ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভ করার কারণ জানালেন আসিফ

ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভ করার কারণ জানালেন আসিফ
বিনোদন ডেস্ক

নিজের ব্যক্তিগত আইডি এবং অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ—দুটোই ডি-অ্যাক্টিভেট করে দিয়েছেন সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর। ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া থেকে সরে এসে এখন আগের চেয়ে বেশ শান্তিতে আছেন বলে জানিয়েছেন সংগীত জগতের এ তারকা।
অন্যান্যদের তুলনায় কিছুটা দেরিতে নেটদুনিয়ায় সক্রিয় হলেও ফেসবুকে আসিফ আকবরের অনুসারী গ্রুপ তৈরি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি এক চলচ্চিত্রের অনুষ্ঠানে হুট করেই জানান, তিনি আর ফেসবুক ব্যবহার করছেন না। মাধ্যমটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আসিফের মতে, ফেসবুক তার আসল উদ্দেশ্য ও স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফেসবুক ছিল একটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। কিন্তু ফেসবুকে এখন সেখানে ধর্ম প্রচার হচ্ছে, অনলাইন অর্ডার করা হচ্ছে। ফেসবুক এখন আর ফেসবুকের জায়গায় নেই। কোন নিউজ বিশ্বাস করব, কোনটি সত্য- বলা যায় না। আমাকে রিউমর স্ক্যান করে ফোন দিয়ে বলতে হয়, ভাই, আমি তো এটা বলিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই না করার প্রবণতা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে বলে মনে করেন তিনি। বিশেষ করে তারকাদের নিয়ে নানা ভিত্তিহীন বক্তব্য ছড়ানোর ফলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে বারবার স্পষ্টীকরণ দিতে হয়। দায়িত্বশীলতার এ অভাব নিয়ে তিনি বলেন, ‘তারপর তারা (রিউমর স্ক্যান) স্ক্যান করে দেখেন। এরপর আবার সেটি প্রকাশ করতে হয়। এটা একটা রেসপনসিবিলিটির জায়গা। কিন্তু সেটি যদি ঠিক না থাকে, তাহলে মানুষকে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হতে হয়।’
ফেসবুক ছাড়লেও সংগীতে পুরোপুরি সক্রিয় আসিফ। নতুন গান রেকর্ড এবং স্টেজ শো নিয়ে নিয়মিত ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নষ্ট হওয়া বাড়তি সময়টা কাজে লাগাচ্ছেন একান্ত ব্যক্তিগত কাজে।
অনলাইন দুনিয়া থেকে দূরে থাকার আনন্দ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে অনেক সময় যেত। এখন সেই সময়টা পরিবারকে দিচ্ছি। পড়াশোনায় দিচ্ছি। মনে হচ্ছে, আরও জানা দরকার। এখন পর্যন্ত সময়টা আমার নিজের খুব ভালো কাটছে।’

নিজের ব্যক্তিগত আইডি এবং অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ—দুটোই ডি-অ্যাক্টিভেট করে দিয়েছেন সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর। ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া থেকে সরে এসে এখন আগের চেয়ে বেশ শান্তিতে আছেন বলে জানিয়েছেন সংগীত জগতের এ তারকা।
অন্যান্যদের তুলনায় কিছুটা দেরিতে নেটদুনিয়ায় সক্রিয় হলেও ফেসবুকে আসিফ আকবরের অনুসারী গ্রুপ তৈরি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি এক চলচ্চিত্রের অনুষ্ঠানে হুট করেই জানান, তিনি আর ফেসবুক ব্যবহার করছেন না। মাধ্যমটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আসিফের মতে, ফেসবুক তার আসল উদ্দেশ্য ও স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফেসবুক ছিল একটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। কিন্তু ফেসবুকে এখন সেখানে ধর্ম প্রচার হচ্ছে, অনলাইন অর্ডার করা হচ্ছে। ফেসবুক এখন আর ফেসবুকের জায়গায় নেই। কোন নিউজ বিশ্বাস করব, কোনটি সত্য- বলা যায় না। আমাকে রিউমর স্ক্যান করে ফোন দিয়ে বলতে হয়, ভাই, আমি তো এটা বলিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই না করার প্রবণতা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে বলে মনে করেন তিনি। বিশেষ করে তারকাদের নিয়ে নানা ভিত্তিহীন বক্তব্য ছড়ানোর ফলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে বারবার স্পষ্টীকরণ দিতে হয়। দায়িত্বশীলতার এ অভাব নিয়ে তিনি বলেন, ‘তারপর তারা (রিউমর স্ক্যান) স্ক্যান করে দেখেন। এরপর আবার সেটি প্রকাশ করতে হয়। এটা একটা রেসপনসিবিলিটির জায়গা। কিন্তু সেটি যদি ঠিক না থাকে, তাহলে মানুষকে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হতে হয়।’
ফেসবুক ছাড়লেও সংগীতে পুরোপুরি সক্রিয় আসিফ। নতুন গান রেকর্ড এবং স্টেজ শো নিয়ে নিয়মিত ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নষ্ট হওয়া বাড়তি সময়টা কাজে লাগাচ্ছেন একান্ত ব্যক্তিগত কাজে।
অনলাইন দুনিয়া থেকে দূরে থাকার আনন্দ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে অনেক সময় যেত। এখন সেই সময়টা পরিবারকে দিচ্ছি। পড়াশোনায় দিচ্ছি। মনে হচ্ছে, আরও জানা দরকার। এখন পর্যন্ত সময়টা আমার নিজের খুব ভালো কাটছে।’

ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভ করার কারণ জানালেন আসিফ
বিনোদন ডেস্ক

নিজের ব্যক্তিগত আইডি এবং অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ—দুটোই ডি-অ্যাক্টিভেট করে দিয়েছেন সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর। ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া থেকে সরে এসে এখন আগের চেয়ে বেশ শান্তিতে আছেন বলে জানিয়েছেন সংগীত জগতের এ তারকা।
অন্যান্যদের তুলনায় কিছুটা দেরিতে নেটদুনিয়ায় সক্রিয় হলেও ফেসবুকে আসিফ আকবরের অনুসারী গ্রুপ তৈরি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি এক চলচ্চিত্রের অনুষ্ঠানে হুট করেই জানান, তিনি আর ফেসবুক ব্যবহার করছেন না। মাধ্যমটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আসিফের মতে, ফেসবুক তার আসল উদ্দেশ্য ও স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফেসবুক ছিল একটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। কিন্তু ফেসবুকে এখন সেখানে ধর্ম প্রচার হচ্ছে, অনলাইন অর্ডার করা হচ্ছে। ফেসবুক এখন আর ফেসবুকের জায়গায় নেই। কোন নিউজ বিশ্বাস করব, কোনটি সত্য- বলা যায় না। আমাকে রিউমর স্ক্যান করে ফোন দিয়ে বলতে হয়, ভাই, আমি তো এটা বলিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে তা যাচাই না করার প্রবণতা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে বলে মনে করেন তিনি। বিশেষ করে তারকাদের নিয়ে নানা ভিত্তিহীন বক্তব্য ছড়ানোর ফলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে বারবার স্পষ্টীকরণ দিতে হয়। দায়িত্বশীলতার এ অভাব নিয়ে তিনি বলেন, ‘তারপর তারা (রিউমর স্ক্যান) স্ক্যান করে দেখেন। এরপর আবার সেটি প্রকাশ করতে হয়। এটা একটা রেসপনসিবিলিটির জায়গা। কিন্তু সেটি যদি ঠিক না থাকে, তাহলে মানুষকে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হতে হয়।’
ফেসবুক ছাড়লেও সংগীতে পুরোপুরি সক্রিয় আসিফ। নতুন গান রেকর্ড এবং স্টেজ শো নিয়ে নিয়মিত ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নষ্ট হওয়া বাড়তি সময়টা কাজে লাগাচ্ছেন একান্ত ব্যক্তিগত কাজে।
অনলাইন দুনিয়া থেকে দূরে থাকার আনন্দ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে অনেক সময় যেত। এখন সেই সময়টা পরিবারকে দিচ্ছি। পড়াশোনায় দিচ্ছি। মনে হচ্ছে, আরও জানা দরকার। এখন পর্যন্ত সময়টা আমার নিজের খুব ভালো কাটছে।’

২৫ সেকেন্ডে ১২ গুলিতে শেষ গায়কের জীবন




-CznNewsLab-4a580c-480x270.webp)


