুটিয়ে রাখত। এমনকি কুকুররা ঘুমের সময় নাকের ওপর লেজ রেখে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতো। হাজার হাজার বছরের এই অভ্যাসটিই পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে শারীরিক গঠনে রূপ নিয়েছে।
তারা জানান, কুকুরের লেজ কেবল প্রদর্শনের জন্য নয়, এটি তাদের চলাচলের অপরিহার্য অংশ। দৌড়ানোর সময় দ্রুত মোড় নিতে বা শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে লেজ কাজ করে অনেকটা নৌকার হালের মতো। লেজের বিশেষ গঠন কুকুরকে বাতাসের বেগকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত দৌড়াতে সাহায্য করে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, কুকুরের লেজ হলো তাদের মেরুদণ্ডের একটি বর্ধিত অংশ। লেজের হাড়গুলো মেরুদণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে। এই বিশেষ গঠনের কারণে কুকুরকে ‘হেমি-মেরুদণ্ডী’ প্রাণী হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
সব কুকুরের লেজ কি বাঁকা?
পৃথিবীতে অনেক প্রজাতি কুকুর আছে। যাদের কারোও লেজ সোজা আবার কারোর লেজই নেই। এমন প্রজাতির কুকুরগুলো হলো-
সোজা লেজ: ল্যাব্রাডর, গোল্ডেন রিট্রিভার।
লেজহীন প্রজাতি: ফ্রেঞ্চ বুলডগ, বোস্টন টেরিয়ার ও ওয়েলশ কর্গি।
লেজ সোজা করা কি সম্ভব?
যে সমস্ত প্রজাতির কুকুরের লেজ জন্মগতভাবেই বাঁকা, তা প্রাকৃতিকভাবে সোজা করা সম্ভব নয়। বর্তমানে কৃত্রিম অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লেজ সোজা করার প্রবণতা দেখা গেলেও গবেষক ও পশুপ্রেমীরা একে অমানবিক এবং বেআইনি বলে আখ্যা দিয়েছেন।

কুকুরের লেজ সোজা হয় না কেন
সিটিজেন ডেস্ক

প্রবাদ আছে, ‘কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না।’ মানুষের আচরণের ক্ষেত্রে এই কথাটি নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হলেও, প্রাণিবিজ্ঞানীদের কাছে এর উত্তর বেশ চমকপ্রদ। কেন অধিকাংশ কুকুরের লেজ গোল বা অর্ধগোলাকৃতির হয়? এটি কি কোনো শারীরিক ত্রুটি, নাকি এর পেছনে রয়েছে হাজার বছরের বিবর্তনের ইতিহাস?
সম্প্রতি গবেষক ও বিবর্তনবাদীদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই রহস্যের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
গবেষকদের মতে, কুকুরের লেজ বাঁকা হওয়ার আদি কারণ হলো জলবায়ুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। প্রাগৈতিহাসিক যুগে কুকুরের পূর্বপুরুষদের বড় একটি অংশ শীতল অঞ্চলে বসবাস করত। শরীরের উষ্ণতা ধরে রাখতে তারা লেজ গুটিয়ে রাখত। এমনকি কুকুররা ঘুমের সময় নাকের ওপর লেজ রেখে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতো। হাজার হাজার বছরের এই অভ্যাসটিই পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে শারীরিক গঠনে রূপ নিয়েছে।
তারা জানান, কুকুরের লেজ কেবল প্রদর্শনের জন্য নয়, এটি তাদের চলাচলের অপরিহার্য অংশ। দৌড়ানোর সময় দ্রুত মোড় নিতে বা শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে লেজ কাজ করে অনেকটা নৌকার হালের মতো। লেজের বিশেষ গঠন কুকুরকে বাতাসের বেগকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত দৌড়াতে সাহায্য করে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, কুকুরের লেজ হলো তাদের মেরুদণ্ডের একটি বর্ধিত অংশ। লেজের হাড়গুলো মেরুদণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে। এই বিশেষ গঠনের কারণে কুকুরকে ‘হেমি-মেরুদণ্ডী’ প্রাণী হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
সব কুকুরের লেজ কি বাঁকা?
পৃথিবীতে অনেক প্রজাতি কুকুর আছে। যাদের কারোও লেজ সোজা আবার কারোর লেজই নেই। এমন প্রজাতির কুকুরগুলো হলো-
সোজা লেজ: ল্যাব্রাডর, গোল্ডেন রিট্রিভার।
লেজহীন প্রজাতি: ফ্রেঞ্চ বুলডগ, বোস্টন টেরিয়ার ও ওয়েলশ কর্গি।
লেজ সোজা করা কি সম্ভব?
যে সমস্ত প্রজাতির কুকুরের লেজ জন্মগতভাবেই বাঁকা, তা প্রাকৃতিকভাবে সোজা করা সম্ভব নয়। বর্তমানে কৃত্রিম অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লেজ সোজা করার প্রবণতা দেখা গেলেও গবেষক ও পশুপ্রেমীরা একে অমানবিক এবং বেআইনি বলে আখ্যা দিয়েছেন।




