সঞ্চয়পত্রে করের বোঝা দ্বিগুণ, কমবে মুনাফা

সঞ্চয়পত্রে করের বোঝা দ্বিগুণ, কমবে মুনাফা
সিটিজেন ডেস্ক

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর করের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, এখন থেকে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা উত্তোলনের সময় ১০ শতাংশ হারে অগ্রিম কর কেটে রাখা হবে। এর ফলে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা আগের তুলনায় কম অর্থ হাতে পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত অর্থবিল ২০২৬-এ এ সংক্রান্ত প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতদিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হতো এবং সেটিই চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে বিবেচিত ছিল। নতুন প্রস্তাবে সেই ব্যবস্থা বাতিল করে করের হার ১০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে এবং এটিকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এ সিদ্ধান্তের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে মধ্যবিত্ত পরিবার ও পেনশনভোগীদের ওপর। কারণ, তাঁদের একটি বড় অংশ নিয়মিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার অর্থ দিয়ে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করেন। করের হার বাড়ায় তাঁদের মাসিক আয় কার্যত কমে যাবে।
উদাহরণ হিসেবে পরিবার সঞ্চয়পত্রের কথা ধরা যেতে পারে। বর্তমানে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। প্রতি এক লাখ টাকার বিপরীতে মাসিক মুনাফা আসে প্রায় ৯৯৪ টাকা ১৭ পয়সা। আগে ৫ শতাংশ কর কাটার পর বিনিয়োগকারী হাতে পেতেন প্রায় ৯৪৫ টাকা। নতুন হারে ১০ শতাংশ কর কাটা হলে হাতে পাওয়া অর্থ ৯০০ টাকারও নিচে নেমে আসবে।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত মধ্যবিত্তের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। তাঁর ভাষায়, দেশের বহু মধ্যবিত্ত পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভরশীল। করের হার দ্বিগুণ হওয়ায় তাঁদের প্রকৃত আয় কমে যাবে। মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে এ অতিরিক্ত কর পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৬৩ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধানে উৎসে কর্তন করা করকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা হবে এবং চূড়ান্ত কর দায়ের বিদ্যমান ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো করদাতার কাছ থেকে অগ্রিম কর হিসেবে কেটে রাখা অর্থ যদি বছর শেষে নির্ধারিত আয়করের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তিনি অতিরিক্ত অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এজন্য আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে ব্যাংক হিসাবের তথ্যসহ আবেদন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে ১২০ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়েছে আয়কর বিভাগ।
তবে বাস্তবতা হলো, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারী বিপুলসংখ্যক মধ্যবিত্ত নাগরিকের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নেই এবং তাঁদের অনেকেরই করযোগ্য আয়ও নেই। ফলে তাঁরা নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমা দেন না। এ অবস্থায় কর সমন্বয়ের সুবিধা গ্রহণ করা তাঁদের জন্য কঠিন হতে পারে। ফলে বাড়তি করের পুরো প্রভাবই তাঁদের ওপর পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য তিনটিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই বিনিয়োগ করতে পারে। মেয়াদপূর্তির ভিত্তিতে এসব সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জমান মজুমদার বলেন, “এবারের বাজেটে সঞ্চয়পত্র নিয়ে নতুন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” তবে অর্থবিলে প্রস্তাবিত পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কর কর্তনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ওপর এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর করের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, এখন থেকে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা উত্তোলনের সময় ১০ শতাংশ হারে অগ্রিম কর কেটে রাখা হবে। এর ফলে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা আগের তুলনায় কম অর্থ হাতে পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত অর্থবিল ২০২৬-এ এ সংক্রান্ত প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতদিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হতো এবং সেটিই চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে বিবেচিত ছিল। নতুন প্রস্তাবে সেই ব্যবস্থা বাতিল করে করের হার ১০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে এবং এটিকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এ সিদ্ধান্তের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে মধ্যবিত্ত পরিবার ও পেনশনভোগীদের ওপর। কারণ, তাঁদের একটি বড় অংশ নিয়মিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার অর্থ দিয়ে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করেন। করের হার বাড়ায় তাঁদের মাসিক আয় কার্যত কমে যাবে।
উদাহরণ হিসেবে পরিবার সঞ্চয়পত্রের কথা ধরা যেতে পারে। বর্তমানে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। প্রতি এক লাখ টাকার বিপরীতে মাসিক মুনাফা আসে প্রায় ৯৯৪ টাকা ১৭ পয়সা। আগে ৫ শতাংশ কর কাটার পর বিনিয়োগকারী হাতে পেতেন প্রায় ৯৪৫ টাকা। নতুন হারে ১০ শতাংশ কর কাটা হলে হাতে পাওয়া অর্থ ৯০০ টাকারও নিচে নেমে আসবে।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত মধ্যবিত্তের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। তাঁর ভাষায়, দেশের বহু মধ্যবিত্ত পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভরশীল। করের হার দ্বিগুণ হওয়ায় তাঁদের প্রকৃত আয় কমে যাবে। মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে এ অতিরিক্ত কর পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৬৩ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধানে উৎসে কর্তন করা করকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা হবে এবং চূড়ান্ত কর দায়ের বিদ্যমান ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো করদাতার কাছ থেকে অগ্রিম কর হিসেবে কেটে রাখা অর্থ যদি বছর শেষে নির্ধারিত আয়করের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তিনি অতিরিক্ত অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এজন্য আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে ব্যাংক হিসাবের তথ্যসহ আবেদন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে ১২০ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়েছে আয়কর বিভাগ।
তবে বাস্তবতা হলো, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারী বিপুলসংখ্যক মধ্যবিত্ত নাগরিকের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নেই এবং তাঁদের অনেকেরই করযোগ্য আয়ও নেই। ফলে তাঁরা নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমা দেন না। এ অবস্থায় কর সমন্বয়ের সুবিধা গ্রহণ করা তাঁদের জন্য কঠিন হতে পারে। ফলে বাড়তি করের পুরো প্রভাবই তাঁদের ওপর পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য তিনটিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই বিনিয়োগ করতে পারে। মেয়াদপূর্তির ভিত্তিতে এসব সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জমান মজুমদার বলেন, “এবারের বাজেটে সঞ্চয়পত্র নিয়ে নতুন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” তবে অর্থবিলে প্রস্তাবিত পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কর কর্তনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ওপর এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে।

