‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিককে ছাত্রদলকর্মীদের মারধরের অভিযোগ

‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিককে ছাত্রদলকর্মীদের মারধরের অভিযোগ
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা

ঝিনাইদহে আইনমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে পেশাগত দায়িত্বপালনকালে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে দৈনিক পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারের জেলা সংবাদদাতা ওমর আলী সোহাগকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানান ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরের মুক্তমঞ্চের সামনে ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক সোহাগ বলেন, ‘আমি অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম। অনুষ্ঠান শেষে অন্য সাংবাদিকদের সাথে আমিও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে যাই। হঠাৎ ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন পেছন থেকে এসে বলেন, তুই এখানে কেন এসেছিস। তুই সরকারের বদনামের নিউজ করিস, তুই আওয়ামী লীগের দোসর। এখান থেকে বের হয়ে যা।– এসব কথা বলার সময় তিনি আমাকে ধাক্কা দিতে দিতে বের করে দেন। পরে ছাত্রদলের কর্মীদের আমাকে মারার নির্দেশ দেন।’
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত বের হয়ে একটি চায়ের দোকানের পাশে দাঁড়াই। সেখানে ছাত্রদলের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী এসে আমাকে মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় আমি ঝিনাইদহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।’
অভিযুক্ত ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। পাশাপাশি তিনি বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
জানতে চাইলে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে মাখন বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর ছবি তুলতে দেখে আমি ঘটনাস্থলে ওমরকে সরিয়ে দিয়েছি। তবে মারধরের বিষয়ে কিছু জানি না।’
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ‘থানায় জিডি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে, সাংবাদিক ওমর আলী সোহাগকে মারধরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান ও আসিফ ইকবাল কাজলসহ স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা।

ঝিনাইদহে আইনমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে পেশাগত দায়িত্বপালনকালে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে দৈনিক পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারের জেলা সংবাদদাতা ওমর আলী সোহাগকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানান ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরের মুক্তমঞ্চের সামনে ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক সোহাগ বলেন, ‘আমি অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম। অনুষ্ঠান শেষে অন্য সাংবাদিকদের সাথে আমিও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে যাই। হঠাৎ ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন পেছন থেকে এসে বলেন, তুই এখানে কেন এসেছিস। তুই সরকারের বদনামের নিউজ করিস, তুই আওয়ামী লীগের দোসর। এখান থেকে বের হয়ে যা।– এসব কথা বলার সময় তিনি আমাকে ধাক্কা দিতে দিতে বের করে দেন। পরে ছাত্রদলের কর্মীদের আমাকে মারার নির্দেশ দেন।’
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত বের হয়ে একটি চায়ের দোকানের পাশে দাঁড়াই। সেখানে ছাত্রদলের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী এসে আমাকে মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় আমি ঝিনাইদহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।’
অভিযুক্ত ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। পাশাপাশি তিনি বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
জানতে চাইলে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে মাখন বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর ছবি তুলতে দেখে আমি ঘটনাস্থলে ওমরকে সরিয়ে দিয়েছি। তবে মারধরের বিষয়ে কিছু জানি না।’
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ‘থানায় জিডি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে, সাংবাদিক ওমর আলী সোহাগকে মারধরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান ও আসিফ ইকবাল কাজলসহ স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা।

‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিককে ছাত্রদলকর্মীদের মারধরের অভিযোগ
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা

ঝিনাইদহে আইনমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে পেশাগত দায়িত্বপালনকালে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে দৈনিক পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারের জেলা সংবাদদাতা ওমর আলী সোহাগকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানান ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরের মুক্তমঞ্চের সামনে ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক সোহাগ বলেন, ‘আমি অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম। অনুষ্ঠান শেষে অন্য সাংবাদিকদের সাথে আমিও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে যাই। হঠাৎ ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন পেছন থেকে এসে বলেন, তুই এখানে কেন এসেছিস। তুই সরকারের বদনামের নিউজ করিস, তুই আওয়ামী লীগের দোসর। এখান থেকে বের হয়ে যা।– এসব কথা বলার সময় তিনি আমাকে ধাক্কা দিতে দিতে বের করে দেন। পরে ছাত্রদলের কর্মীদের আমাকে মারার নির্দেশ দেন।’
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত বের হয়ে একটি চায়ের দোকানের পাশে দাঁড়াই। সেখানে ছাত্রদলের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী এসে আমাকে মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় আমি ঝিনাইদহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।’
অভিযুক্ত ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি। পাশাপাশি তিনি বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
জানতে চাইলে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে মাখন বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর ছবি তুলতে দেখে আমি ঘটনাস্থলে ওমরকে সরিয়ে দিয়েছি। তবে মারধরের বিষয়ে কিছু জানি না।’
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ‘থানায় জিডি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অন্যদিকে, সাংবাদিক ওমর আলী সোহাগকে মারধরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান ও আসিফ ইকবাল কাজলসহ স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা।

‘তোমরা লেখবা, আমরা পিটাবো’



-CznNewsLab-39c5ee.jpg)



