বাচসাসের আয়োজন ‘মিলনে-আনন্দে আমাদের গুণীজন’

বাচসাসের আয়োজন ‘মিলনে-আনন্দে আমাদের গুণীজন’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সুর, শব্দ আর বাঙালি স্বাদের মেলবন্ধনে এক অপূর্ব সন্ধ্যায় আলো ছড়ালেন দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের বরেণ্য ব্যক্তিরা। কবিরা আবৃত্তি করলেন তাদের স্বরচিত কবিতা। গীতিকবিদের লেখা গান গেয়ে শোনালেন সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় শিল্পীরা। আর কবিতা ও গানের সঙ্গে পিঠা উপভোগ করলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে ‘কবিতা, পিঠা ও গান: মিলনে-আনন্দে আমাদের গুণীজন’ শীর্ষক এ আনন্দ আয়োজন করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি। হরেক রকমের মুখরোচক পিঠার ঘ্রাণে মুখরিত ছিল চারপাশ। ব্যস্ত নাগরিক জীবন ভুলে গুণীজনেরা মেতে ওঠেন আড্ডায়। এরপর শুরু হয় কবিতা পাঠের আসর। দেশের প্রখ্যাত কবিরা মঞ্চে এসে একে একে আবৃত্তি করেন তাদের জনপ্রিয় সব কবিতা।
কবিতার রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় গানের আসর। গুণী গীতিকবিদের লেখা কালজয়ী গানের সুরে মেতে ওঠে পুরো মিলনায়তন। প্রবীণ ও নবীন শিল্পীদের কণ্ঠে একে একে উঠে আসে সব জনপ্রিয় গান।
এই আয়োজনে কবি ও গীতিকবিদের হাতে বাচসাস সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। কবিদের মধ্যে ছিলেন– আতাহার খান, শিহাব সরকার, মাহমুদ শফিক, হাসান হাফিজ, আব্দুল হাই শিকদার, শামীমা চৌধুরী, আবদুর রহমান, হাসনাইন সাজ্জাদী, দিলদার হোসেন, রেজাউদ্দিন স্টালিন, শান্তা মারিয়া, দুলাল খান, সাইদ আহমেদ, সেলিনা শিউলী ও দীপংকর দীপক।

গীতিকবিরা হলেন– সাহাবুদ্দিন মজুমদার, জাহিদ আকবর, মাহমুদ মানজুর, রবিউল ইসলাম জীবন, রেজাউর রহমান রিজভী, তারেক আনন্দ, ওমর ফারুক ও আশিক বন্ধু। তাদের লেখা গান গেয়ে মঞ্চ মাতান জয় শাহরিয়ার, কামরুজ্জামান রাব্বি, নদী, কাজী শুভ, মুহাম্মদ মিলন, রাইসা খান, অভি তালুকদার ও কানিজ সুবর্ণা। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা।
আয়োজন নিয়ে যৌথভাবে বাচসাস সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ ও সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল বলেন, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ এবং গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে ও তাদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়াতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। কবিতা আর সুরের যে শক্তি, তা আমাদের সংস্কৃতির শেকড়কে স্মরণ করিয়ে দেয়। গুণী মানুষদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতেও বাচসাস এমন নান্দনিক ও ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন অব্যাহত রাখবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাচসাস কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি সালাম মাহমুদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান রতন, অর্থ সম্পাদক রুহুল সাখাওয়াত, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মতিহার, আন্তর্জাতিক ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবু হুরায়রা মুরাদ, সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইসরাত জাহান স্বর্ণা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুর ইসলাম লিটন, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন ভূঁইয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য শাকিল হোসেন, সাজু আহমেদ, হাফিজ রহমান ও নিয়াজ মোর্শেদ শুভ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে আসেন চলচ্চিত্রের প্রথিতযশা পরিচালক ছটকু আহমেদ, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর মহাসচিব ও বাচসাস সদস্য লিটন এরশাদ, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব)-এর সভাপতি কাদের মনসুর, বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশেনের (বিসিআরএ) সভাপতি মনিরুল ইসলাম, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি ডি এ তায়েব, চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তিসহ অন্যান্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা। তারা বাচসাসের এই আয়োজন ও উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