সঞ্চয়পত্রে করের বোঝা দ্বিগুণ, কমবে মুনাফা
সিটিজেন ডেস্ক

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর করের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, এখন থেকে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা উত্তোলনের সময় ১০ শতাংশ হারে অগ্রিম কর কেটে রাখা হবে। এর ফলে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা আগের তুলনায় কম অর্থ হাতে পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত অর্থবিল ২০২৬-এ এ সংক্রান্ত প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতদিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হতো এবং সেটিই চূড়ান্ত কর দায় হিসেবে বিবেচিত ছিল। নতুন প্রস্তাবে সেই ব্যবস্থা বাতিল করে করের হার ১০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে এবং এটিকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এ সিদ্ধান্তের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে মধ্যবিত্ত পরিবার ও পেনশনভোগীদের ওপর। কারণ, তাঁদের একটি বড় অংশ নিয়মিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার অর্থ দিয়ে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করেন। করের হার বাড়ায় তাঁদের মাসিক আয় কার্যত কমে যাবে।
উদাহরণ হিসেবে পরিবার সঞ্চয়পত্রের কথা ধরা যেতে পারে। বর্তমানে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। প্রতি এক লাখ টাকার বিপরীতে মাসিক মুনাফা আসে প্রায় ৯৯৪ টাকা ১৭ পয়সা। আগে ৫ শতাংশ কর কাটার পর বিনিয়োগকারী হাতে পেতেন প্রায় ৯৪৫ টাকা। নতুন হারে ১০ শতাংশ কর কাটা হলে হাতে পাওয়া অর্থ ৯০০ টাকারও নিচে নেমে আসবে।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত মধ্যবিত্তের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। তাঁর ভাষায়, দেশের বহু মধ্যবিত্ত পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভরশীল। করের হার দ্বিগুণ হওয়ায় তাঁদের প্রকৃত আয় কমে যাবে। মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে এ অতিরিক্ত কর পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন বলেও মত দেন তিনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৬৩ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধানে উৎসে কর্তন করা করকে অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য করা হবে এবং চূড়ান্ত কর দায়ের বিদ্যমান ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো করদাতার কাছ থেকে অগ্রিম কর হিসেবে কেটে রাখা অর্থ যদি বছর শেষে নির্ধারিত আয়করের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে তিনি অতিরিক্ত অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এজন্য আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে ব্যাংক হিসাবের তথ্যসহ আবেদন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে ১২০ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়েছে আয়কর বিভাগ।
তবে বাস্তবতা হলো, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারী বিপুলসংখ্যক মধ্যবিত্ত নাগরিকের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নেই এবং তাঁদের অনেকেরই করযোগ্য আয়ও নেই। ফলে তাঁরা নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমা দেন না। এ অবস্থায় কর সমন্বয়ের সুবিধা গ্রহণ করা তাঁদের জন্য কঠিন হতে পারে। ফলে বাড়তি করের পুরো প্রভাবই তাঁদের ওপর পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য তিনটিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই বিনিয়োগ করতে পারে। মেয়াদপূর্তির ভিত্তিতে এসব সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জমান মজুমদার বলেন, “এবারের বাজেটে সঞ্চয়পত্র নিয়ে নতুন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” তবে অর্থবিলে প্রস্তাবিত পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কর কর্তনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ওপর এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে।




