সিজেডএনের রিপোর্টের পর সিনেমা হলের জমিতে শান্তার বাণিজ্যিক স্থাপনার অনুমোদন স্থগিত

সিজেডএনের রিপোর্টের পর সিনেমা হলের জমিতে শান্তার বাণিজ্যিক স্থাপনার অনুমোদন স্থগিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিয়মের তোয়াক্কা না করে সিনেমা হলের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন করতে চেয়েছিল শান্তা হোল্ডিংস। এর জন্য প্রয়োজন ছিল গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় চারটি প্লটের একত্রীকরণ। একপ্রকার ‘গায়ের জোরেই’ শান্তার প্লট একত্রীকরণের আবেদনের ফাইলটি পাস করিয়ে দিয়েছিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পার পেলো না তারা। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) প্লট একত্রীকরণের অনুমোদনপত্রের সেই চিঠিটি স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
রাজউক সূত্র বলছে, রাজধানীর অভিজাত এলাকার চারটি প্লট ঘিরে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠান শান্তা হোল্ডিংস বেশ তৎপর ছিলো। কিন্তু আইনের মারপ্যাচে আটকে থাকা এ ফাইলটি বর্তমান রাজউক প্রশাসন নিয়ম বহির্ভূতভাবে অনুমোদন দিয়েছিলো। বিষয়টি নিয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর একে একে তিনটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর ধারাবাহিকতায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে বিষয়টি। গতকাল রবিবার (১৬ আগস্ট) রাজউক চেয়ারম্যান ও সদস্য (এস্টেট) এর কাছে এ বিষয়ে দালিলিক ব্যাখ্যা চাওয়ার পর আজ অনুমোদনপত্র স্থগিত করে চিঠি জারি করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তেরও নির্দেশনা দেয় মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর মন্ত্রীর কক্ষে ডেকে নিয়ে যান রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম আর শেখ মতিয়ারকে সদস্য (এস্টেটও ভূমি)। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শান্তা হোল্ডিংসের এ বিষয়টি নিয়ে রাজউকের শীর্ষ এই ব্যক্তিদের কাছে ব্যাখ্যা চান। পরে বিষয়টি নিয়ে তাদের ওপর বিরক্তিও প্রকাশ করেন। এ সময় শান্তার এ সংক্রান্ত নথি ও সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর ওপর ভিত্তি করে তদন্তেরও নির্দেশনা দেন।
গুলশান-১ এর বাণিজ্যিক এলাকার ১৪, ৩৭, ৪১ ও ৪৩ নম্বর প্লট ১৯৭৫ সালে ৯৯ বছরের জন্য ‘বাণীচিত্র’ ও ‘চলচ্চিত্র’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল জমিগুলোতে সিনেমা হল নির্মাণ করতে হবে। অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না। প্রায় পাঁচ দশকেও সেখানে সিনেমা হল নির্মাণ হয়নি। পরে আম-মোক্তারনামার মাধ্যমে প্লটগুলোর নিয়ন্ত্রণে আসে শান্তা হোল্ডিংস। ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই তিনটি প্লটের সঙ্গে ১৪ নম্বর প্লট যুক্ত করে চারটি প্লট একত্রীকরণের আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। লক্ষ্য ছিল বড় আকারের বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ।
এরপরই শুরু হয় রাজউকে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা। ফাইলটি রাজউকের বিভিন্ন শাখায় দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে থাকে। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে ফাইলটির প্রতি আগ্রহ দেখাননি কেউ। ফলে একটা পর্যায়ে ‘দাপ্তরিক চেইনকে’ পাশ কাটিয়ে চলতে থাকে শান্তার ফাইল পাস করানোর চেষ্টা। বিষয়টি নিয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর প্রথম খবর ছাপে ‘পদে পদে আইন ভেঙে গুলশানে হচ্ছে শান্তার বাণিজ্যিক ভবন’ শিরোনামে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ খবর ছাপার পর আবার মে মাসে সিজেডএন টোয়েন্টিফোরে আসে ‘শান্তার ফাইল পার করতে রাজউকের ‘গোপন মিশন’ শিরোনামের খবরটি। কিন্তু পরপর দুটি খবর ছাপলেও টনক নড়ছিল না কর্তৃপক্ষের। গত ১৩ আগস্ট ‘গায়ের জোরে’ই সিনেমা হলের সেই ৪ প্লট শান্তাকে দিলো রাজউক’ শিরেনামে খবরটি ছাপা হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজউকের কাছে জানতে চাওয়া হয় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে।