সুর, শব্দ আর বাঙালি স্বাদের মেলবন্ধনে এক অপূর্ব সন্ধ্যায় আলো ছড়ালেন দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের বরেণ্য ব্যক্তিরা। কবিরা আবৃত্তি করলেন তাদের স্বরচিত কবিতা। গীতিকবিদের লেখা গান গেয়ে শোনালেন সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় শিল্পীরা। আর কবিতা ও গানের সঙ্গে পিঠা উপভোগ করলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে ‘কবিতা, পিঠা ও গান: মিলনে-আনন্দে আমাদের গুণীজন’ শীর্ষক এ আনন্দ আয়োজন করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি। হরেক রকমের মুখরোচক পিঠার ঘ্রাণে মুখরিত ছিল চারপাশ। ব্যস্ত নাগরিক জীবন ভুলে গুণীজনেরা মেতে ওঠেন আড্ডায়। এরপর শুরু হয় কবিতা পাঠের আসর। দেশের প্রখ্যাত কবিরা মঞ্চে এসে একে একে আবৃত্তি করেন তাদের জনপ্রিয় সব কবিতা।
কবিতার রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় গানের আসর। গুণী গীতিকবিদের লেখা কালজয়ী গানের সুরে মেতে ওঠে পুরো মিলনায়তন। প্রবীণ ও নবীন শিল্পীদের কণ্ঠে একে একে উঠে আসে সব জনপ্রিয় গান।
এই আয়োজনে কবি ও গীতিকবিদের হাতে বাচসাস সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। কবিদের মধ্যে ছিলেন– আতাহার খান, শিহাব সরকার, মাহমুদ শফিক, হাসান হাফিজ, আব্দুল হাই শিকদার, শামীমা চৌধুরী, আবদুর রহমান, হাসনাইন সাজ্জাদী, দিলদার হোসেন, রেজাউদ্দিন স্টালিন, শান্তা মারিয়া, দুলাল খান, সাইদ আহমেদ, সেলিনা শিউলী ও দীপংকর দীপক।

গীতিকবিরা হলেন– সাহাবুদ্দিন মজুমদার, জাহিদ আকবর, মাহমুদ মানজুর, রবিউল ইসলাম জীবন, রেজাউর রহমান রিজভী, তারেক আনন্দ, ওমর ফারুক ও আশিক বন্ধু। তাদের লেখা গান গেয়ে মঞ্চ মাতান জয় শাহরিয়ার, কামরুজ্জামান রাব্বি, নদী, কাজী শুভ, মুহাম্মদ মিলন, রাইসা খান, অভি তালুকদার ও কানিজ সুবর্ণা। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা।
আয়োজন নিয়ে যৌথভাবে বাচসাস সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ ও সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল বলেন, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ এবং গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে ও তাদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়াতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। কবিতা আর সুরের যে শক্তি, তা আমাদের সংস্কৃতির শেকড়কে স্মরণ করিয়ে দেয়। গুণী মানুষদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতেও বাচসাস এমন নান্দনিক ও ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন অব্যাহত রাখবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাচসাস কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি সালাম মাহমুদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান রতন, অর্থ সম্পাদক রুহুল সাখাওয়াত, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মতিহার, আন্তর্জাতিক ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবু হুরায়রা মুরাদ, সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইসরাত জাহান স্বর্ণা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুর ইসলাম লিটন, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন ভূঁইয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য শাকিল হোসেন, সাজু আহমেদ, হাফিজ রহমান ও নিয়াজ মোর্শেদ শুভ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে আসেন চলচ্চিত্রের প্রথিতযশা পরিচালক ছটকু আহমেদ, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর মহাসচিব ও বাচসাস সদস্য লিটন এরশাদ, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব)-এর সভাপতি কাদের মনসুর, বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশেনের (বিসিআরএ) সভাপতি মনিরুল ইসলাম, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি ডি এ তায়েব, চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তিসহ অন্যান্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা। তারা বাচসাসের এই আয়োজন ও উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

