হবিগঞ্জে বিক্ষোভের আগেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদীসহ আটক ৩

হবিগঞ্জে বিক্ষোভের আগেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদীসহ আটক ৩
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, অসহনীয় লোডশেডিং, গ্যাস-সংকট এবং নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতির সময় হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে মাহদী হাসানকে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, পুলিশ যখন মাহদীকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলছিল, তখন তার সঙ্গে থাকা অন্য দুজন সহকর্মী তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এর প্রায় ২০ মিনিট আগেই একই স্থান থেকে আন্দোলনের আরও দুই সংগঠক মির্জা সুমন ও রাকিবকে আটক করে পুলিশ।
সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে এ কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। এটি সফল করতে গত দু্ই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও চালানো হয়। সোমবার বিকেলে আন্দোলনকারীরা কোর্ট মসজিদ এলাকায় জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলেও শীর্ষ নেতাদের আটকের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। পুলিশের কড়াকড়ির মুখে আর কোনো নেতা-কর্মী সেখানে অবস্থান নিতে পারেননি।
আটকের পর পুলিশের গাড়িতে বসে মাহদী হাসান বলেন, ‘আমাদের এটি কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম না। লোডশেডিং, বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি, গ্যাস-সংকট নিরসনসহ নানা দাবিতে একটি নাগরিক প্রোগ্রাম করতে আমাদেরকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের দুইজন কর্মীকে এর আগেই আটক করা হয়েছে।’
আটকের পর পুলিশের গাড়িতে বসে মাহদী হাসান বলেন, ‘আমাদের এটি কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম না। লোডশেডিং, বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি, গ্যাস-সংকট নিরসনসহ নানা দাবিতে একটি নাগরিক প্রোগ্রাম করতে আমাদেরকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের দুইজন কর্মীকে এর আগেই আটক করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, ‘প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ছাত্র-জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা কোর্ট মসজিদের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাহদী হাসান চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন। সে সময় ‘থানা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম’- তার এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, অসহনীয় লোডশেডিং, গ্যাস-সংকট এবং নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতির সময় হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে মাহদী হাসানকে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, পুলিশ যখন মাহদীকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলছিল, তখন তার সঙ্গে থাকা অন্য দুজন সহকর্মী তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এর প্রায় ২০ মিনিট আগেই একই স্থান থেকে আন্দোলনের আরও দুই সংগঠক মির্জা সুমন ও রাকিবকে আটক করে পুলিশ।
সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে এ কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। এটি সফল করতে গত দু্ই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও চালানো হয়। সোমবার বিকেলে আন্দোলনকারীরা কোর্ট মসজিদ এলাকায় জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলেও শীর্ষ নেতাদের আটকের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। পুলিশের কড়াকড়ির মুখে আর কোনো নেতা-কর্মী সেখানে অবস্থান নিতে পারেননি।
আটকের পর পুলিশের গাড়িতে বসে মাহদী হাসান বলেন, ‘আমাদের এটি কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম না। লোডশেডিং, বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি, গ্যাস-সংকট নিরসনসহ নানা দাবিতে একটি নাগরিক প্রোগ্রাম করতে আমাদেরকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের দুইজন কর্মীকে এর আগেই আটক করা হয়েছে।’
আটকের পর পুলিশের গাড়িতে বসে মাহদী হাসান বলেন, ‘আমাদের এটি কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম না। লোডশেডিং, বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি, গ্যাস-সংকট নিরসনসহ নানা দাবিতে একটি নাগরিক প্রোগ্রাম করতে আমাদেরকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের দুইজন কর্মীকে এর আগেই আটক করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, ‘প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ছাত্র-জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা কোর্ট মসজিদের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাহদী হাসান চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন। সে সময় ‘থানা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম’- তার এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

হবিগঞ্জে বিক্ষোভের আগেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদীসহ আটক ৩
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, অসহনীয় লোডশেডিং, গ্যাস-সংকট এবং নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতির সময় হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে মাহদী হাসানকে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, পুলিশ যখন মাহদীকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলছিল, তখন তার সঙ্গে থাকা অন্য দুজন সহকর্মী তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এর প্রায় ২০ মিনিট আগেই একই স্থান থেকে আন্দোলনের আরও দুই সংগঠক মির্জা সুমন ও রাকিবকে আটক করে পুলিশ।
সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে এ কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। এটি সফল করতে গত দু্ই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণাও চালানো হয়। সোমবার বিকেলে আন্দোলনকারীরা কোর্ট মসজিদ এলাকায় জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলেও শীর্ষ নেতাদের আটকের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। পুলিশের কড়াকড়ির মুখে আর কোনো নেতা-কর্মী সেখানে অবস্থান নিতে পারেননি।
আটকের পর পুলিশের গাড়িতে বসে মাহদী হাসান বলেন, ‘আমাদের এটি কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম না। লোডশেডিং, বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি, গ্যাস-সংকট নিরসনসহ নানা দাবিতে একটি নাগরিক প্রোগ্রাম করতে আমাদেরকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের দুইজন কর্মীকে এর আগেই আটক করা হয়েছে।’
আটকের পর পুলিশের গাড়িতে বসে মাহদী হাসান বলেন, ‘আমাদের এটি কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম না। লোডশেডিং, বিদ্যুতের দামবৃদ্ধি, গ্যাস-সংকট নিরসনসহ নানা দাবিতে একটি নাগরিক প্রোগ্রাম করতে আমাদেরকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের দুইজন কর্মীকে এর আগেই আটক করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, ‘প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ছাত্র-জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা কোর্ট মসজিদের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাহদী হাসান চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন। সে সময় ‘থানা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম’- তার এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৫১ লাখ টাকার সিগারেট-আইফোন জব্দ







