বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা

বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। বৈঠকে বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং দেশের সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একমত পোষণ করা হয়।
ঠিক কোন কোন প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার করা যেতে পারে, তা আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার জন্য সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে প্রস্তাবক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামসহ একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঘাসকে ভেটিভার ঘাসও বলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঁধ ভাঙন মোকাবিলায় এই বিন্না ঘাসের ব্যবহার হচ্ছে। বিন্না ঘাসের লম্বা মূল বা শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তীব্র গরমসহ প্রতিকূল পরিবেশেও এই ঘাস বেঁচে থাকতে পারে। পানিতে ডুবে থাকলেও এটি পচে না এবং লবণাক্ত পানিতেও টিকে থাকতে পারে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন– স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। বৈঠকে বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং দেশের সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একমত পোষণ করা হয়।
ঠিক কোন কোন প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার করা যেতে পারে, তা আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার জন্য সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে প্রস্তাবক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামসহ একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঘাসকে ভেটিভার ঘাসও বলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঁধ ভাঙন মোকাবিলায় এই বিন্না ঘাসের ব্যবহার হচ্ছে। বিন্না ঘাসের লম্বা মূল বা শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তীব্র গরমসহ প্রতিকূল পরিবেশেও এই ঘাস বেঁচে থাকতে পারে। পানিতে ডুবে থাকলেও এটি পচে না এবং লবণাক্ত পানিতেও টিকে থাকতে পারে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন– স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান প্রমুখ।

বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। বৈঠকে বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং দেশের সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একমত পোষণ করা হয়।
ঠিক কোন কোন প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার করা যেতে পারে, তা আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার জন্য সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে প্রস্তাবক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামসহ একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই ঘাসকে ভেটিভার ঘাসও বলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঁধ ভাঙন মোকাবিলায় এই বিন্না ঘাসের ব্যবহার হচ্ছে। বিন্না ঘাসের লম্বা মূল বা শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তীব্র গরমসহ প্রতিকূল পরিবেশেও এই ঘাস বেঁচে থাকতে পারে। পানিতে ডুবে থাকলেও এটি পচে না এবং লবণাক্ত পানিতেও টিকে থাকতে পারে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন– স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান প্রমুখ।

মাছচাষিরাও কৃষক কার্ড পাবেন: প্রধানমন্ত্রী







