‘অ্যাভাটার ২’-কে পেছনে ফেলে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র রেকর্ড

‘অ্যাভাটার ২’-কে পেছনে ফেলে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র রেকর্ড
বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে একছত্র আধিপত্য বজায় রেখে নতুন এক ইতিহাস লিখল টম হল্যান্ডের সুপারহিরো সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। আয়ের অবিশ্বাস্য দৌড়ে জেমস ক্যামেরনের সাড়াজাগানো ছবি ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-কে পেছনে ফেলে বিশ্বজুড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ৩ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে এটি।
স্টুডিওগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির পঞ্চম সপ্তাহের শেষেও উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি। এ সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে ছবিটি আয় করেছে আরও ২ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলার। আর তাতেই বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মোট আয় গিয়ে ঠেকেছে ২৩৩ কোটি ডলারে। এর মাধ্যমে জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার ২’-এর ২৩২ কোটি ডলারের রেকর্ড পার হয়ে গেল। চতুর্থ সপ্তাহের তুলনায় পঞ্চম সপ্তাহে ছবিটির আয় কমেছে মাত্র ৪৪ শতাংশ।
নতুন এই পরিসংখ্যানের পর বৈশ্বিক বক্স অফিসের শীর্ষ পাঁচ সিনেমার চিত্র বদলে গেছে। ২৯২ কোটি ডলার আয় নিয়ে তালিকার শীর্ষে এখনো রাজত্ব করছে জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’। ২৭৯ কোটি ডলার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। ২৩৩ কোটি ডলার তুলে তিন নম্বরে উঠে এলো ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। অন্যদিকে ২৩২ কোটি ডলার আয় করা ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ নেমে গেছে চতুর্থ স্থানে এবং ২২৫ কোটি ডলার আয় নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কালজয়ী ‘টাইটানিক’।
শুধু বিশ্ববাজারেই নয়, উত্তর আমেরিকার ঘরোয়া বক্স অফিসেও অবিশ্বাস্য পথচলা বজায় রেখেছে সিনেমাটি। এখন পর্যন্ত সেখানকার বাজার থেকে ছবিটি আয় করেছে ৮৯ কোটি ১ লাখ ডলার। এর মাধ্যমে আরও একটি বড় মাইলফলক ছোঁয়ার দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে এটি। বর্তমানে ৯৩ কোটি ৬ লাখ ডলার আয় নিয়ে উত্তর আমেরিকার শীর্ষে থাকা ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেনস’-এর রেকর্ড ভেঙে দেওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ ধারা বজায় থাকলে প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে উত্তর আমেরিকার বাজারে এককভাবে ১০০ কোটি ডলার আয়ের নতুন ইতিহাস গড়তে পারে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি।
এই চলচ্চিত্রের অভাবনীয় সাফল্যের হাত ধরে ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারেও ইতিহাস গড়েছেন টম হল্যান্ড। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই তিনি স্পর্শ করেছেন এক অনন্য চূড়া। জো সালদানা ও স্কারলেট জোহানসনের পর হলিউড ইতিহাসের সর্বকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী তারকা এখন তিনি। একই সঙ্গে সেরা আয়ের তালিকায় থাকা অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ। স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে তার সফল ও দীর্ঘ পথচলাই মূলত তাকে এই অবিশ্বাস্য উচ্চতায় বসিয়েছে।

বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে একছত্র আধিপত্য বজায় রেখে নতুন এক ইতিহাস লিখল টম হল্যান্ডের সুপারহিরো সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। আয়ের অবিশ্বাস্য দৌড়ে জেমস ক্যামেরনের সাড়াজাগানো ছবি ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-কে পেছনে ফেলে বিশ্বজুড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ৩ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে এটি।
স্টুডিওগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির পঞ্চম সপ্তাহের শেষেও উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি। এ সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে ছবিটি আয় করেছে আরও ২ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলার। আর তাতেই বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মোট আয় গিয়ে ঠেকেছে ২৩৩ কোটি ডলারে। এর মাধ্যমে জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার ২’-এর ২৩২ কোটি ডলারের রেকর্ড পার হয়ে গেল। চতুর্থ সপ্তাহের তুলনায় পঞ্চম সপ্তাহে ছবিটির আয় কমেছে মাত্র ৪৪ শতাংশ।
নতুন এই পরিসংখ্যানের পর বৈশ্বিক বক্স অফিসের শীর্ষ পাঁচ সিনেমার চিত্র বদলে গেছে। ২৯২ কোটি ডলার আয় নিয়ে তালিকার শীর্ষে এখনো রাজত্ব করছে জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’। ২৭৯ কোটি ডলার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। ২৩৩ কোটি ডলার তুলে তিন নম্বরে উঠে এলো ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। অন্যদিকে ২৩২ কোটি ডলার আয় করা ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ নেমে গেছে চতুর্থ স্থানে এবং ২২৫ কোটি ডলার আয় নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কালজয়ী ‘টাইটানিক’।
শুধু বিশ্ববাজারেই নয়, উত্তর আমেরিকার ঘরোয়া বক্স অফিসেও অবিশ্বাস্য পথচলা বজায় রেখেছে সিনেমাটি। এখন পর্যন্ত সেখানকার বাজার থেকে ছবিটি আয় করেছে ৮৯ কোটি ১ লাখ ডলার। এর মাধ্যমে আরও একটি বড় মাইলফলক ছোঁয়ার দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে এটি। বর্তমানে ৯৩ কোটি ৬ লাখ ডলার আয় নিয়ে উত্তর আমেরিকার শীর্ষে থাকা ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেনস’-এর রেকর্ড ভেঙে দেওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ ধারা বজায় থাকলে প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে উত্তর আমেরিকার বাজারে এককভাবে ১০০ কোটি ডলার আয়ের নতুন ইতিহাস গড়তে পারে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি।
এই চলচ্চিত্রের অভাবনীয় সাফল্যের হাত ধরে ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারেও ইতিহাস গড়েছেন টম হল্যান্ড। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই তিনি স্পর্শ করেছেন এক অনন্য চূড়া। জো সালদানা ও স্কারলেট জোহানসনের পর হলিউড ইতিহাসের সর্বকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী তারকা এখন তিনি। একই সঙ্গে সেরা আয়ের তালিকায় থাকা অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ। স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে তার সফল ও দীর্ঘ পথচলাই মূলত তাকে এই অবিশ্বাস্য উচ্চতায় বসিয়েছে।

