শিরোনাম

চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান
এফবিসিসিআইয়ের মতিঝিল কার্যালয়ে সোমবার চীনের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা নিয়ে সভার আয়োজন করা হয়।

বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে বাংলাদেশ ও চীনের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

সোমবার বিকেলে এফবিসিসিআইয়ের মতিঝিল কার্যালয়ে ‘চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (সিসিপিটিআই)’ একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

সভায় স্বাগতিক বক্তব্যে এফবিসিসিআই প্রশাসক জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও চীন থেকে বিপুল পরিমাণের পণ্য আমদানি করে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এ অবস্থায় বিশাল বাণিজ্য ঘাটতিতে রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ থেকে চীনে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারেরও কম মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়।

সভায় দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ বাণিজ্যের সম্ভাবনাময় খাতসমূহ খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়ে ফজলুল হক বলেন, চীনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের এই সফর কেবল বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ করবে না, বরং চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনাও বৃদ্ধি করবে।

বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় চীনের উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে এফবিসিসিআই সক্রিয় থাকবে বলে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক।

সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা চীনের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মেডিকেল ডিভাইস ও অ্যাক্সেসরিজ, ওষুধ এবং এপিআই শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন চীনের হংহে অঞ্চলের ব্যুরো অব কমার্সের ডিরেক্টর জনাব হে তাও। তিনি বলেন, আমাদের অন্যতম লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা এবং ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনাকে উন্মোচিত করা।

সভায় এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, প্রীতি চক্রবর্তী, ওবায়দুর রহমান, এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআই সেইফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শাহিদুল্লাহ, এফবিসিসিআইয়ের সাধারণ পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতা ও সিসিপিটিআইয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

/বিবি/