যুদ্ধের কারণে আটকে পড়া প্রবাসীদের সুখবর দিলো আমিরাত

যুদ্ধের কারণে আটকে পড়া প্রবাসীদের সুখবর দিলো আমিরাত
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো দেশটির সরকার। আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি) ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য ৩০ দিনের বিশেষ গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করেছে।
এর আওতায়, জরিমানা ছাড়াই ভিসা বা আবাসিক অবস্থার বৈধতা নিশ্চিত করা কিংবা দেশত্যাগের সুযোগ পাবেন।
গ্রেস পিরিয়ডটি ১০ জুন থেকে ৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। যারা আগে আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে আমিরাত ত্যাগ করতে না পারায় অতিরিক্ত সময় থাকার কারণে জরিমানা থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন, এটি তাদের জন্য প্রযোজ্য।
এর আগে গত মার্চে কর্তৃপক্ষ ভিসাধারী, এক্সিট পারমিটধারী এবং যাদের ভিসা বাতিল হয়েছিল কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধের কারণে আকাশপথ বন্ধ বা ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় দেশ ছাড়তে পারেনি, তাদের মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থানের জন্য জরিমানা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো আমিরাতের আইন ও বিধিবিধানের প্রতিপালন জোরদার করা। একইসঙ্গে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অবস্থা সংশোধন করে বৈধভাবে বসবাস ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া।
জরিমানা মওকুফের আগের সিদ্ধান্তটি ছিল মানবিক বিবেচনা থেকে নেওয়া। যাতে জরুরি ও অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে ভ্রমণকারী ও দর্শনার্থীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে না পড়েন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় জরিমানা অব্যাহতির প্রয়োজনীয়তা আর নেই।
সুবিধাভোগীদের কোনো অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে না। যারা আমিরাতে থাকতে চান, তারা গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে তাদের আবাসন বা কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অবস্থা পরিবর্তন করতে পারবেন। আর যারা দেশ ত্যাগ করতে চান, তারা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি চলে যেতে পারবেন।
কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বশেষ নির্দেশনা ও তথ্যের জন্য সরকারি মাধ্যম অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো দেশটির সরকার। আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি) ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য ৩০ দিনের বিশেষ গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করেছে।
এর আওতায়, জরিমানা ছাড়াই ভিসা বা আবাসিক অবস্থার বৈধতা নিশ্চিত করা কিংবা দেশত্যাগের সুযোগ পাবেন।
গ্রেস পিরিয়ডটি ১০ জুন থেকে ৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। যারা আগে আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে আমিরাত ত্যাগ করতে না পারায় অতিরিক্ত সময় থাকার কারণে জরিমানা থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন, এটি তাদের জন্য প্রযোজ্য।
এর আগে গত মার্চে কর্তৃপক্ষ ভিসাধারী, এক্সিট পারমিটধারী এবং যাদের ভিসা বাতিল হয়েছিল কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধের কারণে আকাশপথ বন্ধ বা ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় দেশ ছাড়তে পারেনি, তাদের মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থানের জন্য জরিমানা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো আমিরাতের আইন ও বিধিবিধানের প্রতিপালন জোরদার করা। একইসঙ্গে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অবস্থা সংশোধন করে বৈধভাবে বসবাস ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া।
জরিমানা মওকুফের আগের সিদ্ধান্তটি ছিল মানবিক বিবেচনা থেকে নেওয়া। যাতে জরুরি ও অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে ভ্রমণকারী ও দর্শনার্থীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে না পড়েন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় জরিমানা অব্যাহতির প্রয়োজনীয়তা আর নেই।
সুবিধাভোগীদের কোনো অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে না। যারা আমিরাতে থাকতে চান, তারা গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে তাদের আবাসন বা কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অবস্থা পরিবর্তন করতে পারবেন। আর যারা দেশ ত্যাগ করতে চান, তারা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি চলে যেতে পারবেন।
কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বশেষ নির্দেশনা ও তথ্যের জন্য সরকারি মাধ্যম অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

যুদ্ধের কারণে আটকে পড়া প্রবাসীদের সুখবর দিলো আমিরাত
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো দেশটির সরকার। আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি) ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য ৩০ দিনের বিশেষ গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করেছে।
এর আওতায়, জরিমানা ছাড়াই ভিসা বা আবাসিক অবস্থার বৈধতা নিশ্চিত করা কিংবা দেশত্যাগের সুযোগ পাবেন।
গ্রেস পিরিয়ডটি ১০ জুন থেকে ৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। যারা আগে আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে আমিরাত ত্যাগ করতে না পারায় অতিরিক্ত সময় থাকার কারণে জরিমানা থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন, এটি তাদের জন্য প্রযোজ্য।
এর আগে গত মার্চে কর্তৃপক্ষ ভিসাধারী, এক্সিট পারমিটধারী এবং যাদের ভিসা বাতিল হয়েছিল কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধের কারণে আকাশপথ বন্ধ বা ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় দেশ ছাড়তে পারেনি, তাদের মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থানের জন্য জরিমানা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো আমিরাতের আইন ও বিধিবিধানের প্রতিপালন জোরদার করা। একইসঙ্গে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অবস্থা সংশোধন করে বৈধভাবে বসবাস ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া।
জরিমানা মওকুফের আগের সিদ্ধান্তটি ছিল মানবিক বিবেচনা থেকে নেওয়া। যাতে জরুরি ও অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে ভ্রমণকারী ও দর্শনার্থীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে না পড়েন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় জরিমানা অব্যাহতির প্রয়োজনীয়তা আর নেই।
সুবিধাভোগীদের কোনো অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে না। যারা আমিরাতে থাকতে চান, তারা গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যে তাদের আবাসন বা কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অবস্থা পরিবর্তন করতে পারবেন। আর যারা দেশ ত্যাগ করতে চান, তারা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি চলে যেতে পারবেন।
কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বশেষ নির্দেশনা ও তথ্যের জন্য সরকারি মাধ্যম অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

ইরান যুদ্ধে যেভাবে চূর্ণ হলো আমিরাতের অহংকার
যে কারণে ইরানে গোপন হামলা চালায় সৌদি আরব ও আমিরাত