‘অ্যাভাটার ২’-কে পেছনে ফেলে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র রেকর্ড
বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে একছত্র আধিপত্য বজায় রেখে নতুন এক ইতিহাস লিখল টম হল্যান্ডের সুপারহিরো সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। আয়ের অবিশ্বাস্য দৌড়ে জেমস ক্যামেরনের সাড়াজাগানো ছবি ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-কে পেছনে ফেলে বিশ্বজুড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ৩ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে এটি।
স্টুডিওগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির পঞ্চম সপ্তাহের শেষেও উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি। এ সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে ছবিটি আয় করেছে আরও ২ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলার। আর তাতেই বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মোট আয় গিয়ে ঠেকেছে ২৩৩ কোটি ডলারে। এর মাধ্যমে জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার ২’-এর ২৩২ কোটি ডলারের রেকর্ড পার হয়ে গেল। চতুর্থ সপ্তাহের তুলনায় পঞ্চম সপ্তাহে ছবিটির আয় কমেছে মাত্র ৪৪ শতাংশ।
নতুন এই পরিসংখ্যানের পর বৈশ্বিক বক্স অফিসের শীর্ষ পাঁচ সিনেমার চিত্র বদলে গেছে। ২৯২ কোটি ডলার আয় নিয়ে তালিকার শীর্ষে এখনো রাজত্ব করছে জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’। ২৭৯ কোটি ডলার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। ২৩৩ কোটি ডলার তুলে তিন নম্বরে উঠে এলো ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। অন্যদিকে ২৩২ কোটি ডলার আয় করা ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ নেমে গেছে চতুর্থ স্থানে এবং ২২৫ কোটি ডলার আয় নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কালজয়ী ‘টাইটানিক’।
শুধু বিশ্ববাজারেই নয়, উত্তর আমেরিকার ঘরোয়া বক্স অফিসেও অবিশ্বাস্য পথচলা বজায় রেখেছে সিনেমাটি। এখন পর্যন্ত সেখানকার বাজার থেকে ছবিটি আয় করেছে ৮৯ কোটি ১ লাখ ডলার। এর মাধ্যমে আরও একটি বড় মাইলফলক ছোঁয়ার দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে এটি। বর্তমানে ৯৩ কোটি ৬ লাখ ডলার আয় নিয়ে উত্তর আমেরিকার শীর্ষে থাকা ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেনস’-এর রেকর্ড ভেঙে দেওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ ধারা বজায় থাকলে প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে উত্তর আমেরিকার বাজারে এককভাবে ১০০ কোটি ডলার আয়ের নতুন ইতিহাস গড়তে পারে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি।
এই চলচ্চিত্রের অভাবনীয় সাফল্যের হাত ধরে ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারেও ইতিহাস গড়েছেন টম হল্যান্ড। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই তিনি স্পর্শ করেছেন এক অনন্য চূড়া। জো সালদানা ও স্কারলেট জোহানসনের পর হলিউড ইতিহাসের সর্বকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী তারকা এখন তিনি। একই সঙ্গে সেরা আয়ের তালিকায় থাকা অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ। স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে তার সফল ও দীর্ঘ পথচলাই মূলত তাকে এই অবিশ্বাস্য উচ্চতায় বসিয়েছে।

মন ভেঙেছে, প্রেমেও পড়েছি আবার বিয়েও করেছি: বিজয়