সেই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার এক চিঠিতে শান্তা হোল্ডিংসের প্লট একত্রীকরণের আবেদনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সেই চিঠিটি স্বাক্ষর করেছেন রাজউকের সহাকারী পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-১) মো. আশরাফ আলী। যার অনুলিপি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, রাজউকের সদস্য (এস্টেট ও ভূমি), রাজউকের পরিচালক (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ-১/জোন-৪/আইন), রাজউকের প্রধান নগর স্থপতি, রাজউকের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট এমআইএস শাখা, রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ জোন-৪, বাণীচিত্র ও চলচ্চিত্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রাজউকের শাখা সহকারীকে (এস্টেট ও ভূমি) পাঠানো হয়েছে।

নিয়মের তোয়াক্কা না করে সিনেমা হলের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন করতে চেয়েছিল শান্তা হোল্ডিংস। এর জন্য প্রয়োজন ছিল গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় চারটি প্লটের একত্রীকরণ। একপ্রকার ‘গায়ের জোরেই’ শান্তার প্লট একত্রীকরণের আবেদনের ফাইলটি পাস করিয়ে দিয়েছিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পার পেলো না তারা। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) প্লট একত্রীকরণের অনুমোদনপত্রের সেই চিঠিটি স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
রাজউক সূত্র বলছে, রাজধানীর অভিজাত এলাকার চারটি প্লট ঘিরে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠান শান্তা হোল্ডিংস বেশ তৎপর ছিলো। কিন্তু আইনের মারপ্যাচে আটকে থাকা এ ফাইলটি বর্তমান রাজউক প্রশাসন নিয়ম বহির্ভূতভাবে অনুমোদন দিয়েছিলো। বিষয়টি নিয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর একে একে তিনটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর ধারাবাহিকতায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে বিষয়টি। গতকাল রবিবার (১৬ আগস্ট) রাজউক চেয়ারম্যান ও সদস্য (এস্টেট) এর কাছে এ বিষয়ে দালিলিক ব্যাখ্যা চাওয়ার পর আজ অনুমোদনপত্র স্থগিত করে চিঠি জারি করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তেরও নির্দেশনা দেয় মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর মন্ত্রীর কক্ষে ডেকে নিয়ে যান রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম আর শেখ মতিয়ারকে সদস্য (এস্টেটও ভূমি)। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শান্তা হোল্ডিংসের এ বিষয়টি নিয়ে রাজউকের শীর্ষ এই ব্যক্তিদের কাছে ব্যাখ্যা চান। পরে বিষয়টি নিয়ে তাদের ওপর বিরক্তিও প্রকাশ করেন। এ সময় শান্তার এ সংক্রান্ত নথি ও সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর ওপর ভিত্তি করে তদন্তেরও নির্দেশনা দেন।
গুলশান-১ এর বাণিজ্যিক এলাকার ১৪, ৩৭, ৪১ ও ৪৩ নম্বর প্লট ১৯৭৫ সালে ৯৯ বছরের জন্য ‘বাণীচিত্র’ ও ‘চলচ্চিত্র’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল জমিগুলোতে সিনেমা হল নির্মাণ করতে হবে। অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না। প্রায় পাঁচ দশকেও সেখানে সিনেমা হল নির্মাণ হয়নি। পরে আম-মোক্তারনামার মাধ্যমে প্লটগুলোর নিয়ন্ত্রণে আসে শান্তা হোল্ডিংস। ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই তিনটি প্লটের সঙ্গে ১৪ নম্বর প্লট যুক্ত করে চারটি প্লট একত্রীকরণের আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। লক্ষ্য ছিল বড় আকারের বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ।
