শিরোনাম

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে নতুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গঠন করা হয়েছে। কমিশনের অপর দুই সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক সচিব ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

সোমবার (১৮ আগস্ট) রাতে নতুন কমিশনের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রতিটি পদের বিপরীতে দুজন করে মোট ছয়জনের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করে এ-সংক্রান্ত বাছাই কমিটি। পরে ওই তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি একজনকে চেয়ারম্যান এবং দুজনকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেন।

বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি আপিল বিভাগ থেকে অবসর নেন। এর আগে তিনি হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নতুন কমিশনের অপর সদস্য ড. জাহাঙ্গীর আলম খান একজন সাবেক সচিব। আর ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক কর কমিশনার। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

এর আগে গত ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যানসহ তিন কমিশনার পদত্যাগ করেন। এরপর নতুন কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেয় সরকার। চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে সদস্যসচিব করে একটি বাছাই কমিটি গঠন করা হয়।

দুদক আইন অনুযায়ী, বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগ দেন। নতুন তিনজনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিশন ফিরে পেল দুর্নীতি দমন কমিশন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই ও যোগ্যতা পর্যালোচনায় বাছাই কমিটি ছয় দফা বৈঠক করে। এসব প্রক্রিয়া শেষে চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার হিসেবে এ কে এম আসাদুজ্জামান, ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার নাম চূড়ান্ত করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। পরে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

/এমআর/