অভিনেতা আবুল হায়াতের ৮২তম জন্মদিন আজ

অভিনেতা আবুল হায়াতের ৮২তম জন্মদিন আজ
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশের খ্যাতিমান অভিনেতা ও লেখক আবুল হায়াতের ৮২তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পুরো নাম- খন্দকার মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন আবুল হায়াত গোলাম মাহবুব। ডাকনাম- রবি।
আবুল হায়াতের বাবা আব্দুস সালাম চট্টগ্রাম রেলওয়ে ওয়াজিউল্লাহ ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মা মোছাম্মত কানিজ ফাতেমা একজন গৃহিণী। তার স্কুল জীবন কাটে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট ও রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে মেট্রিকুলেশন (বর্তমান এসএসসি) পাস করে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। চট্টগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি পাস করে ১৯৬২ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হন। ১৯৬৭ সালে পাস করে ১৯৬৮ সালেই ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী পদে যোগ দেন।
১৯৬৯ সালে ‘ইডিপাস’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো টিভি পর্দায় অভিষেক ঘটে আবুল হায়াতের। এরপর প্রায় ছয় দশকে একাধিক সিনেমা, টিভি নাটক ও মঞ্চ নাটকে অভিনয় করে বিপুল খ্যাতী অর্জন করেছেন।
আবুল হায়াত ১৯৭০ সালে মাহফুজা শিরিনকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে বিপাশা হায়াত ও নাতাশা হায়াত নামে দুই মেয়ে আছে। বাবার মতো বিপাশা হায়াতও অভিনয় জগতে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
আবুল হায়াত অভিনীত কয়েকটি সিনেমার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘চরিত্রহীন’, ‘বধূ বিদায়’, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘আগুনের পরশমণি’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘জয়যাত্রা’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘কোটি টাকার প্রেম’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘অজ্ঞাতনামা’ ইত্যাদি।
আর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টিভি নাটক হলো- ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘অয়োময়’, ‘বহুব্রীহি’, ‘নক্ষত্রের রাত’, ‘হিমু’, ‘আজ রবিবার’, ‘হাউজফুল’ ইত্যাদি।
অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ও লেখালেখিতেও নাম রয়েছে আবুল হায়াতের। ১৯৯১ সালের বইমেলায় ‘আপ্লুত মরু’ নামে তার প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়। এরপর ‘নির্ঝর সন্নিকট’ ‘এসো নীপো বনে (তিন খণ্ডে)’, ‘অচেনা তারা’, ‘এসো নীপবনে’সহ আরও কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেন।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সংস্কৃতিতে একুশে পদকসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এই নন্দিত অভিনেতা-নির্মাতা।

বাংলাদেশের খ্যাতিমান অভিনেতা ও লেখক আবুল হায়াতের ৮২তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পুরো নাম- খন্দকার মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন আবুল হায়াত গোলাম মাহবুব। ডাকনাম- রবি।
আবুল হায়াতের বাবা আব্দুস সালাম চট্টগ্রাম রেলওয়ে ওয়াজিউল্লাহ ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মা মোছাম্মত কানিজ ফাতেমা একজন গৃহিণী। তার স্কুল জীবন কাটে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট ও রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে মেট্রিকুলেশন (বর্তমান এসএসসি) পাস করে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। চট্টগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি পাস করে ১৯৬২ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হন। ১৯৬৭ সালে পাস করে ১৯৬৮ সালেই ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী পদে যোগ দেন।
১৯৬৯ সালে ‘ইডিপাস’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো টিভি পর্দায় অভিষেক ঘটে আবুল হায়াতের। এরপর প্রায় ছয় দশকে একাধিক সিনেমা, টিভি নাটক ও মঞ্চ নাটকে অভিনয় করে বিপুল খ্যাতী অর্জন করেছেন।
আবুল হায়াত ১৯৭০ সালে মাহফুজা শিরিনকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে বিপাশা হায়াত ও নাতাশা হায়াত নামে দুই মেয়ে আছে। বাবার মতো বিপাশা হায়াতও অভিনয় জগতে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
আবুল হায়াত অভিনীত কয়েকটি সিনেমার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘চরিত্রহীন’, ‘বধূ বিদায়’, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘আগুনের পরশমণি’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘জয়যাত্রা’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘কোটি টাকার প্রেম’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘অজ্ঞাতনামা’ ইত্যাদি।
আর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টিভি নাটক হলো- ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘অয়োময়’, ‘বহুব্রীহি’, ‘নক্ষত্রের রাত’, ‘হিমু’, ‘আজ রবিবার’, ‘হাউজফুল’ ইত্যাদি।
অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ও লেখালেখিতেও নাম রয়েছে আবুল হায়াতের। ১৯৯১ সালের বইমেলায় ‘আপ্লুত মরু’ নামে তার প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়। এরপর ‘নির্ঝর সন্নিকট’ ‘এসো নীপো বনে (তিন খণ্ডে)’, ‘অচেনা তারা’, ‘এসো নীপবনে’সহ আরও কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেন।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সংস্কৃতিতে একুশে পদকসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এই নন্দিত অভিনেতা-নির্মাতা।

