১৭ দিন পর সেই বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

১৭ দিন পর সেই বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

জাতীয় পতাকা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, গৌরব ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বাংলাদেশের লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। কিন্তু ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা ১৭ দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এতে নড়েচড়ে বসে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা অফিস। অবশেষে ১৭ দিন পর সোমবার (২৯ জুন) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা, গাওয়া হয় জাতীয় সংগীত।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিদ্যালয়টি হলো– ঠাকুরগাঁও পৌরসভা গোয়ালপাড়া এলাকার সবুজ গোয়ালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন পাঠদান চললেও গত ১৭ দিন ধরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মো. পারভেজ খান নামের এক যুবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দাবি, কয়েকবার জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে বলা হলেও তিনি গুরুত্ব দেননি এবং ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে রাখেন।
তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাচারিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, সংস্কার ও বিভিন্ন বরাদ্দের ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। এছাড়া, বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাথরুমের পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও শিক্ষকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়া রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতি অবহেলা। তাদের দাবি, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়ারেসা বানু। তিনি বলেন, পতাকা স্ট্যান্ড নষ্ট হওয়ায় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। মাঝখানে কিছুদিন গ্যাপ ছিল বলে স্বীকার করেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতির অভিযোগও অস্বীকার করেন প্রধান শিক্ষক।
এদিকে, বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফজলুল করিম। পরিদর্শনে গিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়ার বিষয়টির সত্যতা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
শিক্ষা অফিসার বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় পতাকা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, গৌরব ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বাংলাদেশের লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। কিন্তু ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা ১৭ দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এতে নড়েচড়ে বসে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা অফিস। অবশেষে ১৭ দিন পর সোমবার (২৯ জুন) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা, গাওয়া হয় জাতীয় সংগীত।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিদ্যালয়টি হলো– ঠাকুরগাঁও পৌরসভা গোয়ালপাড়া এলাকার সবুজ গোয়ালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন পাঠদান চললেও গত ১৭ দিন ধরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মো. পারভেজ খান নামের এক যুবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দাবি, কয়েকবার জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে বলা হলেও তিনি গুরুত্ব দেননি এবং ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে রাখেন।
তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাচারিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, সংস্কার ও বিভিন্ন বরাদ্দের ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। এছাড়া, বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাথরুমের পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও শিক্ষকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়া রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতি অবহেলা। তাদের দাবি, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়ারেসা বানু। তিনি বলেন, পতাকা স্ট্যান্ড নষ্ট হওয়ায় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। মাঝখানে কিছুদিন গ্যাপ ছিল বলে স্বীকার করেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতির অভিযোগও অস্বীকার করেন প্রধান শিক্ষক।
এদিকে, বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফজলুল করিম। পরিদর্শনে গিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়ার বিষয়টির সত্যতা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
শিক্ষা অফিসার বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৭ দিন পর সেই বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

জাতীয় পতাকা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, গৌরব ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বাংলাদেশের লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। কিন্তু ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা ১৭ দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এতে নড়েচড়ে বসে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা অফিস। অবশেষে ১৭ দিন পর সোমবার (২৯ জুন) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা, গাওয়া হয় জাতীয় সংগীত।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিদ্যালয়টি হলো– ঠাকুরগাঁও পৌরসভা গোয়ালপাড়া এলাকার সবুজ গোয়ালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন পাঠদান চললেও গত ১৭ দিন ধরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মো. পারভেজ খান নামের এক যুবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দাবি, কয়েকবার জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে বলা হলেও তিনি গুরুত্ব দেননি এবং ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে রাখেন।
তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাচারিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, সংস্কার ও বিভিন্ন বরাদ্দের ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। এছাড়া, বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বাথরুমের পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও শিক্ষকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়া রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতি অবহেলা। তাদের দাবি, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়ারেসা বানু। তিনি বলেন, পতাকা স্ট্যান্ড নষ্ট হওয়ায় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। মাঝখানে কিছুদিন গ্যাপ ছিল বলে স্বীকার করেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতির অভিযোগও অস্বীকার করেন প্রধান শিক্ষক।
এদিকে, বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফজলুল করিম। পরিদর্শনে গিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়ার বিষয়টির সত্যতা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
শিক্ষা অফিসার বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে হবে শিল্প পার্ক, বাড়বে কমসংস্থান: মন্ত্রী


