সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২ মার্চ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেকের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
সোনালী ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মুসলিম চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিষয়টি সত্যি। আমি আজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে অবসরে গিয়েছি। তারপর এখন আবার নতুন দায়িত্ব পালন করেছি। শারীরিক অবস্থাও খুব ভালো নেই। তাই পদত্যাগ করেছি।
এক প্রশ্নের জবাবে মুসলিম চৌধুরী বলেন, নতুন সরকার এসেছে, নতুন গভর্নর। তাদের পলিসি আলাদা। সেখানে আমি নিজেকে বেমানান মনে করি।
সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন পরবর্তী জিয়া পরিষদের ব্যানারে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডিকে বিভিন্ন চাপ দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো তাদের সমর্থিতদের প্রধান কার্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন শাখায় বদলি করা। দিন দিন তাদের চাপ বাড়ছিল। এই কারণে চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে পারেন।
মুসলিম চৌধুরী ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার পর ২৮ আগস্ট তাকে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এর আগে তখনকার চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেন ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ১৯ আগস্ট পদত্যাগে বাধ্য হন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২ মার্চ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেকের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
সোনালী ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মুসলিম চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিষয়টি সত্যি। আমি আজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে অবসরে গিয়েছি। তারপর এখন আবার নতুন দায়িত্ব পালন করেছি। শারীরিক অবস্থাও খুব ভালো নেই। তাই পদত্যাগ করেছি।
এক প্রশ্নের জবাবে মুসলিম চৌধুরী বলেন, নতুন সরকার এসেছে, নতুন গভর্নর। তাদের পলিসি আলাদা। সেখানে আমি নিজেকে বেমানান মনে করি।
সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন পরবর্তী জিয়া পরিষদের ব্যানারে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডিকে বিভিন্ন চাপ দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো তাদের সমর্থিতদের প্রধান কার্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন শাখায় বদলি করা। দিন দিন তাদের চাপ বাড়ছিল। এই কারণে চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে পারেন।
মুসলিম চৌধুরী ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার পর ২৮ আগস্ট তাকে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এর আগে তখনকার চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেন ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ১৯ আগস্ট পদত্যাগে বাধ্য হন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।

সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২ মার্চ) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেকের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
সোনালী ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মুসলিম চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিষয়টি সত্যি। আমি আজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে অবসরে গিয়েছি। তারপর এখন আবার নতুন দায়িত্ব পালন করেছি। শারীরিক অবস্থাও খুব ভালো নেই। তাই পদত্যাগ করেছি।
এক প্রশ্নের জবাবে মুসলিম চৌধুরী বলেন, নতুন সরকার এসেছে, নতুন গভর্নর। তাদের পলিসি আলাদা। সেখানে আমি নিজেকে বেমানান মনে করি।
সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন পরবর্তী জিয়া পরিষদের ব্যানারে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডিকে বিভিন্ন চাপ দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো তাদের সমর্থিতদের প্রধান কার্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন শাখায় বদলি করা। দিন দিন তাদের চাপ বাড়ছিল। এই কারণে চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে পারেন।
মুসলিম চৌধুরী ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার পর ২৮ আগস্ট তাকে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এর আগে তখনকার চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেন ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ১৯ আগস্ট পদত্যাগে বাধ্য হন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।