এরপরই শুরু হয় রাজউকে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা। ফাইলটি রাজউকের বিভিন্ন শাখায় দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে থাকে। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে ফাইলটির প্রতি আগ্রহ দেখাননি কেউ। ফলে একটা পর্যায়ে ‘দাপ্তরিক চেইনকে’ পাশ কাটিয়ে চলতে থাকে শান্তার ফাইল পাস করানোর চেষ্টা। বিষয়টি নিয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর প্রথম খবর ছাপে ‘পদে পদে আইন ভেঙে গুলশানে হচ্ছে শান্তার বাণিজ্যিক ভবন’ শিরোনামে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ খবর ছাপার পর আবার মে মাসে সিজেডএন টোয়েন্টিফোরে আসে ‘শান্তার ফাইল পার করতে রাজউকের ‘গোপন মিশন’ শিরোনামের খবরটি। কিন্তু পরপর দুটি খবর ছাপলেও টনক নড়ছিল না কর্তৃপক্ষের। গত ১৩ আগস্ট ‘গায়ের জোরে’ই সিনেমা হলের সেই ৪ প্লট শান্তাকে দিলো রাজউক’ শিরেনামে খবরটি ছাপা হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজউকের কাছে জানতে চাওয়া হয় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে।
সেই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার এক চিঠিতে শান্তা হোল্ডিংসের প্লট একত্রীকরণের আবেদনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সেই চিঠিটি স্বাক্ষর করেছেন রাজউকের সহাকারী পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-১) মো. আশরাফ আলী। যার অনুলিপি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, রাজউকের সদস্য (এস্টেট ও ভূমি), রাজউকের পরিচালক (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ-১/জোন-৪/আইন), রাজউকের প্রধান নগর স্থপতি, রাজউকের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট এমআইএস শাখা, রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ জোন-৪, বাণীচিত্র ও চলচ্চিত্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রাজউকের শাখা সহকারীকে (এস্টেট ও ভূমি) পাঠানো হয়েছে।

সিজেডএনের রিপোর্টের পর সিনেমা হলের জমিতে শান্তার বাণিজ্যিক স্থাপনার অনুমোদন স্থগিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিয়মের তোয়াক্কা না করে সিনেমা হলের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন করতে চেয়েছিল শান্তা হোল্ডিংস। এর জন্য প্রয়োজন ছিল গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় চারটি প্লটের একত্রীকরণ। একপ্রকার ‘গায়ের জোরেই’ শান্তার প্লট একত্রীকরণের আবেদনের ফাইলটি পাস করিয়ে দিয়েছিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পার পেলো না তারা। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) প্লট একত্রীকরণের অনুমোদনপত্রের সেই চিঠিটি স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
রাজউক সূত্র বলছে, রাজধানীর অভিজাত এলাকার চারটি প্লট ঘিরে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠান শান্তা হোল্ডিংস বেশ তৎপর ছিলো। কিন্তু আইনের মারপ্যাচে আটকে থাকা এ ফাইলটি বর্তমান রাজউক প্রশাসন নিয়ম বহির্ভূতভাবে অনুমোদন দিয়েছিলো। বিষয়টি নিয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর একে একে তিনটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এর ধারাবাহিকতায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে বিষয়টি। গতকাল রবিবার (১৬ আগস্ট) রাজউক চেয়ারম্যান ও সদস্য (এস্টেট) এর কাছে এ বিষয়ে দালিলিক ব্যাখ্যা চাওয়ার পর আজ অনুমোদনপত্র স্থগিত করে চিঠি জারি করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তেরও নির্দেশনা দেয় মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর মন্ত্রীর কক্ষে ডেকে নিয়ে যান রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম আর শেখ মতিয়ারকে সদস্য (এস্টেটও ভূমি)। