ইসির সিদ্ধান্ত হয় গুলশান থেকে: সারজিস
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসির সিদ্ধান্ত হয় গুলশান থেকে: সারজিস
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৪৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ইসি থেকে নয় গুলশান থেকে হয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বুধবার (২১ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে সারজিস আলম লিখেন, জনগণের ৪ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা ঋণখেলাপীদেরকে জনাব তারেক রহমান মনোনয়ন দেয়। সেই ব্যাংক লুটেরাদেরকে নির্বাচন করতে দিয়েছে এই ইসি। তারা এখন ব্যাংক লুটেরাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদেও আছে। তখন এই নির্বাচন কমিশন তাদেরকে নিয়ম দেখাতে পারেনি। কারণ তাদের সেই মেরুদন্ডটা নাই।
তিনি লিখেন, ক্ষমতা আর দলের কাছে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে বিক্রি করে তারা এখনো নির্বাচন কমিশনে পদ ধরে রেখেছে। প্রতিনিয়ত তাদের দলীয় প্রভুদেরকে সন্তুষ্ট করে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ইসি থেকে হয় না, হয় গুলশান থেকে।
এনসিপির এই নেতা লিখেন, মনিরা শারমিন একসময় সরকারি চাকরি করতো আর নুসরাত তাবাসসুম কোনো কারনে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পরে ফরম জমা দিয়েছে বলে তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন! অথচ সর্বশেষ দুটি আসনের উপনির্বাচনে যখন দিনে দুপুরে ভোট চুরি হলো, ব্যালটে সিল মারা হলো, ভোটকেন্দ্র দখল করা হলো তখন এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং তার অন্যান্য কমিশনাররা মুখে কুলুপ এঁটে ছিল।
তিনি লিখেন, এরা যেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের গলায় জুতার মালা পরা ছবিটা তাদের বেডরুমে টাঙিয়ে রাখে। এর চেয়েও ভয়ংকর পরিণতি হবে এই দল দাসদের।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ইসি থেকে নয় গুলশান থেকে হয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বুধবার (২১ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে সারজিস আলম লিখেন, জনগণের ৪ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা ঋণখেলাপীদেরকে জনাব তারেক রহমান মনোনয়ন দেয়। সেই ব্যাংক লুটেরাদেরকে নির্বাচন করতে দিয়েছে এই ইসি। তারা এখন ব্যাংক লুটেরাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদেও আছে। তখন এই নির্বাচন কমিশন তাদেরকে নিয়ম দেখাতে পারেনি। কারণ তাদের সেই মেরুদন্ডটা নাই।
তিনি লিখেন, ক্ষমতা আর দলের কাছে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে বিক্রি করে তারা এখনো নির্বাচন কমিশনে পদ ধরে রেখেছে। প্রতিনিয়ত তাদের দলীয় প্রভুদেরকে সন্তুষ্ট করে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ইসি থেকে হয় না, হয় গুলশান থেকে।
এনসিপির এই নেতা লিখেন, মনিরা শারমিন একসময় সরকারি চাকরি করতো আর নুসরাত তাবাসসুম কোনো কারনে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পরে ফরম জমা দিয়েছে বলে তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন! অথচ সর্বশেষ দুটি আসনের উপনির্বাচনে যখন দিনে দুপুরে ভোট চুরি হলো, ব্যালটে সিল মারা হলো, ভোটকেন্দ্র দখল করা হলো তখন এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং তার অন্যান্য কমিশনাররা মুখে কুলুপ এঁটে ছিল।
তিনি লিখেন, এরা যেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের গলায় জুতার মালা পরা ছবিটা তাদের বেডরুমে টাঙিয়ে রাখে। এর চেয়েও ভয়ংকর পরিণতি হবে এই দল দাসদের।

ইসির সিদ্ধান্ত হয় গুলশান থেকে: সারজিস
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৪৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ইসি থেকে নয় গুলশান থেকে হয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বুধবার (২১ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে সারজিস আলম লিখেন, জনগণের ৪ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা ঋণখেলাপীদেরকে জনাব তারেক রহমান মনোনয়ন দেয়। সেই ব্যাংক লুটেরাদেরকে নির্বাচন করতে দিয়েছে এই ইসি। তারা এখন ব্যাংক লুটেরাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদেও আছে। তখন এই নির্বাচন কমিশন তাদেরকে নিয়ম দেখাতে পারেনি। কারণ তাদের সেই মেরুদন্ডটা নাই।
তিনি লিখেন, ক্ষমতা আর দলের কাছে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে বিক্রি করে তারা এখনো নির্বাচন কমিশনে পদ ধরে রেখেছে। প্রতিনিয়ত তাদের দলীয় প্রভুদেরকে সন্তুষ্ট করে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ইসি থেকে হয় না, হয় গুলশান থেকে।
এনসিপির এই নেতা লিখেন, মনিরা শারমিন একসময় সরকারি চাকরি করতো আর নুসরাত তাবাসসুম কোনো কারনে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পরে ফরম জমা দিয়েছে বলে তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন! অথচ সর্বশেষ দুটি আসনের উপনির্বাচনে যখন দিনে দুপুরে ভোট চুরি হলো, ব্যালটে সিল মারা হলো, ভোটকেন্দ্র দখল করা হলো তখন এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং তার অন্যান্য কমিশনাররা মুখে কুলুপ এঁটে ছিল।
তিনি লিখেন, এরা যেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের গলায় জুতার মালা পরা ছবিটা তাদের বেডরুমে টাঙিয়ে রাখে। এর চেয়েও ভয়ংকর পরিণতি হবে এই দল দাসদের।
/এসবি/