বাচসাসের আয়োজন ‘মিলনে-আনন্দে আমাদের গুণীজন’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সুর, শব্দ আর বাঙালি স্বাদের মেলবন্ধনে এক অপূর্ব সন্ধ্যায় আলো ছড়ালেন দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের বরেণ্য ব্যক্তিরা। কবিরা আবৃত্তি করলেন তাদের স্বরচিত কবিতা। গীতিকবিদের লেখা গান গেয়ে শোনালেন সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় শিল্পীরা। আর কবিতা ও গানের সঙ্গে পিঠা উপভোগ করলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে ‘কবিতা, পিঠা ও গান: মিলনে-আনন্দে আমাদের গুণীজন’ শীর্ষক এ আনন্দ আয়োজন করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি। হরেক রকমের মুখরোচক পিঠার ঘ্রাণে মুখরিত ছিল চারপাশ। ব্যস্ত নাগরিক জীবন ভুলে গুণীজনেরা মেতে ওঠেন আড্ডায়। এরপর শুরু হয় কবিতা পাঠের আসর। দেশের প্রখ্যাত কবিরা মঞ্চে এসে একে একে আবৃত্তি করেন তাদের জনপ্রিয় সব কবিতা।
কবিতার রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় গানের আসর। গুণী গীতিকবিদের লেখা কালজয়ী গানের সুরে মেতে ওঠে পুরো মিলনায়তন। প্রবীণ ও নবীন শিল্পীদের কণ্ঠে একে একে উঠে আসে সব জনপ্রিয় গান।
এই আয়োজনে কবি ও গীতিকবিদের হাতে বাচসাস সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। কবিদের মধ্যে ছিলেন– আতাহার খান, শিহাব সরকার, মাহমুদ শফিক, হাসান হাফিজ, আব্দুল হাই শিকদার, শামীমা চৌধুরী, আবদুর রহমান, হাসনাইন সাজ্জাদী, দিলদার হোসেন, রেজাউদ্দিন স্টালিন, শান্তা মারিয়া, দুলাল খান, সাইদ আহমেদ, সেলিনা শিউলী ও দীপংকর দীপক।

গীতিকবিরা হলেন– সাহাবুদ্দিন মজুমদার, জাহিদ আকবর, মাহমুদ মানজুর, রবিউল ইসলাম জীবন, রেজাউর রহমান রিজভী, তারেক আনন্দ, ওমর ফারুক ও আশিক বন্ধু। তাদের লেখা গান গেয়ে মঞ্চ মাতান জয় শাহরিয়ার, কামরুজ্জামান রাব্বি, নদী, কাজী শুভ, মুহাম্মদ মিলন, রাইসা খান, অভি তালুকদার ও কানিজ সুবর্ণা। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা।
আয়োজন নিয়ে যৌথভাবে বাচসাস সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ ও সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল বলেন, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ এবং গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে ও তাদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়াতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। কবিতা আর সুরের যে শক্তি, তা আমাদের সংস্কৃতির শেকড়কে স্মরণ করিয়ে দেয়। গুণী মানুষদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতেও বাচসাস এমন নান্দনিক ও ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন অব্যাহত রাখবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাচসাস কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি সালাম মাহমুদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান রতন, অর্থ সম্পাদক রুহুল সাখাওয়াত, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মতিহার, আন্তর্জাতিক ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবু হুরায়রা মুরাদ, সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইসরাত জাহান স্বর্ণা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুর ইসলাম লিটন, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন ভূঁইয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য শাকিল হোসেন, সাজু আহমেদ, হাফিজ রহমান ও নিয়াজ মোর্শেদ শুভ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে আসেন চলচ্চিত্রের প্রথিতযশা পরিচালক ছটকু আহমেদ, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর মহাসচিব ও বাচসাস সদস্য লিটন এরশাদ, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব)-এর সভাপতি কাদের মনসুর, বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশেনের (বিসিআরএ) সভাপতি মনিরুল ইসলাম, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি ডি এ তায়েব, চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তিসহ অন্যান্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা। তারা বাচসাসের এই আয়োজন ও উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

রুনা লায়লাকে সম্মাননা দেবে শিল্পকলা একাডেমি







