নতুন সংকটে নেপাল, ২৩৩ মরদেহের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে মাত্র ৪টি

নতুন সংকটে নেপাল, ২৩৩ মরদেহের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে মাত্র ৪টি
সিজেডএন ডেস্ক

ভয়াবহ বন্যার তাণ্ডব থামলেও নতুন সংকটে পড়েছে নেপাল। উদ্ধার হওয়া মরদেহ শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। বিশেষ করে চিতওয়ান এলাকায় উদ্ধার পাওয়া ২৩৩টি মরদেহের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪ জনের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে। বাকি ২২৯টি মরদেহ চেনার আর কোনো উপায় নেই।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এসব পচা মরদেহ থেকে ছড়াতে পারে তীব্র দুর্গন্ধ ও ছোঁয়াচে মহামারির ঝুঁকি। এ আশঙ্কা থেকে অশনাক্ত ও দাবিহীন মরদেহগুলো দ্রুত দাফন বা শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিতওয়ান জেলা প্রশাসন। শনিবার (২৯ আগস্ট) থেকেই ভারতপুর মহানগরীর দেবঘাটের একটি নির্ধারিত স্থানে এগুলো সৎকারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে স্বজনদের শেষ আশার আলোটুকু জিইয়ে রাখতে প্রতিটি মরদেহের ডিএনএ নমুনা ও বিশেষ কোড নম্বর সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে স্বজনদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।
এ সংকটের মধ্যেই রাসুয়া জেলার ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গে জমেছে শঙ্কা ও অনিশ্চয়তা। সেখানে আটকে পড়েছেন বেশ কয়েকজন মানুষ। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় জানিয়েছে, সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ ও নেপাল পুলিশের যৌথ দল গত দুই দিন ধরে ভারী পলি ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সুড়ঙ্গের মুখ খোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভেতরে ঠিক কতজন আটকে আছেন এবং তারা কী অবস্থায় আছেন, বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তা স্পষ্ট নয়।
ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানে গতি আনতে ভারত থেকে একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল ইতোমধ্যে ত্রিশূলী এলাকায় পৌঁছে কাজে যোগ দিয়েছে। তবে উত্তর নেপালে নতুন করে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। অধিকাংশ প্রধান সড়ক ও সেতু ভেঙে পড়ায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে এখন কেবল হেলিকপ্টার পাঠিয়েই উদ্ধার কাজ চালাতে হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

ভয়াবহ বন্যার তাণ্ডব থামলেও নতুন সংকটে পড়েছে নেপাল। উদ্ধার হওয়া মরদেহ শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। বিশেষ করে চিতওয়ান এলাকায় উদ্ধার পাওয়া ২৩৩টি মরদেহের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪ জনের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে। বাকি ২২৯টি মরদেহ চেনার আর কোনো উপায় নেই।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এসব পচা মরদেহ থেকে ছড়াতে পারে তীব্র দুর্গন্ধ ও ছোঁয়াচে মহামারির ঝুঁকি। এ আশঙ্কা থেকে অশনাক্ত ও দাবিহীন মরদেহগুলো দ্রুত দাফন বা শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিতওয়ান জেলা প্রশাসন। শনিবার (২৯ আগস্ট) থেকেই ভারতপুর মহানগরীর দেবঘাটের একটি নির্ধারিত স্থানে এগুলো সৎকারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে স্বজনদের শেষ আশার আলোটুকু জিইয়ে রাখতে প্রতিটি মরদেহের ডিএনএ নমুনা ও বিশেষ কোড নম্বর সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে স্বজনদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।
এ সংকটের মধ্যেই রাসুয়া জেলার ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গে জমেছে শঙ্কা ও অনিশ্চয়তা। সেখানে আটকে পড়েছেন বেশ কয়েকজন মানুষ। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় জানিয়েছে, সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ ও নেপাল পুলিশের যৌথ দল গত দুই দিন ধরে ভারী পলি ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সুড়ঙ্গের মুখ খোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভেতরে ঠিক কতজন আটকে আছেন এবং তারা কী অবস্থায় আছেন, বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তা স্পষ্ট নয়।
ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানে গতি আনতে ভারত থেকে একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল ইতোমধ্যে ত্রিশূলী এলাকায় পৌঁছে কাজে যোগ দিয়েছে। তবে উত্তর নেপালে নতুন করে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। অধিকাংশ প্রধান সড়ক ও সেতু ভেঙে পড়ায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে এখন কেবল হেলিকপ্টার পাঠিয়েই উদ্ধার কাজ চালাতে হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

নতুন সংকটে নেপাল, ২৩৩ মরদেহের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে মাত্র ৪টি
সিজেডএন ডেস্ক

ভয়াবহ বন্যার তাণ্ডব থামলেও নতুন সংকটে পড়েছে নেপাল। উদ্ধার হওয়া মরদেহ শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। বিশেষ করে চিতওয়ান এলাকায় উদ্ধার পাওয়া ২৩৩টি মরদেহের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪ জনের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছে। বাকি ২২৯টি মরদেহ চেনার আর কোনো উপায় নেই।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এসব পচা মরদেহ থেকে ছড়াতে পারে তীব্র দুর্গন্ধ ও ছোঁয়াচে মহামারির ঝুঁকি। এ আশঙ্কা থেকে অশনাক্ত ও দাবিহীন মরদেহগুলো দ্রুত দাফন বা শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিতওয়ান জেলা প্রশাসন। শনিবার (২৯ আগস্ট) থেকেই ভারতপুর মহানগরীর দেবঘাটের একটি নির্ধারিত স্থানে এগুলো সৎকারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে স্বজনদের শেষ আশার আলোটুকু জিইয়ে রাখতে প্রতিটি মরদেহের ডিএনএ নমুনা ও বিশেষ কোড নম্বর সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে স্বজনদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।
এ সংকটের মধ্যেই রাসুয়া জেলার ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গে জমেছে শঙ্কা ও অনিশ্চয়তা। সেখানে আটকে পড়েছেন বেশ কয়েকজন মানুষ। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় জানিয়েছে, সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ ও নেপাল পুলিশের যৌথ দল গত দুই দিন ধরে ভারী পলি ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সুড়ঙ্গের মুখ খোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভেতরে ঠিক কতজন আটকে আছেন এবং তারা কী অবস্থায় আছেন, বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তা স্পষ্ট নয়।
ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানে গতি আনতে ভারত থেকে একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল ইতোমধ্যে ত্রিশূলী এলাকায় পৌঁছে কাজে যোগ দিয়েছে। তবে উত্তর নেপালে নতুন করে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। অধিকাংশ প্রধান সড়ক ও সেতু ভেঙে পড়ায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে এখন কেবল হেলিকপ্টার পাঠিয়েই উদ্ধার কাজ চালাতে হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

নেপালে পাহাড়ি ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৩