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শান্তা হোল্ডিংসের এ বিষয়টি নিয়ে রাজউকের শীর্ষ এই ব্যক্তিদের কাছে ব্যাখ্যা চান। পরে বিষয়টি নিয়ে তাদের ওপর বিরক্তিও প্রকাশ করেন। এ সময় শান্তার এ সংক্রান্ত নথি ও সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর ওপর ভিত্তি করে তদন্তেরও নির্দেশনা দেন।
গুলশান-১ এর বাণিজ্যিক এলাকার ১৪, ৩৭, ৪১ ও ৪৩ নম্বর প্লট ১৯৭৫ সালে ৯৯ বছরের জন্য ‘বাণীচিত্র’ ও ‘চলচ্চিত্র’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল জমিগুলোতে সিনেমা হল নির্মাণ করতে হবে। অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না। প্রায় পাঁচ দশকেও সেখানে সিনেমা হল নির্মাণ হয়নি। পরে আম-মোক্তারনামার মাধ্যমে প্লটগুলোর নিয়ন্ত্রণে আসে শান্তা হোল্ডিংস। ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই তিনটি প্লটের সঙ্গে ১৪ নম্বর প্লট যুক্ত করে চারটি প্লট একত্রীকরণের আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। লক্ষ্য ছিল বড় আকারের বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ।
এরপরই শুরু হয় রাজউকে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা। ফাইলটি রাজউকের বিভিন্ন শাখায় দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে থাকে। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে ফাইলটির প্রতি আগ্রহ দেখাননি কেউ। ফলে একটা পর্যায়ে ‘দাপ্তরিক চেইনকে’ পাশ কাটিয়ে চলতে থাকে শান্তার ফাইল পাস করানোর চেষ্টা। বিষয়টি নিয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর প্রথম খবর ছাপে ‘পদে পদে আইন ভেঙে গুলশানে হচ্ছে শান্তার বাণিজ্যিক ভবন’ শিরোনামে। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ খবর ছাপার পর আবার মে মাসে সিজেডএন টোয়েন্টিফোরে আসে ‘শান্তার ফাইল পার করতে রাজউকের ‘গোপন মিশন’ শিরোনামের খবরটি। কিন্তু পরপর দুটি খবর ছাপলেও টনক নড়ছিল না কর্তৃপক্ষের। গত ১৩ আগস্ট ‘গায়ের জোরে’ই সিনেমা হলের সেই ৪ প্লট শান্তাকে দিলো রাজউক’ শিরেনামে খবরটি ছাপা হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজউকের কাছে জানতে চাওয়া হয় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে।
সেই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার এক চিঠিতে শান্তা হোল্ডিংসের প্লট একত্রীকরণের আবেদনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সেই চিঠিটি স্বাক্ষর করেছেন রাজউকের সহাকারী পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-১) মো. আশরাফ আলী। যার অনুলিপি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, রাজউকের সদস্য (এস্টেট ও ভূমি), রাজউকের পরিচালক (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ-১/জোন-৪/আইন), রাজউকের প্রধান নগর স্থপতি, রাজউকের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট এমআইএস শাখা, রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ জোন-৪, বাণীচিত্র ও চলচ্চিত্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রাজউকের শাখা সহকারীকে (এস্টেট ও ভূমি) পাঠানো হয়েছে।

শান্তার ফাইল পার করতে রাজউকের ‘গোপন মিশন’
পদে পদে আইন ভেঙে গুলশানে হচ্ছে শান্তার বাণিজ্যিক ভবন
‘গায়ের জোরে’ই সিনেমা হলের সেই ৪ প্লট শান্তাকে দিলো রাজউক 