অভিনেতা আবুল হায়াতের ৮২তম জন্মদিন আজ
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশের খ্যাতিমান অভিনেতা ও লেখক আবুল হায়াতের ৮২তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পুরো নাম- খন্দকার মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন আবুল হায়াত গোলাম মাহবুব। ডাকনাম- রবি।
আবুল হায়াতের বাবা আব্দুস সালাম চট্টগ্রাম রেলওয়ে ওয়াজিউল্লাহ ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মা মোছাম্মত কানিজ ফাতেমা একজন গৃহিণী। তার স্কুল জীবন কাটে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট ও রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে মেট্রিকুলেশন (বর্তমান এসএসসি) পাস করে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। চট্টগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি পাস করে ১৯৬২ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হন। ১৯৬৭ সালে পাস করে ১৯৬৮ সালেই ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী পদে যোগ দেন।
১৯৬৯ সালে ‘ইডিপাস’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো টিভি পর্দায় অভিষেক ঘটে আবুল হায়াতের। এরপর প্রায় ছয় দশকে একাধিক সিনেমা, টিভি নাটক ও মঞ্চ নাটকে অভিনয় করে বিপুল খ্যাতী অর্জন করেছেন।
আবুল হায়াত ১৯৭০ সালে মাহফুজা শিরিনকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে বিপাশা হায়াত ও নাতাশা হায়াত নামে দুই মেয়ে আছে। বাবার মতো বিপাশা হায়াতও অভিনয় জগতে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
আবুল হায়াত অভিনীত কয়েকটি সিনেমার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘চরিত্রহীন’, ‘বধূ বিদায়’, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘আগুনের পরশমণি’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘জয়যাত্রা’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘কোটি টাকার প্রেম’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘অজ্ঞাতনামা’ ইত্যাদি।
আর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টিভি নাটক হলো- ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘অয়োময়’, ‘বহুব্রীহি’, ‘নক্ষত্রের রাত’, ‘হিমু’, ‘আজ রবিবার’, ‘হাউজফুল’ ইত্যাদি।
অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ও লেখালেখিতেও নাম রয়েছে আবুল হায়াতের। ১৯৯১ সালের বইমেলায় ‘আপ্লুত মরু’ নামে তার প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়। এরপর ‘নির্ঝর সন্নিকট’ ‘এসো নীপো বনে (তিন খণ্ডে)’, ‘অচেনা তারা’, ‘এসো নীপবনে’সহ আরও কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেন।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সংস্কৃতিতে একুশে পদকসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এই নন্দিত অভিনেতা-নির্মাতা।

নেপালের বন্যায় জঙ্গলে আটকে ছিলেন অভিনেতা খরাজ, গিয়েছিলেন বাংলাদেশি সিনেমার শুটিংয়ে 







