মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছি: মৌসুমী

মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছি: মৌসুমী
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমি আমার ভেতরে একটি ছোট্ট হৃদস্পন্দন বহন করছি। যে অজান্তেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হয়ে উঠেছে। মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে আরও গুছিয়ে নিচ্ছি বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ।
বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে মৌসুমী লিখেন, এখন আমার শরীর বদলে যাচ্ছে। আমার হৃদয় বদলে যাচ্ছে। আমার জীবনের অগ্রাধিকার বদলে যাচ্ছে। হয়তো আমার আত্মাও বদলে যাচ্ছে। জীবন আমাকে এমন সব পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে, যা কখনো কল্পনাও করিনি। বিশ্বাসভঙ্গের যন্ত্রণা কী, তা আমি জেনেছি। হতাশার শব্দ কেমন শোনায়, তাও শিখেছি। বুঝেছি, যে সবাই রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তারা সবাই সেই প্রতিশ্রুতি রাখে না। এমনও সময় এসেছে, যখন নিজের অস্তিত্ব, নিজের মূল্য আর নিজের শক্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছি। তবু জীবন তার নিজস্ব সৌন্দর্যে বারবার মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি সমাপ্তিই কখনো কখনো আরও অর্থপূর্ণ এক নতুন শুরুর দরজা খুলে দেয়।
তিনি লিখেন, আজ আমি আমার ভেতরে একটি ছোট্ট হৃদস্পন্দন বহন করছি। যে অজান্তেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হয়ে উঠেছে। এই ছোট্ট প্রাণ আমাকে সুস্থ হয়ে ওঠার কারণ দিয়েছে। কারণ এই নয় যে, আমার কষ্টের কোনো মূল্য ছিল না; বরং ভালোবাসা আজ সেই কষ্টের চেয়েও অনেক বড় হয়ে উঠেছে। মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে আরো গুছিয়ে নিচ্ছি। আমি আর রাগ বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি আর পুরোনো কিংবা নতুন কোনো ক্ষতকে বারবার মনে করতে চাই না। আমি চাই না, আমার সন্তান এমন সব যুদ্ধের ভার বয়ে বেড়াক, যেগুলোর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই নেই।
মৌসুমী লিখেন, আমার শরীরের প্রতিটি স্ট্রেচ মার্ক, প্রতিটি নির্ঘুম রাত, প্রতিটি ব্যথা আর আমার ভেতর থেকে আসা প্রতিটি ছোট্ট লাথি আমাকে মনে করিয়ে দেয়, আমি ধীরে ধীরে নতুন এক মানুষ হয়ে উঠছি। শুধু একজন মা নই, আমি আরও শক্তিশালী এক নারী। আরও কোমল এক হৃদয়। আরও শান্ত এক মন। আরও দৃঢ় বিশ্বাসে ভর করা এক আত্মা। যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, তোমরা আমার জীবনের এমন এক অধ্যায়ের অংশ, যা আমাকে দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছে। আর যারা আমাকে ভালোবেসেছ, তোমরাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।
তিনি লিখেন, আমার ভেতরে বেড়ে ওঠা এই ছোট্ট অলৌকিক প্রাণ, তোমাকে কোলে নেওয়ার আগেই তুমি আমাকে বদলে দিয়েছ। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, তিক্ততার বদলে বেছে নেব শান্তিকে, ভয়ের বদলে ভালোবাসাকে, যন্ত্রণার বদলে আশাকে। একদিন যখন তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করবে, কে আমাকে আমাকে সবচেয়ে শক্তিশালী রূপে গড়ে তুলেছে? তখন আমার উত্তর সবসময় একটাই হবে, তুমিই।

আমি আমার ভেতরে একটি ছোট্ট হৃদস্পন্দন বহন করছি। যে অজান্তেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হয়ে উঠেছে। মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে আরও গুছিয়ে নিচ্ছি বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ।
বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে মৌসুমী লিখেন, এখন আমার শরীর বদলে যাচ্ছে। আমার হৃদয় বদলে যাচ্ছে। আমার জীবনের অগ্রাধিকার বদলে যাচ্ছে। হয়তো আমার আত্মাও বদলে যাচ্ছে। জীবন আমাকে এমন সব পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে, যা কখনো কল্পনাও করিনি। বিশ্বাসভঙ্গের যন্ত্রণা কী, তা আমি জেনেছি। হতাশার শব্দ কেমন শোনায়, তাও শিখেছি। বুঝেছি, যে সবাই রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তারা সবাই সেই প্রতিশ্রুতি রাখে না। এমনও সময় এসেছে, যখন নিজের অস্তিত্ব, নিজের মূল্য আর নিজের শক্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছি। তবু জীবন তার নিজস্ব সৌন্দর্যে বারবার মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি সমাপ্তিই কখনো কখনো আরও অর্থপূর্ণ এক নতুন শুরুর দরজা খুলে দেয়।
তিনি লিখেন, আজ আমি আমার ভেতরে একটি ছোট্ট হৃদস্পন্দন বহন করছি। যে অজান্তেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হয়ে উঠেছে। এই ছোট্ট প্রাণ আমাকে সুস্থ হয়ে ওঠার কারণ দিয়েছে। কারণ এই নয় যে, আমার কষ্টের কোনো মূল্য ছিল না; বরং ভালোবাসা আজ সেই কষ্টের চেয়েও অনেক বড় হয়ে উঠেছে। মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে আরো গুছিয়ে নিচ্ছি। আমি আর রাগ বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি আর পুরোনো কিংবা নতুন কোনো ক্ষতকে বারবার মনে করতে চাই না। আমি চাই না, আমার সন্তান এমন সব যুদ্ধের ভার বয়ে বেড়াক, যেগুলোর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই নেই।
মৌসুমী লিখেন, আমার শরীরের প্রতিটি স্ট্রেচ মার্ক, প্রতিটি নির্ঘুম রাত, প্রতিটি ব্যথা আর আমার ভেতর থেকে আসা প্রতিটি ছোট্ট লাথি আমাকে মনে করিয়ে দেয়, আমি ধীরে ধীরে নতুন এক মানুষ হয়ে উঠছি। শুধু একজন মা নই, আমি আরও শক্তিশালী এক নারী। আরও কোমল এক হৃদয়। আরও শান্ত এক মন। আরও দৃঢ় বিশ্বাসে ভর করা এক আত্মা। যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, তোমরা আমার জীবনের এমন এক অধ্যায়ের অংশ, যা আমাকে দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছে। আর যারা আমাকে ভালোবেসেছ, তোমরাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।
তিনি লিখেন, আমার ভেতরে বেড়ে ওঠা এই ছোট্ট অলৌকিক প্রাণ, তোমাকে কোলে নেওয়ার আগেই তুমি আমাকে বদলে দিয়েছ। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, তিক্ততার বদলে বেছে নেব শান্তিকে, ভয়ের বদলে ভালোবাসাকে, যন্ত্রণার বদলে আশাকে। একদিন যখন তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করবে, কে আমাকে আমাকে সবচেয়ে শক্তিশালী রূপে গড়ে তুলেছে? তখন আমার উত্তর সবসময় একটাই হবে, তুমিই।

মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছি: মৌসুমী
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমি আমার ভেতরে একটি ছোট্ট হৃদস্পন্দন বহন করছি। যে অজান্তেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হয়ে উঠেছে। মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে আরও গুছিয়ে নিচ্ছি বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ।
বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে মৌসুমী লিখেন, এখন আমার শরীর বদলে যাচ্ছে। আমার হৃদয় বদলে যাচ্ছে। আমার জীবনের অগ্রাধিকার বদলে যাচ্ছে। হয়তো আমার আত্মাও বদলে যাচ্ছে। জীবন আমাকে এমন সব পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে, যা কখনো কল্পনাও করিনি। বিশ্বাসভঙ্গের যন্ত্রণা কী, তা আমি জেনেছি। হতাশার শব্দ কেমন শোনায়, তাও শিখেছি। বুঝেছি, যে সবাই রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তারা সবাই সেই প্রতিশ্রুতি রাখে না। এমনও সময় এসেছে, যখন নিজের অস্তিত্ব, নিজের মূল্য আর নিজের শক্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছি। তবু জীবন তার নিজস্ব সৌন্দর্যে বারবার মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি সমাপ্তিই কখনো কখনো আরও অর্থপূর্ণ এক নতুন শুরুর দরজা খুলে দেয়।
তিনি লিখেন, আজ আমি আমার ভেতরে একটি ছোট্ট হৃদস্পন্দন বহন করছি। যে অজান্তেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হয়ে উঠেছে। এই ছোট্ট প্রাণ আমাকে সুস্থ হয়ে ওঠার কারণ দিয়েছে। কারণ এই নয় যে, আমার কষ্টের কোনো মূল্য ছিল না; বরং ভালোবাসা আজ সেই কষ্টের চেয়েও অনেক বড় হয়ে উঠেছে। মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিজেকে আরো গুছিয়ে নিচ্ছি। আমি আর রাগ বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি আর পুরোনো কিংবা নতুন কোনো ক্ষতকে বারবার মনে করতে চাই না। আমি চাই না, আমার সন্তান এমন সব যুদ্ধের ভার বয়ে বেড়াক, যেগুলোর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই নেই।
মৌসুমী লিখেন, আমার শরীরের প্রতিটি স্ট্রেচ মার্ক, প্রতিটি নির্ঘুম রাত, প্রতিটি ব্যথা আর আমার ভেতর থেকে আসা প্রতিটি ছোট্ট লাথি আমাকে মনে করিয়ে দেয়, আমি ধীরে ধীরে নতুন এক মানুষ হয়ে উঠছি। শুধু একজন মা নই, আমি আরও শক্তিশালী এক নারী। আরও কোমল এক হৃদয়। আরও শান্ত এক মন। আরও দৃঢ় বিশ্বাসে ভর করা এক আত্মা। যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, তোমরা আমার জীবনের এমন এক অধ্যায়ের অংশ, যা আমাকে দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছে। আর যারা আমাকে ভালোবেসেছ, তোমরাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।
তিনি লিখেন, আমার ভেতরে বেড়ে ওঠা এই ছোট্ট অলৌকিক প্রাণ, তোমাকে কোলে নেওয়ার আগেই তুমি আমাকে বদলে দিয়েছ। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, তিক্ততার বদলে বেছে নেব শান্তিকে, ভয়ের বদলে ভালোবাসাকে, যন্ত্রণার বদলে আশাকে। একদিন যখন তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করবে, কে আমাকে আমাকে সবচেয়ে শক্তিশালী রূপে গড়ে তুলেছে? তখন আমার উত্তর সবসময় একটাই হবে, তুমিই।

যে অভ্যাস বদলাতে পারছেন না জয়া






