শিরোনাম
সরাসরি

আটক জাহাজে ইরানের জন্য উপহার ছিল না: চীন

১৯: ২৭

আটক জাহাজে ইরানের জন্য উপহার ছিল না: চীন

আটক জাহাজে ইরানের জন্য উপহার ছিল না: চীন
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন। ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের আটক করা একটি জাহাজে ইরানের জন্য চীনের পক্ষ থেকে কোনো ‘উপহার’ ছিল—মার্কিন এমন অভিযোগ আবারও দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে বেইজিং। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালির মন্তব্যের পরদিনই এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে চীন।

নিকি হ্যালি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দাবি করেছিলেন, জাহাজটি চীন থেকে ইরানের উদ্দেশে যাচ্ছিল এবং এতে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির রাসায়নিক উপকরণ থাকতে পারে। তার এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, আটক জাহাজটি ছিল ‘একটি বিদেশি কন্টেইনার জাহাজ’ এবং এর সঙ্গে চীনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

গুও আরও বলেন, ‘চীন যেকোনো ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ অভিযোগ ও জল্পনা-কল্পনার বিরোধিতা করে।’

তিনি দাবি করেন, একটি দায়িত্বশীল বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে চীন সবসময় আন্তর্জাতিক আইন ও দায়িত্ব পালনে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে।

সূত্র: আল জাজিরা

১৮: ৪৭

যুদ্ধবিরতি বাড়াতে আলোচনা চলছে: লেবাননের রাষ্ট্রপতি

যুদ্ধবিরতি বাড়াতে আলোচনা চলছে: লেবাননের রাষ্ট্রপতি
লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন। ছবি: আল জাজিরা

লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন জানিয়েছেন, চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে জোরালো আলোচনা চলছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো পক্ষকেই দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাহত করা বা স্থিতিশীলতা নষ্ট করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় আউন বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশে শান্তি রক্ষা করা একটি জরুরী বিষয়।’ একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, লেবাননের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হাদ্দাদ মাওয়াদ বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে একটি প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে অংশ নেবেন। সেখানে তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরবেন এবং দক্ষিণ লেবাননের গ্রাম ও শহরগুলোতে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা বন্ধের দাবি জানাবেন।

প্রেসিডেন্ট আউন জানান, চলমান আলোচনা চারটি মূল শর্তের ভিত্তিতে এগোচ্ছে। সেগুলো হলো—ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা, বন্দিদের মুক্তি এবং লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন।

সূত্র: আল জাজিরা

১৮: ১৪

লেবাননে হিজবুল্লাহর দুই সদস্যকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

লেবাননে হিজবুল্লাহর দুই সদস্যকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে অভিযানে হিজবুল্লাহর দুই সদস্যকে হত্যা করার দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। দেশটির আর্মি রেডিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ অতিক্রমের অভিযোগে তাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের বাহিনীর ওপর ‘তাৎক্ষণিক হুমকি’ নিরসন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ধ্বংস এবং অস্ত্র অনুসন্ধানের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

সূত্র: আল জাজিরা

১৭: ৪৯

হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজ জব্দের দাবি আইআরজিসির

হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজ জব্দের দাবি আইআরজিসির
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি জাহাজ জব্দ করে সেগুলোকে ইরানের উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, প্রণালিতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তা তারা ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচনা করে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ওই অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। জব্দ করা জাহাজগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের উপকূলবর্তী এলাকায় একটি জাহাজে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি ওমান উপকূলের কাছে আরেকটি জাহাজ হামলার শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও খবর পাওয়া যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

১৭: ৩০

ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, অনিশ্চয়তায় আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় দুই মাস ধরে চলা সংঘাত থামাতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়। ইরানের জন্য অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে মোট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত নিরসনে বড় ধরনের ছাড় আদায়ে তেহরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য ইরানকে অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের ‘ইকোনমিক ফিউরি’ কর্মসূচির অধীনে ইরানের ‘বেপরোয়া আচরণ এবং তাদের মিত্রদের অর্থায়নের পথ’ বন্ধে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধের কারণে তেহরান এখনো পর্যন্ত বৈঠকে অংশ নেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত অবস্থান জানায়নি।

নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরপরই ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে জানান, চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে তিনি রাজি আছেন। দুই সপ্তাহের জন্য ঘোষিত এই যুদ্ধবিরতির সময়সীমা আজই শেষ হওয়ার কথা ছিল।

এর আগে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে অনাগ্রহী থাকলেও সর্বশেষ অবস্থান বদলে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে একটি সমন্বিত প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ থাকবে।

সূত্র: আল জাজিরা